Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টালিগঞ্জ, যাদবপুরে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে পানীয় জলের পাইপলাইন বসাচ্ছে পুরসভা

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতায় পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় কলকাতা পুরসভা।

টালিগঞ্জ, যাদবপুরে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে পানীয় জলের পাইপলাইন বসাচ্ছে পুরসভা
  • ১৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগেই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতায় পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় কলকাতা পুরসভা। তাই ধাপার মতো গড়িয়া ঢালাই ব্রিজের কাছে নয়া একটি জলপ্রকল্প চালুর তোড়জোড় চলছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরির কাজ। এই প্রকল্প চালু হলে টালিগঞ্জ,  যাদবপুর সহ ই এম বাইপাসের বিস্তীর্ণ এলাকার কয়েক লক্ষ বাসিন্দা উপকৃত হবেন। কিন্তু শুধু জলপ্রকল্প গড়লেই হবে না। সেই জল সরবরাহের জন্য পাততে হবে পর্যাপ্ত পাইপলাইন। পুরসভা সূত্রে খবর, তার জন্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা খরচে প্রায় ৯০ কিলোমিটার নতুন পাইপলাইন পাতার কাজে হাত দেওয়া হবে শীঘ্রই।

Advertisement

বর্তমানে ধাপায় দৈনিক ৩০ মিলিয়ন গ্যালন উৎপাদন ক্ষমতার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট রয়েছে। তার পাশেই দিনে আরও ২০ মিলিয়ন গ্যালন জল উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন প্লান্ট তৈরি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, গড়িয়া ঢালাই ব্রিজেও নতুন প্লান্ট তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিদিন ১০ মিলিয়ন গ্যালন পরিস্রুত পানীয় জল উৎপাদন হবে। পুর-কর্তৃপক্ষ আগামী মার্চ-এপ্রিলের মধ্যেই এই দু’টি প্লান্ট থেকে জল সরবরাহ চালু করে দিতে চাইছে। এই দু’টি প্রকল্প চালু হয়ে গেলে দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ ও যাদবপুরের বাসিন্দাদের একটা বড় অংশ উপকৃত হবে। সেই সঙ্গে সুফল পাবেন দক্ষিণ-পূর্ব কলকাতার ই এম বাইপাস লাগোয়া বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারাও। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ধাপার নির্মীয়মাণ নতুন প্রকল্প থেকে বিভিন্ন বুস্টার পাম্পিং স্টেশন এবং অন্যত্র পানীয় জল সরবরাহ করতে প্রায় ৫০ কিলোমিটার নতুন পাইপলাইন পাতা হবে। গড়িয়ার নতুন জলপ্রকল্প থেকে বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহের জন্য ৩৬ থেকে ৪০ কিলোমিটার পাইপলাইন বসাতে হবে। সম্পূর্ণ কাজটির দেখভাল করছে পুরসভার প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগ। সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্তা বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হল, যাদবপুর, টালিগঞ্জ বিধানসভা অঞ্চলের বিস্তীর্ণ অংশে পরিস্রুত পানীয় জলের জোগান নিশ্চিত করে ভূগর্ভস্থ জলের ব্যবহার বন্ধ করা। ধাপার নতুন প্লান্ট চালু হলে ১৬০ থেকে ১৬৫টি গভীর নলকূপ বন্ধ করে দেওয়া হবে। গড়িয়া ঢালাই ব্রিজের প্রকল্প পরিষেবা শুরু করলে প্রায় ১০০টি গভীর নলকূপ বন্ধ করা যাবে। তখন আর ভূগর্ভস্থ পানীয় জলের প্রয়োজন পড়বে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ