Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জল সরবরাহে বিঘ্ন এড়াতে নয়া জলাধারের উদ্যোগ পুরসভার, সমীক্ষায় খড়্গপুর আইআইটি’র বিশেষজ্ঞরা

জল সরবরাহে বিঘ্ন এড়াতে নয়া জলাধারের উদ্যোগ পুরসভার, সমীক্ষায় খড়্গপুর আইআইটি’র বিশেষজ্ঞরা
  • ৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন এড়াতে নয়া জলাধার এবং ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরির উদ্যোগ জলপাইগুড়ি পুরসভার। সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে খড়্গপুর আইআইটি’র বিশেষজ্ঞদের। মঙ্গলবার তাঁদের সঙ্গে জলপাইগুড়ি পুরসভায় জরুরি বৈঠক করেন ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অম্রুত প্রকল্পে তিস্তা নদী থেকে জল তুলে তা পরিশোধনের পর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি জলাধার এবং একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরি হয়েছে। কিন্তু যদি তাতে কখনও সমস্যা দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে শহরে পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে। সেকারণে আমরা আরও একটি জলাধার এবং ওয়াটার ট্রিটমেন্ট তৈরির চিন্তাভাবনা শুরু করেছি। খড়্গপুর আইআইটি’র বিশেষজ্ঞদের সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সবটা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবেন। সেইমতো আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

Advertisement

১৫২ কোটি টাকায় জলপাইগুড়িতে অম্রুত প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ। দু’দিন আগেই শুরু হয়েছে ট্রায়াল রান। আপাতত তিস্তা থেকে জল তুলে তা জলাধারে ফেলা হবে। তারপর সেখান থেকে জল পৌঁছবে ট্রিটমেন্ট প্লান্টে। পরিশোধনের পর পাইপে আসবে জল। দেখা হবে কোথাও পাইপে লিকেজ আছে কি না। সমস্যা থাকলে সেখানে পাইপ মেরামতের কাজ হবে। একাজের জন্য মাস তিনেক সময় ধরা হয়েছে। পুরসভার দাবি, পুজোর আগেই বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহের ট্রায়াল শুরু হয়ে যাবে। চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে জলপাইগুড়ি পুরসভার ২৫টি ওয়ার্ড এবং সংলগ্ন খড়িয়া পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে পরিস্রুত পানীয় জল।
এদিন ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শহরে বাসিন্দার সংখ্যা বাড়ছে। তাছাড়া বস্তি এলাকাতেও আগামী দিনে পাইপের মাধ্যমে তিস্তার পরিস্রুত পানীয় জল দেওয়া হবে। ফলে একটি জলাধার এবং একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের উপর চাপ পড়বে। কখনও যদি বিগড়ে যায়, সেক্ষেত্রে শহরে জল সরবরাহ ব্যাহত হবে। একথা মাথায় রেখেই আমরা আরও একটি জলাধার ও ট্রিটমেন্ট প্লান্ট তৈরির কথা ভাবছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ