নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: সুশান্ত ঘোষ, তন্ময় ভট্টাচার্যর পর বংশগোপাল চৌধুরী। কমরেডদের চরিত্র নিয়ে অস্বস্তি বেড়েই চলেছে সিপিএমের। রবিবারই ব্রিগেড কর্মসূচি শেষ হয়েছে। সেদিন রাত থেকেই বংশগোপাল চৌধুরীর সঙ্গে রত্না দাসের চ্যাট ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও চ্যাটের সত্যতা যাচাই করেনি ‘বর্তমান’। সেই চ্যাট বহুক্ষেত্রেই শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করেছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের বামনেত্রী রত্না দাস বহুদিন ধরেই সিপিএমের প্রাক্তন মন্ত্রী বংশগোপাল চৌধুরীকে নিয়ে সরব। তিনি অভিযোগ করেছেন, বংশগোপালবাবু তাঁকে কুরুচিকর মেসেজ করেছেন। তাঁর দাবি, মুর্শিদাবাদের সিপিএম জেলা সম্পাদক ও রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের কাছে তিনি প্রমাণ সহ লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। রবিবারই রত্নাদেবী নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘কমঃ সেলিম দাদা, ব্রিগেডও তো শেষ হল। আপনার কথা অনুযায়ী অতি দ্রুত বিচার পাব। আর কবে দাদা?...আর পারছি না লড়াই করতে। আমি হেরে গেলাম নিজের কাছে। তবে চাইব পার্টিটার সঠিক শুদ্ধিকরণ হোক।’
সোমবার রত্নাদেবী ‘বর্তমান’-এর প্রতিনিধিকে ফোনে জানান, ২৫ নভেম্বর আমার অভিযোগের ভিত্তিতে দলে তদন্ত কমিশন গঠন হয়। আমাদের একবার ডেকে তাঁরা বয়ানও নথিভুক্ত করেন। তারপর যখনই তাঁদের প্রশ্ন করি, ওঁরা বলেন, বিচার পাব। কবে আমাদের প্রতি অন্যায়ের বিচার হবে? আমার দেওয়া চ্যাটই বা কী করে ভাইরাল হল? আমি শুনেছি, যে এতবড় অন্যায় করল তাকে শাস্তি না দিয়ে আমাকে সাসপেন্ড করার তোড়জোড় চলছে। আমি বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলার সিটু ও সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির জেলা কমিটির সদস্য।
এব্যাপারে বংশগোপাল চৌধুরী বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি লবি ষড়যন্ত্র করছে। ওই মহিলা সুবিধা চেয়েছিলেন। আমি তা দিইনি।