নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: নওদা ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির অচলাবস্থা কাটতে চলছে। মঙ্গলবার প্রায় ১৮০জন তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি ইস্তফাপত্র হাতে নিয়ে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে হাজির হয়েছিলেন। জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠকের পর সর্বসম্মতিক্রমে তাঁরা ইস্তফা দেবেন না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জেলা সভাপতির অনুরোধে বুধবার থেকেই কাজে ফিরবেন বলে জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। এদিন নওদা ব্লক নিয়ে বৈঠকে হাজির ছিলেন জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার, চেয়ারম্যান রবিউল আলম চৌধুরী, সাংসদ আবু তাহের খান, নওদা ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সফিউজ্জামান শেখ প্রমুখ।
Advertisement
উল্লেখ্য, নওদার সর্বাঙ্গপুরে গুলি চালানোর ঘটনা এবং পঞ্চায়েত সমিতির ক্যাশিয়ারকে মারধরের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তারা সকলেই সভাপতির অনুগামী বলে পরিচিত। এমনকী এই দুই ঘটনায় সফিউজ্জমানের নামও জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিধায়ক শাহিনা মমতাজ খানও তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনেছেন। তারপরেই রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়ে সোমবার কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চিঠি লিখেছিলেন ওই কর্মাধ্যক্ষ।
অপূর্ববাবু এদিন বৈঠক শেষে বলেন, নওদায় আমাদের অতি শক্তিশালী সংগঠন। বিগত সব নির্বাচনে আমাদের দলের প্রতি আস্থা রেখেছে সাধারণ মানুষ। সর্বোপরি ব্লক সভাপতি সফিউজ্জামানের নেতৃত্বে অভাবনীয় সাফল্য আমরা পেয়েছি। এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে কেউ এবং কোনও আধিকারিক দলীয় শক্তিকে দুর্বল করতে চাইছে। আমরা নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিষয়টি জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাইব যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ হোক। তবে একটি স্বচ্ছ তদন্ত চাই। যারা এই মুহূর্তে জেলে আছে তাদের দোষ বিচার হোক। তবে তারা আমাদের কর্মী। তাদের পাশে আমরা আছি। দলের উপর ভরসা রেখে অচলাবস্থা কাটাতে তারা সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করছি। মানুষের কাজ যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা ভাবা প্রয়োজন।
সভাপতির এই আবেদনে সাড়া দিয়ে এদিন সন্ধ্যায় ব্লকের সমস্ত জনপ্রতিনিধি তাঁদের ইস্তফাপত্র আর জমা দেননি।। সফিউজ্জামান বলেন, আমরা নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখছি। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কেউ নই। আমাদের দায়িত্ব আছে মানুষের জন্য। যেহেতু আমরা জন প্রতিনিধি, তাই কাজ করব বলে জেলা নেতৃত্বের কথা শুনে আমরা কর্মবিরতি তুলছি। বুধবার থেকে আমাদের সকল প্রতিনিধি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে কাজে যোগ দেবেন।
উল্লেখ্য, এদিন সকালেই নওদার ব্লক সভাপতিকে খুনের চেষ্টার একটি ফোনের কথোপকথনের অডিও ভাইরাল হয়। ব্লক সভাপতির দাবি, ওই অডিওতে থাকা মহিলার গলাটি স্থানীয় বিধায়িকার। সেই অডিও ফাইলটি জেলা নেতৃত্বের কাছে তিনি জমা দিয়েছেন। যদিও এব্যাপারে বিধায়িকা শাহিনা মমতাজ খান বলেন, এধরনের নোংরা রাজনীতি আমি করি না। আমি এই ধরনের কোনও কথা বলিনি। আমার গলা নকল করে এসব মিথ্যা রটানো হচ্ছে। সফিউজ্জামান পাল্টা বলেন, আমাদের লড়াই রাজনীতির লড়াই। দল আমাকে সভাপতি করেছে বলে একটি ব্লকে নেতৃত্ব দিচ্ছি। আমি লড়াই করছি, দলের জন্য। সেখানে কেউ যদি আমাকে মারার চক্রান্ত করে আমি পরোয়া করি না। এনিয়ে বুধবার আদালতের দ্বারস্থ হব।
অপূর্ববাবু এদিন বৈঠক শেষে বলেন, নওদায় আমাদের অতি শক্তিশালী সংগঠন। বিগত সব নির্বাচনে আমাদের দলের প্রতি আস্থা রেখেছে সাধারণ মানুষ। সর্বোপরি ব্লক সভাপতি সফিউজ্জামানের নেতৃত্বে অভাবনীয় সাফল্য আমরা পেয়েছি। এই সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে কেউ এবং কোনও আধিকারিক দলীয় শক্তিকে দুর্বল করতে চাইছে। আমরা নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিষয়টি জানিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা চাইব যারা দোষী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ হোক। তবে একটি স্বচ্ছ তদন্ত চাই। যারা এই মুহূর্তে জেলে আছে তাদের দোষ বিচার হোক। তবে তারা আমাদের কর্মী। তাদের পাশে আমরা আছি। দলের উপর ভরসা রেখে অচলাবস্থা কাটাতে তারা সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করছি। মানুষের কাজ যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা ভাবা প্রয়োজন।
সভাপতির এই আবেদনে সাড়া দিয়ে এদিন সন্ধ্যায় ব্লকের সমস্ত জনপ্রতিনিধি তাঁদের ইস্তফাপত্র আর জমা দেননি।। সফিউজ্জামান বলেন, আমরা নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখছি। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে আমরা কেউ নই। আমাদের দায়িত্ব আছে মানুষের জন্য। যেহেতু আমরা জন প্রতিনিধি, তাই কাজ করব বলে জেলা নেতৃত্বের কথা শুনে আমরা কর্মবিরতি তুলছি। বুধবার থেকে আমাদের সকল প্রতিনিধি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে কাজে যোগ দেবেন।
উল্লেখ্য, এদিন সকালেই নওদার ব্লক সভাপতিকে খুনের চেষ্টার একটি ফোনের কথোপকথনের অডিও ভাইরাল হয়। ব্লক সভাপতির দাবি, ওই অডিওতে থাকা মহিলার গলাটি স্থানীয় বিধায়িকার। সেই অডিও ফাইলটি জেলা নেতৃত্বের কাছে তিনি জমা দিয়েছেন। যদিও এব্যাপারে বিধায়িকা শাহিনা মমতাজ খান বলেন, এধরনের নোংরা রাজনীতি আমি করি না। আমি এই ধরনের কোনও কথা বলিনি। আমার গলা নকল করে এসব মিথ্যা রটানো হচ্ছে। সফিউজ্জামান পাল্টা বলেন, আমাদের লড়াই রাজনীতির লড়াই। দল আমাকে সভাপতি করেছে বলে একটি ব্লকে নেতৃত্ব দিচ্ছি। আমি লড়াই করছি, দলের জন্য। সেখানে কেউ যদি আমাকে মারার চক্রান্ত করে আমি পরোয়া করি না। এনিয়ে বুধবার আদালতের দ্বারস্থ হব।



