সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শনিবার মাথাভাঙা শহর সংলগ্ন হাজরাহাট-২ গ্রামপঞ্চায়েতের কান্দুরার মোড়ে আগুনে ভস্মীভূত হল দু’টি দোকান। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তৃণমূলের পার্টি অফিসও। স্থানীয়রাই প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে মাথাভাঙা দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ঘটনায় একটি বিরিয়ানি তৈরির দোকান ও একটি মুদিখানা সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
Advertisement
মাথাভাঙা শহরের হাসপাতাল পাড়া লাগোয়া কান্দুরার মোড়। এদিন সকালে আচমকা বিরিয়ানির দোকানে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয়রা। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের মুদিখানায়। কোনওভাবে দোকানদার বাইরে বেরিয়ে আসলেও, দোকানের সামগ্রী সব পুড়ে গিয়েছে। দোকান মালিক সেকেন্দার হোসেনের দাবি, কয়েক লক্ষ টাকার সামগ্রী ছিল দোকানে। সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়েছে।
হাজরাহাট-২ গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান হাসিম আলি বলেন, খবর পাওয়ার পরই আমি ঘটনাস্থলে যাই। ওই এলাকাটি শহর লাগোয়া হওয়ায় একাধিক দোকান ও বাড়ি ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা ও দমকল কর্মীদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। আমাদের দলীয় একটি কার্যালয়েরও ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি শর্টসার্কিটের জেরে আগুন লেগেছিল।
সেকেন্দার হোসেন বলেন, এদিন সকালে আমার ছেলে দোকান খুলে বসেছিল। সেই সময় ক্রেতারা দোকানের সামনেই ছিল। আচমকা পাশের বিরিয়ানির দোকানে আগুন লেগে যায়। ছেলে কোনওক্রমে দোকান থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু গোটা দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়েছে।
মাথাভাঙা থানার আইসি হেমন্ত শর্মা বলেন, আগুনে দু’টি দোকান পুড়ে গিয়েছে। কী করে আগুন লেগেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাজরাহাট-২ গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান হাসিম আলি বলেন, খবর পাওয়ার পরই আমি ঘটনাস্থলে যাই। ওই এলাকাটি শহর লাগোয়া হওয়ায় একাধিক দোকান ও বাড়ি ছিল। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা ও দমকল কর্মীদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। আমাদের দলীয় একটি কার্যালয়েরও ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি শর্টসার্কিটের জেরে আগুন লেগেছিল।
সেকেন্দার হোসেন বলেন, এদিন সকালে আমার ছেলে দোকান খুলে বসেছিল। সেই সময় ক্রেতারা দোকানের সামনেই ছিল। আচমকা পাশের বিরিয়ানির দোকানে আগুন লেগে যায়। ছেলে কোনওক্রমে দোকান থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু গোটা দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সমস্ত কিছু পুড়ে গিয়েছে।
মাথাভাঙা থানার আইসি হেমন্ত শর্মা বলেন, আগুনে দু’টি দোকান পুড়ে গিয়েছে। কী করে আগুন লেগেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



