Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলা, মদনের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির হানা, বিছানার নীচ থেকে উদ্ধার নগদ টাকা

কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে ইডির হানায় নগদ টাকা উদ্ধার। দুর্নীতির তদন্তে ২০০ অবৈধ নিয়োগের তথ্য। বিস্তারিত পড়ুন।

পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলা, মদনের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির হানা, বিছানার নীচ থেকে উদ্ধার নগদ টাকা
  • ১৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ঠিকানায় হানা দিল ইডি। শনিবার সকাল থেকে একযোগে অভিযান চালান এই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অধিকারিকরা। মদনের একটি ফ্ল্যাটে বিছানার নীচ থেকে নগদ টাকা মিলেছে বলেও খবর। মিলেছে ছ’টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিশ। তবে মদনের কত টাকা মিলেছে, সে বিষয়ে রাত পর্যন্ত স্পষ্ট করেনি ইডি। টাকা গোনার কাজ চলছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ লেনদেনের তথ্য মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

ইডি সূত্রে খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি ধৃত অয়ন শীলকে জেরা করে তদন্তকারীরা জেনেছেন, কামারহাটি পুরসভায় টাকার বিনিময়ে নিয়োগ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২০০ জনকে বেআইনিভাবে নিয়োগের তথ্য পেয়েছে ইডি। অভিযোগ, এই অবৈধ নিয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মদনবাবুর। সেই মামলার তদন্তে শনিবার সকাল থেকে বিভিন্ন ঠিকানায় অভিযানে নামে ইডি। মদনবাবুর দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাট, ভবানীপুরের বাড়ি, জোকার ফ্ল্যাটসহ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়। জোকার ফ্ল্যাটের চাবির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় ইডি-কে। এই ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন আসেন না কামারহাটির বিধায়ক। স্থানীয়দের দাবি, এখানে মাঝেমধ্যে বড়ো বড়ো ব্যাগ নামত। তাতে টাকা থাকত বলে মনে করতেন তাঁরা। মদনের জোকা  ও দক্ষিণেশ্বরের ফ্ল্যাটের বিছানার নীচ থেকে টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। মিলেছে লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নথি। সেই সঙ্গে ছ’টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য পেয়েছেন এজেন্সির অফিসাররা। পুর নিয়োগে দুর্নীতিই এই অর্থের উৎস বলে দাবি করছে ইডি। এদিকে, বাপি মুদলি নামে দক্ষিণেশ্বরের এক ব্যবসায়ী তাঁর দোকান জবরদখল করে রাখার অভিযোগ এনেছেন মদন মিত্রের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীর দোকানটি মদনের ফ্ল্যাটের নীচে বলেই জানা গিয়েছে।  
এর পাশাপাশি, বেলেঘাটা ও সন্তোষপুরের দুই ঠিকাদারের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তাঁদের ব্যবসায় পুর নিয়োগ দুর্নীতির টাকা ঢুকেছে বলে অভিযোগ।  তাঁদের সঙ্গে একাধিক কাউন্সিলারের যোগ রয়েছে বলেও দাবি তদন্তকারী সংস্থার। শনিবার সন্ধ্যায় কামরাহাটির বিধায়কের বিভিন্ন ঠিকানা থেকে তল্লাশি শেষ করে বেরিয়ে যান ইডি আধিকারিকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ