সংবাদদাতা, পতিরাম: বাঁচানো গেল না আগুনে পুড়ে জখম অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশু ও মায়েদের জন্য উনুনে রান্না করতে গিয়ে শুক্রবার দুপুরে অগ্নিদগ্ধ হন কৃষ্ণা শীল (৫৫)। তড়িঘড়ি তাঁকে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী কৃষ্ণার শরীরের ৯০ শতাংশ অংশ পুড়ে যায়। আপ্রাণ চেষ্টা করেও চিকিত্সকরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে বাঁচাতে পারেননি। শুক্রবার রাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। অভিযোগ, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে একাই কাজ করতেন তিনি। কোনও হেল্পার ছিলেন না। ফলে বাচ্চাদের পড়ানো থেকে রান্না সবই তাঁকে করতে হতো। প্রায় এক বছর ধরে এভাবেই চলত কেন্দ্রটি। শুক্রবারের দুর্ঘটনায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর মৃত্যুর পর পরিবারের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। যদিও প্রশাসন, মৃতার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও রাজস্ব) হারিস রশিদ।
Advertisement
তিনি বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। প্রশাসন ওই পরিবারের পাশে রয়েছে। ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কীভাবে আগুন লাগল এবং কীভাবে ওই দুর্ঘটনা, তা জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই কেন্দ্রে নিয়োগ না হওয়ায় হেল্পার ছিলেন না। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।
মৃতার ছেলে সুদর্শন শীল বলেন, আমার মায়ের কেন্দ্রে প্রায় একবছর ধরে হেল্পার ছিল না। মা পড়ানোর পাশাপাশি রান্নাও করত। একাই রান্না করতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা। আমরা এনিয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করব।
মৃত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী কৃষ্ণার বাড়ি বালুরঘাটের চিঙ্গিসপুর গ্রামপঞ্চায়েতের দুর্গাপুর এলাকায়। ওই পঞ্চায়েতের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রায় একবছর আগে ওই কেন্দ্রের হেল্পার অবসর নেন। ওই পদে আর নিয়োগ হয়নি। রান্না, পড়ানো সব কাজই একাই করতে হতো বছর পঞ্চান্নর কৃষ্ণাকে।
শুক্রবার সকালে কেন্দ্রে উনুনে রান্না করার সময় শাড়ি ও চাদরে আগুন লেগে যায় কৃষ্ণার। পুরো শরীর পুড়ে যায়। মর্মান্তিক এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া এলাকায়।
মৃতার ছেলে সুদর্শন শীল বলেন, আমার মায়ের কেন্দ্রে প্রায় একবছর ধরে হেল্পার ছিল না। মা পড়ানোর পাশাপাশি রান্নাও করত। একাই রান্না করতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা। আমরা এনিয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করব।
মৃত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী কৃষ্ণার বাড়ি বালুরঘাটের চিঙ্গিসপুর গ্রামপঞ্চায়েতের দুর্গাপুর এলাকায়। ওই পঞ্চায়েতের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মী ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রায় একবছর আগে ওই কেন্দ্রের হেল্পার অবসর নেন। ওই পদে আর নিয়োগ হয়নি। রান্না, পড়ানো সব কাজই একাই করতে হতো বছর পঞ্চান্নর কৃষ্ণাকে।
শুক্রবার সকালে কেন্দ্রে উনুনে রান্না করার সময় শাড়ি ও চাদরে আগুন লেগে যায় কৃষ্ণার। পুরো শরীর পুড়ে যায়। মর্মান্তিক এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া এলাকায়।



