মুম্বই: চেতেশ্বর পূজারাকে আউট করার উপায় কী? ম্যাচের আগে এই আলোচনায় সময় কাটত রোহিত শর্মাদের। মঙ্গলবার মুম্বইয়ে চেতেশ্বর পূজারাকে নিয়ে লেখা বই ‘দ্য ডায়েরি অব আ ক্রিকেটার্স ওয়াইফ’-এর উদ্বোধন করেন স্ত্রী পূজা পাবড়ি। সেই অনুষ্ঠানে প্রাক্তন সতীর্থ সম্পর্কে বলতে গিয়ে এমনটাই জানালেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। হিটম্যানের মন্তব্য, ‘রনজি ট্রফিতে সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলে মাঠ থেকে ফেরার পর মা আমায় রোজ জিজ্ঞাসা করতেন, কেন আমার মুখের রং বদলে গিয়েছে? আমি বলতাম, প্রতিপক্ষে চেতেশ্বর পূজারা নামের এক ব্যাটসম্যান আছে। ও ব্যাট করতে নামলে তিনদিনের আগে থামে না। তাই রোদে ফিল্ডিং করে আমার এই হাল।’
বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকেই পূজির বিরুদ্ধে খেলার অভিজ্ঞতা রোহিতের। সেই সময়ের কথা এদিন তুলে ধরেন হিটম্যান। তাঁর মন্তব্য, ‘অনূর্ধ্ব-১৪ থেকেই ওর বিরুদ্ধে খেলেছি। সৌরাষ্ট্র দলের প্রধান ভরসা ছিল পূজি। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলার সময় কতবার ও একাই ম্যাচ জিতিয়েছে। ওর টেকনিক নিয়ে স্রেফ কোনও কথা হবে না।’ উল্লেখ্য, জাতীয় দলের হয়ে ১০৩টি টেস্ট খেলে পূজারার সংগ্রহ ৭ হাজার ১৯৫ রান। এর মধ্যে রয়েছে ১৯টি শতরান ও ৩৫টি অর্ধশতরান। অসাধারণ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে রোহিত বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে সাফল্যের সঙ্গে জাতীয় দলে খেলা বেশ কঠিন। তার উপর, ছোটবেলায় পূজারার দু’টি হাটুঁতেই অস্ত্রোপচার হয়। তা সত্ত্বেও ওর ফিটনেস যথেষ্ট ভালো।’
ক্রিকেট জীনেরর বহু উত্থান-পতন ধরা পড়েছে পূজারার বইতে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ২০১৭ সালের বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল সেবার। বিশেষ করে বেঙ্গালুরুর দ্বিতীয় টেস্টে। ২০০ রানে প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয়েছিল ভারত। সাফল্যে ফিরতে আমি অনিল কুম্বলের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর দেওয়া পরামর্শ এখনও মেনে চলি।’