মুম্বই: ঝোড়ো ব্যাটিং রোহিত শর্মার। যোগ্য সঙ্গত রায়ান রিকেলটনের। তাঁদের ব্যাটে ভর করেই লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ৬ উইকেটে হারাল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টস তোলে ৫ উইকেটে ২২৮। জবাবে, আট বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেট খুইয়ে জয়ের রান তুলে নেয় মুম্বই।
লখনউ ইনিংসকে প্রায় একাই টানেন নিকোলাস পুরান। তিন নম্বরে নেমে ২১ বলে হাঁকালেন ঝোড়ো ৬৩। আটটি বিশাল ছক্কা হাঁকান ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। মুম্বইয়ের হয়ে চোট সারিয়ে রোহিত শর্মা ইমপ্যাক্ট সাব হিসেবে ওপেন করতে নামেন। প্রথম দিকে একটু ধরে খেলে ছন্দ ফিরে পাওয়াই ছিল হিটম্যানের লক্ষ্য। ৪৪ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেললেন তিনি। সাতটি বিশাল ছয় রয়েছে রোহিতের ইনিংসে। চোট সারিয়ে এটাই হিটম্যানের প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ। মাত্র ৩২ বলে ৮৩ করেন রিকেলটনও। তাঁর ইনিংস আটটি ছক্কায় সাজানো। ওপেনিং জুটিই জয়ের ভিত গড়ে দেয়। আসলে
চলতি আইপিএলে মুম্বই একের পর এক ম্যাচ হেরে রীতিমতো কোণঠাসা মুম্বই। এই ম্যাচ জিতে কিছুটা হলেও অক্সিজেন পেল তারা। পর পর পাঁচটি ম্যাচ হেরে রীতিমতো দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে লখনউয়েরও। তাই মুম্বইকে হারাতে রণকৌশল বদল করেন ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মিচেল মার্শের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল জস ইংলিশকে। তাতে অবশ্য লাভ হয়নি। ইংলিশ ১৩ রানে আউট হন। তাই পাওয়ার প্লে’র ফায়দা নিতে নামানো হয় নিকোলাস পুরানকে। সিদ্ধান্ত কাজেও দেয়। পুরান আটটি ছক্কার সঙ্গে একটি বাউন্ডারিও হাঁকিয়ে বড় রানের ভিতটা গড়ে দেন। মিচেল মার্শের সঙ্গে জুটিতে পুরান যোগ করেন ৯৪ রান। একটা সময় মনে হয়েছিল লখনউ হয়তো আড়াইশোর গণ্ডি টপকে যাবে। কিন্তু মার্শ (৪৪), পন্থ (১৫) আউট হওয়ার পর মন্থর হয় রান রেট। এই ম্যাচেও বুমরাহ উইকেট পেলেন না।