নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: বেকারত্বের জের! আর্থিক অনটন থেকে বাঁচতে সোনা পাচারের ক্যারিয়ার হয়ে উঠছে সীমান্তের যুবকরা। কাজ বলতে সোনার বিস্কুট লুকিয়ে হস্তান্তর করা। কাজ হাসিল হলেই পকেটে আসে কড়কড়ে ৫০০ টাকা। পেমেন্ট পায় অনলাইনে। কে সোনার বিস্কুট দিল আর কে তা নিল, তা নিয়ে তাদের কোনও মাথাব্যথা নেই। শুধু হাতবদল করতে পারলেই কেল্লাফতে। বে-রোজগেরের কাছে পাঁচশো টাকা অনেক! মাঝেমধ্যেই বিএসএফের হাতে তারা ধরেও পড়ে। কিন্তু পাচার চক্রের বিষয়ে খোলসা করে তারা কিছু বলতে পারে না। অভাবী যুবকদের এ ভাবে পাচার চক্রে জড়িয়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএসএফ।
Advertisement
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চোরাকারবারিরা একজন কিংবা দু’জন অল্পবয়সী যুবককে এই কাজে যুক্ত করছে না। গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারকে টার্গেট করছে। তাদের বাড়ির যুবকদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কাজে নামানো হচ্ছে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যুবকদের পাচার সামগ্রী হস্তান্তরের কাজ দেওয়া হচ্ছে। কাঁচা টাকার নেশায় যুবকরা পাচারচক্রের ক্যারিয়ার হয়ে পড়ছে।
সম্প্রতি নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ সীমান্তের পুট্টিখালী এলাকা থেকে তিনজন চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করে বিএসএফ। তাদের একজন সীমান্ত থেকে স্কুটিতে করে ১৪টি সোনার বিস্কুট নিয়ে আসছিল। পুট্টিখালির কাছে দু’জন বাইক আরোহীকে সেই বিস্কুট হস্তান্তর করার কথা ছিল। তারপর তারা সেই চোরাই সামগ্রী রানাঘাট রেল স্টেশনের কাছে এক অজ্ঞাত পরিচিত ব্যক্তির হাতে তুলে দিত। যদিও সেই ব্যক্তির নাম পরিচয় তাদের জানা ছিল না। শুধু ‘ডেলিভারি›র অর্ডার ছিল তাদের কাছে। কাজ শেষ হওয়ার পর প্রত্যেকেই পাঁচশো টাকা করে পেত। দেখা যায়, অতীতে একাধিকবার এই চোরাই সামগ্রী হস্তান্তরের কাজ করেছে তারা। প্রতিবারই ৫০০ টাকা করে পেয়েছে।
বিএসএফের এক আধিকারিকের কথায়, কত টাকার বিনিময়ে চোরাই সামগ্রী ডেলিভারের কাজ হবে, তা নির্ভর করে সামগ্রীর পরিমাণ এবং স্থানের উপর। পুলিশ প্রশাসন কিংবা বিএসএফের নজরদারি থাকা ঘনবসতিপূর্ণ কোনও এলাকায় সামগ্রী ডেলিভারি করতে গেলে বেশি টাকা নেয় এই ক্যারিয়াররা। সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় এই কাজ করে তারা।
জানা গিয়েছে, চোরাকারবারিরা যাদের ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তারা সংশ্লিষ্ট গ্রামেরই বাসিন্দা। চাষবাস কিংবা দিনমজুরের কাজ করে। দেখা গিয়েছে, ধৃতদের অনেকেই পড়াশোনা জানা শিক্ষিত যুবক। কিন্তু বেকার। উপার্জন বলতে তাদের সেরকম কিছু নেই। সেটারই সুযোগ নেয় চোরাকারবারিরা।
অল্প বয়সীদের এইভাবে চোরাকারবারে যুক্ত হওয়া আটকাতে বিএসএফ তৎপর হয়েছে। স্থানীয় যুবকদের সিএপিএফ-এ কর্মসংস্থান পেতে সাহায্য করার জন্য বিএসএফ নিয়মিতভাবে লিখিত ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। যাতে তাঁদের আগামীsদিনে কাজ পেতে সুবিধা হয়। - ফাইল চিত্র
সম্প্রতি নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ সীমান্তের পুট্টিখালী এলাকা থেকে তিনজন চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করে বিএসএফ। তাদের একজন সীমান্ত থেকে স্কুটিতে করে ১৪টি সোনার বিস্কুট নিয়ে আসছিল। পুট্টিখালির কাছে দু’জন বাইক আরোহীকে সেই বিস্কুট হস্তান্তর করার কথা ছিল। তারপর তারা সেই চোরাই সামগ্রী রানাঘাট রেল স্টেশনের কাছে এক অজ্ঞাত পরিচিত ব্যক্তির হাতে তুলে দিত। যদিও সেই ব্যক্তির নাম পরিচয় তাদের জানা ছিল না। শুধু ‘ডেলিভারি›র অর্ডার ছিল তাদের কাছে। কাজ শেষ হওয়ার পর প্রত্যেকেই পাঁচশো টাকা করে পেত। দেখা যায়, অতীতে একাধিকবার এই চোরাই সামগ্রী হস্তান্তরের কাজ করেছে তারা। প্রতিবারই ৫০০ টাকা করে পেয়েছে।
বিএসএফের এক আধিকারিকের কথায়, কত টাকার বিনিময়ে চোরাই সামগ্রী ডেলিভারের কাজ হবে, তা নির্ভর করে সামগ্রীর পরিমাণ এবং স্থানের উপর। পুলিশ প্রশাসন কিংবা বিএসএফের নজরদারি থাকা ঘনবসতিপূর্ণ কোনও এলাকায় সামগ্রী ডেলিভারি করতে গেলে বেশি টাকা নেয় এই ক্যারিয়াররা। সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় এই কাজ করে তারা।
জানা গিয়েছে, চোরাকারবারিরা যাদের ক্যারিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে তারা সংশ্লিষ্ট গ্রামেরই বাসিন্দা। চাষবাস কিংবা দিনমজুরের কাজ করে। দেখা গিয়েছে, ধৃতদের অনেকেই পড়াশোনা জানা শিক্ষিত যুবক। কিন্তু বেকার। উপার্জন বলতে তাদের সেরকম কিছু নেই। সেটারই সুযোগ নেয় চোরাকারবারিরা।
অল্প বয়সীদের এইভাবে চোরাকারবারে যুক্ত হওয়া আটকাতে বিএসএফ তৎপর হয়েছে। স্থানীয় যুবকদের সিএপিএফ-এ কর্মসংস্থান পেতে সাহায্য করার জন্য বিএসএফ নিয়মিতভাবে লিখিত ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। যাতে তাঁদের আগামীsদিনে কাজ পেতে সুবিধা হয়। - ফাইল চিত্র



