সংবাদদাতা, কালিয়াচক: বিদ্যুতের সংযোগ দিতে গিয়ে গ্রাহকের কাছে টাকা নেওয়ায় ঠিকাদার সংস্থাকে শোকজ করে সাসপেন্ড করা হল। বৈষ্ণবনগরের বিদ্যুত্ বণ্টন কোম্পানিতে এক উপভোক্তা অভিযোগ জমা দিতেই ম্যানেজার বিপ্লব স্বর্ণকার কড়া পদক্ষেপ করেছেন।
Advertisement
বৈষ্ণবনগর থানার মির্জাচক চাঁইপাড়া গ্রামে বুধবার বিকেলে বিদ্যুতের সংযোগ দিতে আসে দুই কর্মচারী। তারা নতুন মিটার লাগানোর পর গ্রাহক সাবিত্রী মণ্ডলের কাছে ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় মিটারটি খুলে নেওয়ার হুমকি দেয় কর্মীরা। বাধ্য হয়ে ৪০০ টাকা দেন সাবিত্রী।
গঙ্গা ভাঙনের পর কিছুদিন আগে চাঁইপাড়ায় নতুন বাড়ি করেন সাবিত্রী। মাস খানেক আগে নতুন সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে আবেদন করেন। সাবিত্রীর অভিযোগ, আবেদন জানানোর পর আমার বাড়িতে খোঁজ নিতে এসেও ৫০০ টাকা নিয়ে যায় এক কর্মী। মিটার লাগাতে এসেও দু’জন আমার কাছে ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মিটারটি খুলে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় তারা। বাধ্য হয়ে পাশের বাড়ি থেকে ৪০০ টাকা ধার করে এনে তাদের দিই।
পুরো বিষয়টি জানিয়ে বিদ্যুত্ দপ্তরে অভিযোগ জানালে ওই কর্মীরা এসে সাবিত্রীকে চারশো টাকা ফেরত দিয়ে যায়। স্টেশন ম্যানেজার বিপ্লব স্বর্ণকার জানান, ওই দুইজন আমাদের অফিসের স্টাফ নয়। তারা ঠিকাদারি সংস্থার অধীনে কাজ করে। অভিযোগ পাওয়ার পরেই ঠিকাদারি সংস্থাকে শোকজ করে অস্থায়ীভাবে সাসপেন্ড করেছি। ঠিকাদারি সংস্থার মালিককে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ঠিকাদারি সংস্থার অভিযুক্ত কর্মী বাবাই সাহার দাবি, আমরা জোর করে টাকা নিইনি। গ্রাহক স্বেচ্ছায় মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলেন।
গঙ্গা ভাঙনের পর কিছুদিন আগে চাঁইপাড়ায় নতুন বাড়ি করেন সাবিত্রী। মাস খানেক আগে নতুন সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে আবেদন করেন। সাবিত্রীর অভিযোগ, আবেদন জানানোর পর আমার বাড়িতে খোঁজ নিতে এসেও ৫০০ টাকা নিয়ে যায় এক কর্মী। মিটার লাগাতে এসেও দু’জন আমার কাছে ৬০০ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মিটারটি খুলে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেয় তারা। বাধ্য হয়ে পাশের বাড়ি থেকে ৪০০ টাকা ধার করে এনে তাদের দিই।
পুরো বিষয়টি জানিয়ে বিদ্যুত্ দপ্তরে অভিযোগ জানালে ওই কর্মীরা এসে সাবিত্রীকে চারশো টাকা ফেরত দিয়ে যায়। স্টেশন ম্যানেজার বিপ্লব স্বর্ণকার জানান, ওই দুইজন আমাদের অফিসের স্টাফ নয়। তারা ঠিকাদারি সংস্থার অধীনে কাজ করে। অভিযোগ পাওয়ার পরেই ঠিকাদারি সংস্থাকে শোকজ করে অস্থায়ীভাবে সাসপেন্ড করেছি। ঠিকাদারি সংস্থার মালিককে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ঠিকাদারি সংস্থার অভিযুক্ত কর্মী বাবাই সাহার দাবি, আমরা জোর করে টাকা নিইনি। গ্রাহক স্বেচ্ছায় মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা দিয়েছিলেন।



