Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মাথাভাঙা মহকুমায় অবাধে নদীর পাড় কেটে মাটি চুরি

মাথাভাঙা মহকুমায় অবাধে নদীর পাড় কেটে মাটি চুরি
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা মহকুমার একাধিক নদী থেকে চলছে অবৈধভাবে বালি চুরি। ধরলা, মানসাই, সুটুঙ্গা, নেন্দা সহ ছোট ছোট নদীর পাড় কেটে বালি, মাটির কারবার ফেঁদে বসেছে দালাল চক্র। ভয়ে এনিয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না স্থানীয়রা। কিছু বললেই দেওয়া হচ্ছে হুমকি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের থেকে কোটেশন কেটে নদীর পাড় থেকে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিযোগ, সবটা জেনেও পদক্ষেপ নিচ্ছে না পুলিস কিংবা ভূমি সংস্কার দপ্তর। বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, ভূমি সংস্কার দপ্তর ও পুলিসের একাংশের মদতেই বালি মাফিয়াদের বাড়বাড়ন্ত মহকুমাজুড়ে।
Advertisement
কয়েকদিন আগে মাথাভাঙা-১ ব্লকের কুর্শামারি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার নেন্দা নদীর পাড়ে রীতিমতো আর্থমুভার দিয়ে মাটি কাটা হয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা এনিয়ে জানতে চাইলে দেখানো হয় ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের দেওয়া অনুমতি পত্র। নদীর পাড় কাটার অনুমতি কী করে দিল ভূমি সংস্কার দপ্তর তা নিয়ে তাজ্জব বাসিন্দারা। 
অপরদিকে, গোপালপুর, নয়ারহাট এলাকায় সুটুঙ্গা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে বালি পাচার করছে কিছু মাফিয়া। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিস সহ ভূমি সংস্কার দপ্তরের একাংশের সঙ্গে এই মাফিয়াদের যোগসাজশ রয়েছে। ধরলা নদীর মহিষমুড়ি এলাকায় বছরের পর বছর ধরে বালি চুরি হলেও তা রোখার ব্যাপারেও উদাসীন পুলিস, প্রশাসন ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। 
যদিও ভূমি সংস্কার দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সারাবছর বালি চুরি রুখতে অভিযান চালানো হয়। পুজোর দিনগুলোতে কয়েক জায়গায় বালি চুরি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মাথাভাঙা মহকুমা ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক সুব্রত সরকার বলেন, মাটি কাটার জন্য দেওয়া অনুমতি কেউ অন্য কোথাও ব্যবহার করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অনুমতি দেওয়ার আগে জমির নথিপত্র ও চরিত্র খতিয়ে দেখা হয়। একই সঙ্গে পুজোর ছুটি চলাকালীন কয়েকটি জায়গায় বালি চুরির অভিযোগ উঠেছে। সমস্ত বিষয় আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। শীঘ্রই অভিযান চালিয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ