নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: মাত্র এক হাজার টাকার বিনিময়ে সিমবক্স শিলিগুড়ি নিয়ে এসেছিল নেপালের নাগরিক ধৃত যজ্ঞনিধি পাঠক। শিলিগুড়ি থেকে সেই সিমবক্স নির্দিষ্ট সময়ে কেউ এসে তার থেকে নিয়ে যাবে নেপালের এক ব্যক্তি তাকে জানিয়েছিল। প্রথমে সেটিকে ভাঙাচোরা যন্ত্র ভেবেছিল যজ্ঞনিধি। সেই যন্ত্র মেরামতের জন্য দেওয়া হয়েছে ভেবেই সে নিজের গাড়িতে তুলে নেয়। প্রাথমিকভাবে ধৃতকে জেরা করে এই তথ্যই জানতে পেরেছে পুলিস। যদিও ধৃতের দেওয়া এই তথ্য সঠিক কি না, না কি নিজেকে বাঁচাতে সে পুলিসের কাছে গল্প ফেঁদেছে তা যাচাই করছেন তদন্তকারীরা।
Advertisement
শুক্রবার রাতে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের হাতে সিমবক্স সহ গ্রেপ্তার হয় নেপালের নাগরিক যজ্ঞনিধি পাঠক। তার হেফাজত থেকে উদ্ধার হয় আটটি কোম্পানির সিমকার্ড,১২টি অ্যান্টেনা, একটি রাউটার, নেপালের পরিচয় পত্র ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। সুকনা আর্মি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর আধিকারিকরা শুক্রবার রাতে খড়িবাড়ি পুলিসের সাহায্যে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পুলিসের দাবি, ওই ব্যক্তি সিমবক্স বিক্রি করতে ভারতে এসেছিল। ধৃতের কাছে ভারতীয় আধার কার্ড, নেপালের নাগরিকের পরিচয়পত্র এবং আরও বেশকিছু নথি উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ধৃতকে শিলিগুড়ি আদালতে তুলে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিস। তাকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেতে চাইছে পুলিস।
বাংলাদেশ, পাকিস্তানের কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না তাও জানতে চাইছে গোয়েন্দাদের একাংশ। সিমবক্সের মাধ্যমে সাইবার অপরাধের পাশাপাশি অপরাধমূলক ও নাশকতামূলক কার্যকলাপ করা হয়। সিমবক্স থেকে কল করলে সেই ফোন কল ট্র্যাক করা বা তার লোকেশন জানা যায় না। কিছুদিন আগে ফুলবাড়িতে একটি মোবাইল দোকানে সিমবক্স চক্রের হদিশ মেলে। পরে শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানা এলাকায় সিমবক্স চক্রের পর্দা ফাঁস করেছিল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স(এসটিএফ)। এরপরই খড়িবাড়ি এলাকায় সিমবক্স সহ নেপালের নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। কাজেই বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনভাবেই তদন্তে ফাঁকফোকর রাখতে চাইছেন না তদন্তকারীরা।
বাংলাদেশ, পাকিস্তানের কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না তাও জানতে চাইছে গোয়েন্দাদের একাংশ। সিমবক্সের মাধ্যমে সাইবার অপরাধের পাশাপাশি অপরাধমূলক ও নাশকতামূলক কার্যকলাপ করা হয়। সিমবক্স থেকে কল করলে সেই ফোন কল ট্র্যাক করা বা তার লোকেশন জানা যায় না। কিছুদিন আগে ফুলবাড়িতে একটি মোবাইল দোকানে সিমবক্স চক্রের হদিশ মেলে। পরে শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানা এলাকায় সিমবক্স চক্রের পর্দা ফাঁস করেছিল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স(এসটিএফ)। এরপরই খড়িবাড়ি এলাকায় সিমবক্স সহ নেপালের নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিস। কাজেই বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনভাবেই তদন্তে ফাঁকফোকর রাখতে চাইছেন না তদন্তকারীরা।



