Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হিন্দুদের সঙ্গে মুসলিমরাও কাঁধে কাঁধ মেলান, কেশপুর বাসস্ট্যান্ড সর্বজনীনের এবারের পুজোর থিম ‘সম্প্রীতি’

ধর্মের ভেদাভেদ নেই। হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও দুর্গা পুজোর আয়োজনে ব্যস্ত

হিন্দুদের সঙ্গে মুসলিমরাও কাঁধে কাঁধ মেলান, কেশপুর বাসস্ট্যান্ড সর্বজনীনের এবারের পুজোর থিম ‘সম্প্রীতি’
  • ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কেশপুর: ধর্মের ভেদাভেদ নেই। হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও দুর্গা পুজোর আয়োজনে ব্যস্ত। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছে পুজোর আয়োজন। কেশপুর বাসস্ট্যান্ড সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পুজোর থিম ‘সম্প্রীতি’।  এবছর থার্মোকল দিয়ে মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। তাঁদের পুজোর বাজেট প্রায় আট লক্ষ টাকা। পুজোর উদ্যোক্তারা জানান, এবছর রেকর্ড ভিড় হবে। পুজো উপলক্ষ্যে তিনদিন ব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। কেশপুর ছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ মানুষ পুজো দেখতে আসবে বলে আশাবাদী পুজো কমিটির সদস্যরা। পুজো কমিটির সহ সভাপতি মহম্মদ রফিক বলেন, মূলত এলাকার ব্যবসায়ী ও বাসস্ট্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত মানুষ এই পুজোর আয়োজন করে থাকেন। ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব নানাভাবে সহযোগিতা করছেন। বিভিন্ন ধর্মের মানুষ এই পুজোর আয়োজনে যুক্ত থাকে। পুলিশ ও প্রশাসনের তরফেও সহযোগিতা পাওয়া যায়।  পুজো কমিটির সহ সম্পাদক প্রদ্যুৎ পাঁজা বলেন, এবছর রেকর্ড ভিড় হবে। ব্লকের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও মণ্ডপ দর্শনে আসবে। আমাদের স্লোগান ‘ধর্ম যার যার, দুর্গাপুজো সবার’। মুখ্যমন্ত্রীর মতাদর্শ মেনেই এই থিম বেছে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কয়েক বছর আগেও ওই এলাকায় ছোট আকারে দুর্গাপুজো হতো। তাই পুজো দেখতে যেতে হতো মেদিনীপুর শহরে। সেই কথা মাথায় রেখেই দুর্গাপুজো শুরু করার পরিকল্পনা করে বাসস্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা। এগিয়ে আসেন এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজনও। তিন বছর আগে পুজোর সূচনা হয়। 

Advertisement

পুজো কমিটির এক সদস্য বলেন, পুজোর সময় সাধারণ মানুষের জন্য ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়। পুজোকে কেন্দ্র করে ছোট ব্যবসায়ীরা পসরা সাজিয়ে বসেন। এছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়।  পুজো কমিটির সম্পাদক শেখ সফেদ আলি বলেন, বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই পুজোর আয়োজন শুরু হয়ে গিয়েছিল। সমস্ত ধর্মের মানুষ সারা বছর ধরেই এই সময়ের অপেক্ষায় থাকে।  কেশপুরের বাসিন্দা তপন ঘোষ বলেন, এই পুজো মণ্ডপে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ