Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মিটল সমস্যা, বেহাত জমি পুনরুদ্ধার করে আবর্জনা ফেলা শুরু পুরসভার

মিটল সমস্যা, বেহাত জমি পুনরুদ্ধার করে আবর্জনা ফেলা শুরু পুরসভার
  • ২৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: শহরের বিভিন্ন এলাকায় জমা হওয়া আবর্জনা ফেলা নিয়ে সমস্যায় পড়ে খড়্গপুর পুরসভা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই সমস্যা পিছু ছাড়ছে না পুরসভার। এবার সেই সমস্যা সমাধানে শিল্পতালুক এলাকায় বেহাত হয়ে যাওয়া জমি পুনরুদ্ধার করল পুরকর্তৃপক্ষ। ঠিক হয়েছে সেই জমিতেই এবার আবর্জনা ফেলা হবে। ফলে আর কারও কোনও আপত্তি থাকবে না। পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, ১১ নম্বর ওয়ার্ডের মালঞ্চ এলাকায় একটি কারখানা লাগোয়া জমি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। আমরা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরকে আমাদের জমি নির্দিষ্ট করে দিতে বলেছিলাম। তারা জরিপ করে আমাদের জমি চিহ্নিত করে দিয়েছে। চেয়ারপার্সন বলেন, আমাদের ওখানে ১১৩ ডেসিমেল জমি ছিল। ভূমি দপ্তর ৯৩ ডেসিমেল জমি উদ্ধার করে দিয়েছে। বাকি জমির কাগজপত্র আমরা জমা দিয়েছি। তারা বিষয়টা দেখবে বলেছে। হিসেব মতো আমাদের আরও ২০ ডেসিমেল জমি আছে। কেউ হয়তো সেই জমি দখল করে রেখেছেন। কিন্তু পুরসভার জমি ছেড়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, শুধু মালঞ্চ এলাকাতেই নয়, শহরের আরও কিছু এলাকায় পুরসভার জমি আছে। অনেক জমি বেহাত হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। আমরা ভূমি দপ্তরকে সেই সব জমি চিহ্নিত করতে বলেছি। সেই সব জমিতে আমরা নানা রকম প্রকল্প করতে পারব। মালঞ্চ এলাকায় যে জমি চিহ্নিত করা হল, সেই জমিতে পুরসভা আবর্জনা ফেলা শুরু করে দিয়েছে। পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, এই ৯৩ ডেসিমেল জমি টিন দিয়ে ঘিরতে বলা হয়েছে। সেই ঘেরা জমিতে পুরসভার আবর্জনা ফেলা হবে। ফলে আবর্জনা নিয়ে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে, তা কিছুটা হলেও মিটবে। 
Advertisement
প্রসঙ্গত রাজ্য সরকার শহর লাগোয়া হিরাডি এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড করার জন্য পুরসভাকে জমি দিয়েছিল। সেই জমিতে পুরসভা সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ শুরুও করে। সেখানে আবর্জনা ফেলা শুরু হয়। কিন্তু স্থানীয়রা প্রতিবাদে সোচ্চার হন। মামলা গড়ায় পরিবেশ আদালত পর্যন্ত। সেই জমিতে আবর্জনা ফেলা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পুরসভা জাতীয় সড়ক লাগোয়া একটি ব্যক্তিগত জমিতে আবর্জনা ফেলা শুরু করে। গ্রামীণ এলাকায় জমি ভাড়া নিয়েও আবর্জনা ফেলা হয়। কিন্তু সর্বত্রই নানা সমস্যা দেখা দেয়। প্রতিদিন জমা হওয়া আবর্জনা ফেলার জায়গা না থাকায় শহরে রাস্তার ধারেই আবর্জনা জমে থাকছে। কিছু আবর্জনা অবশ্য তুলে নিয়ে গিয়ে অন্যত্র ফেলা হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা থেকেই গিয়েছে। এবার সেই সমস্যার অন্তত কিছুটা সুরাহা হল। 
সম্পর্কিত সংবাদ