নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: মাত্র চার দিনে ইটভাটা থেকে ৯৬লক্ষ টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করে নজির গড়ল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ভূমি দপ্তর। গত ২জানুয়ারি জেলায় একসঙ্গে ৩৩টি ইটভাটায় সিল করে দিয়েছিল ভূমি দপ্তর। পৌনে দু’কোটি টাকা রাজস্ব বাকি থাকায় একসঙ্গে ১১টি ব্লকে ৩৩টি ভাটা সিল করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া টাকা না দিলে পাকাপাকিভাবে ইটভাটা বন্ধের অর্ডার কপি ধরানো হয়েছিল। তাতেই ঘুম ছুটে গিয়েছে ওই ইটভাটা মালিকদের। সরকারি চালান কেটে লক্ষ লক্ষ বকেয়া টাকা জমা দেওয়ার হিড়িক চলছে। মাত্র চার দিনে ৯৬লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। যেসব ইটভাটা মালিকরা টাকা জমা করছেন তাঁদের ভাটা আবার খুলে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা এখনও টাকা দেননি তাঁদের ভাটা বন্ধ আছে।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রায় চারশো থেকে সাড়ে চারশো ইটভাটা আছে। এরমধ্যে মহিষাদল, নন্দকুমার, চণ্ডীপুর, নন্দীগ্রাম-২প্রভৃতি ব্লকে ইটভাটা সংখ্যা বেশি। অনেক ভাটা দীর্ঘদিন ভূমি দপ্তরের রাজস্ব মেটায়নি বলে অভিযোগ। এজন্য বার বার নোটিস দেওয়ার পরও কাজ হয়নি। বরং ঘন ঘন লিজ বদল করে প্রশাসনকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন অনেক ভাটা মালিক। এনিয়ে ইটভাটা মালিকদের নিয়ে মিটিং করে সতর্ক করার পর ৩৩টি ইটভাটার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভৃমি দপ্তর। অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) বৈভব চৌধুরী এনিয়ে নির্দেশিকা জারি করে ওই ৩৩টি ভাটা শর্তসাপেক্ষে সিল করার সিদ্ধান্ত নেন। এক সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া টাকা মেটালে ভাটা খোলা যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া রাজস্বা না মেটাতে পাকাপাকিভাবে ভাটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়।
মহিষাদল ও শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে সাতটি করে মোট ১৪টি ইটভাটা সিল করে দিয়েছিল ভূমি দপ্তর। এছাড়াও সুতাহাটা ব্লকে চারটি, দেশপ্রাণ ব্লকে তিনটি, নন্দীগ্রাম-২ব্লকে তিনটি ইটভাটা বন্ধ হয়। তমলুক, ময়না, নন্দকুমার, খেজুরি-২ ও কাঁথি-১ এবং ভগবানপুর-১ব্লকে ন’টি ইটভাটা সিল করে দিয়েছিল ভূমি দপ্তর। একসঙ্গে ৩৩টি ইটভাটা সিল হতেই মালিকরা বেকায়দায় পড়ে যান। তড়িঘড়ি বকেয়া রাজস্ব মেটাতে তৎপর হন। তাই মাত্র চারদিনে ৯৬লক্ষ টাকা জমা পড়েছে।
তবে, নন্দীগ্রাম-২ব্লকে মনোহরপুর গ্রামে একটি ইটভাটা প্রশাসন সিল করার পরও কর্তৃপক্ষ সেটি ভেঙে ফেলে। এই ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে জেলা ভূমি দপ্তর। ওই ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি) বৈভব চৌধুরী। এছাড়াও ওই ইটভাটা পাকাপাকিভাবে বন্ধ করা হবে বলেও অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) জানিয়েছেন।
মহিষাদল ও শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকে সাতটি করে মোট ১৪টি ইটভাটা সিল করে দিয়েছিল ভূমি দপ্তর। এছাড়াও সুতাহাটা ব্লকে চারটি, দেশপ্রাণ ব্লকে তিনটি, নন্দীগ্রাম-২ব্লকে তিনটি ইটভাটা বন্ধ হয়। তমলুক, ময়না, নন্দকুমার, খেজুরি-২ ও কাঁথি-১ এবং ভগবানপুর-১ব্লকে ন’টি ইটভাটা সিল করে দিয়েছিল ভূমি দপ্তর। একসঙ্গে ৩৩টি ইটভাটা সিল হতেই মালিকরা বেকায়দায় পড়ে যান। তড়িঘড়ি বকেয়া রাজস্ব মেটাতে তৎপর হন। তাই মাত্র চারদিনে ৯৬লক্ষ টাকা জমা পড়েছে।
তবে, নন্দীগ্রাম-২ব্লকে মনোহরপুর গ্রামে একটি ইটভাটা প্রশাসন সিল করার পরও কর্তৃপক্ষ সেটি ভেঙে ফেলে। এই ঘটনায় কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে জেলা ভূমি দপ্তর। ওই ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার জন্য ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি) বৈভব চৌধুরী। এছাড়াও ওই ইটভাটা পাকাপাকিভাবে বন্ধ করা হবে বলেও অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) জানিয়েছেন।



