সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: মূল রাস্তায় সরকারি বাসের পরিষেবা থাকলেও প্রত্যন্ত এলাকার ছাত্রছাত্রীদের ভরসা ম্যাক্সিক্যাব। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা ম্যাক্সিক্যাবের মাথায় চড়ে যাচ্ছে পরীক্ষা কেন্দ্রে। আর এসব দেখেও কোনও উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। নকশালবাড়ি থেকে বেলগাছি যেতে ম্যাক্সিক্যাবই ভরসা পরীক্ষার্থীদের। গাড়ির ভিতরে বসার সিট না পেয়ে কেউ গাড়ির পিছনে পাদানিতে ঝুলে ঝুলে যাচ্ছে, কেউ আবার ম্যাক্সিক্যাবের মাথাই বসে বাড়ি ফিরছে।
Advertisement
নকশালবাড়ির হাড়িয়া মোড়ে ট্রাফিক বুথের সামনে দিয়েই পরীক্ষার্থীদের নিয়ে এভাবে চলছে ম্যাক্সিক্যাব। নকশালবাড়ি থেকে পানিঘাটা যাওয়ার ব্যস্ত রাজ্য সড়কে ঝুঁকির যাত্রা চললেও প্রশাসনও কোনও বাড়তি উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। নকশালবাড়ি ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নকশালবাড়িতে চারটি পরীক্ষা কেন্দ্র। নন্দপ্রসাদ হাইস্কুলে ৩৫০, নন্দপ্রসাদ বালিকা বিদ্যালয়ে ১৯০, হাতিঘিষা হাইস্কুলে ৩০৮ এবং হাতিঘিষার ভিন্ট সেন্ট হাইস্কুলে ৪৪২ জন পরীক্ষা দিচ্ছে। এদের অধিকাংশই ব্লকের প্রত্যন্ত এলাকা বেলগাছি, মানঝা, মারাপুর চা বাগানের বাসিন্দা। আবার কেউ পাশ্ববর্তী মিরিক ব্লকের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে।
কার্শিয়াং বনবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিঘাটা রেঞ্জের এক্তিয়ারে থাকা নকশালবাড়ি ও মিরিক ব্লকে ২৮৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যারা জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার। এদের মধ্যে নকশালবাড়িতে ১৮১ ও পাহাড়ের পরীক্ষা কেন্দ্রে ১২৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এজন্য লোহাগড় থেকে নকশালবাড়ি, পানিঘাটা থেকে নকশালবাড়ি, পানিঘাটা থেকে বাগডোগরা ও পানিঘাটা থেকে সুকনা যাওয়ার বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে বাসে বনকর্মীরা থাকছেন।
পানিঘাটার রেঞ্জার সমীরণ রাজ বলেন, ওই রুটে দু’টি বাস দেওয়া হয়েছে। তারপরেও এমনটা হচ্ছে জানা নেই। নকশালবাড়ির বিডিও প্রণব চট্টরাজ জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীদের এমন দুর্ভোগের ব্যাপারে জানা নেই। খোঁজ নেওয়া হবে। পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হবে। পুলিসকে ব্যবস্থা নিতে বলব।
কার্শিয়াং বনবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, পানিঘাটা রেঞ্জের এক্তিয়ারে থাকা নকশালবাড়ি ও মিরিক ব্লকে ২৮৪ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। যারা জঙ্গল সংলগ্ন এলাকার। এদের মধ্যে নকশালবাড়িতে ১৮১ ও পাহাড়ের পরীক্ষা কেন্দ্রে ১২৩ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এজন্য লোহাগড় থেকে নকশালবাড়ি, পানিঘাটা থেকে নকশালবাড়ি, পানিঘাটা থেকে বাগডোগরা ও পানিঘাটা থেকে সুকনা যাওয়ার বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে বাসে বনকর্মীরা থাকছেন।
পানিঘাটার রেঞ্জার সমীরণ রাজ বলেন, ওই রুটে দু’টি বাস দেওয়া হয়েছে। তারপরেও এমনটা হচ্ছে জানা নেই। নকশালবাড়ির বিডিও প্রণব চট্টরাজ জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীদের এমন দুর্ভোগের ব্যাপারে জানা নেই। খোঁজ নেওয়া হবে। পরিবহণ দপ্তরের সঙ্গে কথা বলা হবে। পুলিসকে ব্যবস্থা নিতে বলব।



