সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা মহকুমাজুড়ে বেড়েই চলেছে ভোটের কার্ডে গরমিলের সংখ্যা। বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা। তাতেই ধরা পড়ছে একেরপর এক এপিকে গরমিল। ইতিমধ্যেই পুরসভা এলাকায় শতাধিক ভোটারের এপিকে এই গরমিল নজরে এসেছে। গ্রামীণ এলাকাতেও একই অবস্থা। হাতে ভোটের কার্ড থাকলেও এপিক নম্বর ইনপুট করতেই সিংহভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশের কোনও বিধানসভা এলাকার বাসিন্দার নাম। আর বিষয়টি জানতে পেরে বিভ্রান্ত হচ্ছেন ভোটাররাও। তাঁদের প্রশ্ন, তাহলে কী ভোট দিতে পারবেন না।
Advertisement
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পর আসরে নেমেছেন তৃণমূল কর্মীরা। একের পর এক গরমিল সামনে আসতেই সোমবার মহকুমা শাসক ও মাথাভাঙা থানার আইসি’কে লিখিতভাবে জানান ২ এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলার। কারণ তাঁদের ওয়ার্ড থেকে এমন প্রচুর অসঙ্গতি এখনও ধরা পড়েছে। অপরদিকে, শহর সংলগ্ন পচাগড় পঞ্চায়েত এলাকাতেও এ ধরনের গরমিল নজরে এসেছে। অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মাথাভাঙা বিধানসভা এলাকার মাথাভাঙা-২ ব্লকের বড় শৌলমারি, ফুলবাড়ি, নিশিগঞ্জ পঞ্চায়েতে বহু ভোটারের এপিক নম্বরে গরমিল এখনও পর্যন্ত নজরে এসেছে। মাথাভাঙা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই ৫০ জন ভোটারের এপিক নম্বরে এমন অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডেও এ ধরনের গরমিল প্রকাশ্যে এসেছে। ওই ওয়ার্ডের ৩৩ জনের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে। এছাড়াও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চারজনের, ১ নম্বর ওয়ার্ডের তিনজনের ক্ষেত্রে এটা হয়েছে। বাকি ওয়ার্ডগুলিতেও গরমিল নজরে আসছে।
শহর তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারের এপিক যাচাইয়ের কাজ সেভাবে শুরু হয়নি। যেভাবে গরমিল নজরে আসছে তাতে শহরে এমন অসঙ্গতির সংখ্যা হাজার পেরিয়ে যেতে পারে। ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার উদয়শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, আমার ওয়ার্ডে এখনও ৫০ জনের এপিক নম্বরে গরমিল নজরে এসেছে। ওয়ার্ডে তিনটি বুথ। সমস্ত এলাকায় এখনও যাচাই করা হয়নি। যেভাবে গরমিল নজরে আসছে তাতে শুধু আমার ওয়ার্ডেই কয়েকশো গরমিল দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরজুড়ে এপিক নম্বরে এমন গরমিলের ব্যাপারে এদিন এসডিও’কে লিখিতভাবে জানিয়েছেন শহর তৃণমূল সভাপতি তথা ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ রায়। বলেন, ইতিমধ্যে শতাধিক ভোটারের এপিক নম্বরে গরমিল পেয়েছি। এসডিও’র মাধ্যমে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনতে লিখিতভাবে জানিয়েছি। আমরা চাইছি, এনিয়ে যেন সাধারণ মানুষ কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হয়। পুর চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, আমার ওয়ার্ডেও চারজনের গরমিল নজরে এসেছে। এসডিও নবনীত মিত্তাল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এনিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছি। ভোটার তালিকায় যাতে কোনও অসঙ্গতি না থাকে তা দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মাথাভাঙা বিধানসভা এলাকার মাথাভাঙা-২ ব্লকের বড় শৌলমারি, ফুলবাড়ি, নিশিগঞ্জ পঞ্চায়েতে বহু ভোটারের এপিক নম্বরে গরমিল এখনও পর্যন্ত নজরে এসেছে। মাথাভাঙা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই ৫০ জন ভোটারের এপিক নম্বরে এমন অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডেও এ ধরনের গরমিল প্রকাশ্যে এসেছে। ওই ওয়ার্ডের ৩৩ জনের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে। এছাড়াও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে চারজনের, ১ নম্বর ওয়ার্ডের তিনজনের ক্ষেত্রে এটা হয়েছে। বাকি ওয়ার্ডগুলিতেও গরমিল নজরে আসছে।
শহর তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারের এপিক যাচাইয়ের কাজ সেভাবে শুরু হয়নি। যেভাবে গরমিল নজরে আসছে তাতে শহরে এমন অসঙ্গতির সংখ্যা হাজার পেরিয়ে যেতে পারে। ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার উদয়শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, আমার ওয়ার্ডে এখনও ৫০ জনের এপিক নম্বরে গরমিল নজরে এসেছে। ওয়ার্ডে তিনটি বুথ। সমস্ত এলাকায় এখনও যাচাই করা হয়নি। যেভাবে গরমিল নজরে আসছে তাতে শুধু আমার ওয়ার্ডেই কয়েকশো গরমিল দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরজুড়ে এপিক নম্বরে এমন গরমিলের ব্যাপারে এদিন এসডিও’কে লিখিতভাবে জানিয়েছেন শহর তৃণমূল সভাপতি তথা ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ রায়। বলেন, ইতিমধ্যে শতাধিক ভোটারের এপিক নম্বরে গরমিল পেয়েছি। এসডিও’র মাধ্যমে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের নজরে আনতে লিখিতভাবে জানিয়েছি। আমরা চাইছি, এনিয়ে যেন সাধারণ মানুষ কোনও সমস্যার সম্মুখীন না হয়। পুর চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, আমার ওয়ার্ডেও চারজনের গরমিল নজরে এসেছে। এসডিও নবনীত মিত্তাল বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এনিয়ে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছি। ভোটার তালিকায় যাতে কোনও অসঙ্গতি না থাকে তা দেখা হচ্ছে।



