সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা পুরসভা এলাকায় পানীয় জলের পাইপ বদলের জন্য বরাদ্দ এসেছে কুড়ি কোটি টাকা। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপে ছয় কোটি বিয়াল্লিশ লক্ষ টাকার ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এই টাকায় ২.৬৩৮ কিমি এলাকায় পাইপ বসানো হবে। পুরসভা সূত্রে খবর, বাকি কাজও কয়েকটি ধাপে টেন্ডার করা হবে। সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। নতুন করে পাইপলাইন বসালে শহরে পানীয় জলের সমস্যা মিটবে। শহরের বেশকিছু এলাকায় পানীয় জলের গতি কম। সেই এলাকাগুলোতেও জল পৌঁছতে সমস্যা হবে না।
Advertisement
নদীবেষ্টিত মাথাভাঙা পুরসভা এলাকার ১২টি ওয়ার্ডে পানীয় জলের পাইপ বসানোর হয়েছিল প্রায় দেড়দশক আগে। সেই পাইপের বহু জায়গায় আয়রন জমে আছে। প্রায়ই একাধিক জায়গায় পাইপ ফেটে গিয়েছে। ফলে একটু উঁচু জায়গাগুলোতে সঠিক পরিমানে জল পৌঁছয় না। ফলে প্রায়ই পানীয় জল নিয়ে অভিযোগ শুনতে হয় পুরসভাকে। পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে গোটা শহরজুড়ে নতুন করে পাইপ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এনিয়ে নগর উন্নয়ন দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তারপরই পাইপ বসানোর জন্য কুড়ি কোটি টাকা বরাদ্দ মেলে। ২৩ কিমি এলাকায় নতুন পাইপ বসানো হবে। এমাসেই কাজ শুরু করবে বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদারি সংস্থা। শুকনো মরশুমে কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে পুরসভা।
এব্যাপারে মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, আমরা শহরের পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে নতুন করে পাইপলাইন বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের টেন্ডার হয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডারও দেওয়া হয়েছে। এমাসেই কাজ শুরু হবে। বাকি কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। এই মরশুমে পাইপ বসানোর কাজ যতটা সম্ভব এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এব্যাপারে মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, আমরা শহরের পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে নতুন করে পাইপলাইন বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছি। ইতিমধ্যে প্রথম ধাপের টেন্ডার হয়েছে। ওয়ার্ক অর্ডারও দেওয়া হয়েছে। এমাসেই কাজ শুরু হবে। বাকি কাজের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। এই মরশুমে পাইপ বসানোর কাজ যতটা সম্ভব এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।



