সংবাদদাতা, করিমপুর: ব্যাটারিচালিত টোটোর পাশাপাশি রাস্তায় বেড়েছে মোটরভ্যান বা লছিমনের যাতায়াত। মূলত মালবাহী এই গাড়ির কোনও রেজিস্ট্রেশন না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটলেও বিমার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা। আবার এই গাড়ির মালিককে শনাক্ত করাও কঠিন হয়। স্থানীয় লেদে তৈরি এই গাড়ির আলোর ব্যবস্থাও যেমন খারাপ তেমনই ব্রেকের নিয়ন্ত্রণ কম। বেপরোয়া যন্ত্রচালিত এই গাড়ির ধাক্কায় মাঝে মাঝেই দুর্ঘটনা ঘটার ফলে আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ।
Advertisement
বছর ছয়েক আগে হোগলবেড়িয়ার কুচাইডাঙায় লছিমনের ধাক্কায় হাঁটুর নীচ থেকে পা কেটে পড়ে গিয়েছিল গোপীনাথ মণ্ডলের। ঘটনার কয়েক মাস পরে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। এলাকার মানুষের অভিযোগ, লছিমনের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়। কারণ, এই গাড়ি যন্ত্রচালিত হলেও সরকারি রেজিস্ট্রেশন নেই। ফলে দুর্ঘটনার পরে চালক পালিয়ে গেলে তার হদিশ পাওয়া খুব কঠিন। যদিও একাংশের দাবি, অনেক বেকার যুবক এই লছিমন চালিয়ে রোজগার করছে। মুরুটিয়ার এক চাষি সজল মণ্ডল বলেন, আগে সাইকেল বা মাথায় করে জমির পটল বাজারে নিয়ে যেত হতো। এখন এই লছিমন হওয়ায় চাষিদের খুব সুবিধা হয়েছে। সুবিধা যেমন আছে তেমনই অনেক অসুবিধাও আছে। থানার পাড়ার জলিল শেখ বলেন, যন্ত্রচালিত লছিমন বা মোটরভ্যান সাধারণত খুব জোরে চালানো হয়। কিন্তু এই গাড়িগুলির ব্রেক সিস্টেম ভালো না থাকায় দুর্ঘটনা হামেশাই ঘটছে। তিনি আরও বলেন, যন্ত্রচালিত ভ্যানগুলি দ্রুত গতিতে যেভাবে বেপরোয়াভাবে যাতায়াত করে তাতে পদে পদে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। এই সমস্ত ভ্যানগুলি বিভিন্ন লেদ কারখানায় অনবরত তৈরি হচ্ছে।
যন্ত্রচালিত ভ্যানগুলির ব্রেক ভালো না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটার মুহূর্তে তড়িঘড়ি গাড়ি থামাতে পারছেন না চালকেরা। এই সমস্ত ভ্যানের ধাক্কায় একাধিক জায়গায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। সরকারি রাস্তায় চলাচল করার জন্য কোনও ট্যাক্স দিতে হয় না। পরিবহণ দপ্তরের অফিসে লছিমন নথিভুক্ত না থাকায় দুর্ঘটনার পরে চালকরা পালিয়ে গেলে তাদের খোঁজ পেতে সমস্যা হয়।
আবার এই সমস্ত অবৈধ যানবাহনের বিমার কোনও ব্যবস্থা নেই। যে কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে বিমা কোম্পানিগুলির কাছ থেকে কোনও সহযোগিতা পায় না আহত বা নিহতের পরিবার। এলাকার মানুষের দাবি, এই লছিমনগুলিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সরকার রাস্তায় চলার অনুমতি দিক। না হলে রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা দরকার।
এই বিষয়ে জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, যন্ত্রচালিত লছিমন ভ্যান বেআইনিভাবে রাস্তায় চলাচল করছে। প্রশাসন চাইলে লছিমনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।
যন্ত্রচালিত ভ্যানগুলির ব্রেক ভালো না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটার মুহূর্তে তড়িঘড়ি গাড়ি থামাতে পারছেন না চালকেরা। এই সমস্ত ভ্যানের ধাক্কায় একাধিক জায়গায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। সরকারি রাস্তায় চলাচল করার জন্য কোনও ট্যাক্স দিতে হয় না। পরিবহণ দপ্তরের অফিসে লছিমন নথিভুক্ত না থাকায় দুর্ঘটনার পরে চালকরা পালিয়ে গেলে তাদের খোঁজ পেতে সমস্যা হয়।
আবার এই সমস্ত অবৈধ যানবাহনের বিমার কোনও ব্যবস্থা নেই। যে কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে বিমা কোম্পানিগুলির কাছ থেকে কোনও সহযোগিতা পায় না আহত বা নিহতের পরিবার। এলাকার মানুষের দাবি, এই লছিমনগুলিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সরকার রাস্তায় চলার অনুমতি দিক। না হলে রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা দরকার।
এই বিষয়ে জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, যন্ত্রচালিত লছিমন ভ্যান বেআইনিভাবে রাস্তায় চলাচল করছে। প্রশাসন চাইলে লছিমনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।



