লখনউ: হরিয়ানা থেকে গাজিয়াবাদ। একের পর খুন। একসময়ের কন্ট্র্যাক্ট কিলার জিতেন্দ্র ওরফে জিতু ধীরে ধীরে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের অন্যতম সদস্য হয়ে ওঠেন। ২০২৩ সালে পুলিসের নজর এড়িয়ে পালানোর পর আর তার নাগাল পাওয়া যায়নি। বুধবার উত্তরপ্রদেশের মিরাটে পুলিসি এনকাউন্টারে মৃত্যু হল জিতুর। কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল এক লক্ষ টাকা।
Advertisement
শুরু থেকেই একাধিক অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত ছিল হরিয়ানার ঝজ্জরের বাসিন্দা জিতু। প্রায় আটটি ফৌজদারি মামলা ছিল তার নামে। ২০১৬ সালে ঝজ্জরে জোড়া খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হয়েছিল তার। জেলে থাকাকালীনই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে। পরের দিকে ২০২৩ সালে প্যারোলে ছাড়া পেয়ে চম্পট দেয় সে। আর কোনও সন্ধান পায়নি পুলিস। এরপর গাজিয়াবাদে একজনকে গুলি করে খুন করে জিতু। ধীরে ধীরে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের একের পর এক অপরাধমূলক কার্যকলাপে নাম জড়ায় তার। এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মিরাটের মুন্ডালি থানা এলাকায় অভিযান চালায় এসটিএফ। গুলির লড়াইয়ে জখম হয় জিতু। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মৃত্যু হয় তার।



