Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাওড়া শহরের সব শপিং মলে স্টল বসিয়ে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স দেবে পুরসভা

বাজার এলাকা তো বটেই, হাওড়ার ছোট-বড় বিভিন্ন শপিং মলেও চলছে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া দোকান। রেজিস্ট্রেশনের আওতাধীন হলেও অনেকেই শপিং মলগুলিতে দোকান কিনে বা ভাড়ায় নিয়ে দেদার ব্যবসা করছেন।

হাওড়া শহরের সব শপিং মলে স্টল বসিয়ে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স দেবে পুরসভা
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বাজার এলাকা তো বটেই, হাওড়ার ছোট-বড় বিভিন্ন শপিং মলেও চলছে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া দোকান। রেজিস্ট্রেশনের আওতাধীন হলেও অনেকেই শপিং মলগুলিতে দোকান কিনে বা ভাড়ায় নিয়ে দেদার ব্যবসা করছেন। অথচ পুরসভার খাতে ঢুকছে না ট্রেড লাইসেন্স বাবদ রাজস্ব। তাই হাওড়া পুরসভার তরফে এবার শপিং মলের দোকানগুলিকে ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসতে চাইছে। একারণে নভেম্বরের প্রথম দু’সপ্তাহে বিভিন্ন শপিং মলে নতুন লাইসেন্স তৈরি ও পুনর্নবীকরণের জন্য বসানো হবে স্টল। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে বাজার এলাকাগুলিতেও স্টল বসাবে পুরসভা। 

Advertisement

বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্স বাবদ বছরে প্রায় ১৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে হাওড়া পুরসভা। রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তারা। এক্ষেত্রে শহরের যে সমস্ত ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলি এখনও পর্যন্ত ট্রেড লাইসেন্স করায়নি, তাদের লাইসেন্স প্রদান করবে পুরসভা। প্রথম ধাপে শহরের ছোট-বড় শপিং মলে স্টল বসিয়ে সেখানকার ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হবে। স্টলে থাকবেন পুরসভার আধিকারিকরা। তাঁরাই ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদনের যাবতীয় পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করবেন। জি টি রোড, ফোরশোর রোড, হাওড়া ময়দান, বেলুড় এলাকার শপিং মলগুলিতে ৩ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত স্টল করবে পুরসভা। হাওড়া পুরসভার সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্য প্রশাসক তথা পুর কমিশনার বন্দনা পোখরিয়াল বলেন, ‘শপিং মলে একসঙ্গে বহু দোকানকে ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। পরবর্তীতে শহরের বড় বড় বাজারগুলিতেও একইভাবে স্টল বসিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করানোর বিষয়ে উৎসাহিত করা হবে ব্যবসায়ীদের।’ এতে পুরসভার রাজস্ব আদায় বছরে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বাড়বে, দাবি পুরসভার।
পুরসভার আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, নতুন ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের অনেকেই অসাধু উপায় অবলম্বন করছেন। ২০০০ স্কোয়ার ফুট আয়তনের দোকান নিয়ে ব্যবসা করছেন, অথচ মাত্র ৫০০ স্কোয়ার ফুট দেখিয়ে তাঁরা আপলোড করছেন অনলাইনে। এতে পুরসভার রাজস্ব আদায় কমে যাচ্ছে। শহরে গজিয়ে ওঠা বহু ছোট ছোট রেস্তরাঁর ট্রেড লাইসেন্স নেই। আবার লাইসেন্স ছাড়াই বহু জায়গায় চলছে অনুষ্ঠান ভবন। ট্রেড লাইসেন্সের আওতায় এই সমস্ত দোকানগুলিকে নিয়ে আসতে আগামী দিনে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিচ্ছে পুরসভা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ