নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেআইনি বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং বা ব্যানার রুখতে নয়া ব্যবস্থা। শহরজুড়ে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ের স্থায়ী কাঠামোগুলিতে কিউআর কোডের ন্যূনতম মাপ নির্দিষ্ট করে দিল কলকাতা পুরসভা। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেআইনি বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং বা ব্যানার রুখতে নয়া ব্যবস্থা। শহরজুড়ে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ের স্থায়ী কাঠামোগুলিতে কিউআর কোডের ন্যূনতম মাপ নির্দিষ্ট করে দিল কলকাতা পুরসভা। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা, নতুন বিজ্ঞাপন নীতি অনুযায়ী সমস্ত স্থায়ী বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে কিউআর কোড রাখা বাধ্যতামূলক। সেটি অন্তত আট বর্গফুটের হতে হবে। বিজ্ঞাপনের কাঠামোর আয়তন ও মাটি থেকে তার উচ্চতা অনুসারে কিউআর কোডের মাপ বাড়াতে হবে। যাতে তা ভালোভাবে দৃষ্টিগোচর হয়। আগামী মাসের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে। যে সংস্থা এই নির্দেশ মানবে না তাদের বিজ্ঞাপন ‘কেটে’ দেওয়া হবে। মোটা টাকা জরিমানাও হবে।
গত দু’বছরে শহরে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে কিউআর কোড দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে পুরসভা। চাইলে যে কেউ স্ক্যান করে দেখে নিতে পারবে সেই বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য। কিউআর কোড না থাকলে বিজ্ঞাপন গণ্য হবে অবৈধ বলে। কিন্তু অনেকাংশেই দেখা গিয়েছে, বহু বিজ্ঞাপনদাতা কিউআর কোড বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে দিচ্ছেন না। বা দিলেও তা এতটাই ছোট আকারে থাকছে যা স্ক্যান করা তো দূরের কথা খালি চোখে ভালো করে দেখাও যায় না। বিষয়টি নিয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তারপর পুরসভার বিজ্ঞাপন নীতিতে এই নিয়ম অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৪ অক্টোবর এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করে পুরসভা। যা বিভিন্ন বিজ্ঞাপন সংস্থাকে পাঠিয়ে দেয় পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগ। এক বিভাগীয় কর্তা বলেন, মাটি থেকে অনেক উঁচুতে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং। সেখানে ছোট করে নামকা ওয়াস্তে কিউআর কোড লাগিয়ে রেখেছে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনদাতা। যা খালি চোখে প্রায় দেখাই যায় না। এতদিন কোনও সাইজের কথা বলা ছিল না। তাই যে যা খুশি করছিল। এবার ন্যূনতম আট বর্গফুট বা চার ফুট বা দু’ফুট সাইজের কিউআর কোড প্রতিটি স্থায়ী বিজ্ঞাপনী হোর্ডিংয়ের কাঠামোতে লাগাতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য শহরজুড়ে যে সমস্ত স্থায়ী কাঠামো রয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপনের যাবতীয় তথ্যসমৃদ্ধ কিউআর কোড সেখানে লাগানো থাকবে। বিজ্ঞাপন অনুসারে তা বদল হবে। ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত এর জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।