সংবাদদাতা, কান্দি: ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর মাঠে ঢুকতেই ভেস্তে গেল ক্রিকেট ফাইনাল ম্যাচ। মঙ্গলবার বিকেলে কান্দি শহরের মোহনবাগান মাঠে এঘটনা ঘটে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কান্দি থানার পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে পৌঁছয়।
Advertisement
চারদিন ধরে স্থানীয় বাগানপাড়ার নজরুল স্মৃতি সঙ্ঘের পরিচালনায় নকআউট ক্রিকেট ম্যাচ চলছে। এদিন সকালে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলা হয়। এরপর বিকেলের দিকে ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেইমতো এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মাঠে পৌঁছন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন স্থানীয় তৃণমূল নেতাও ছিলেন। কিন্তু ম্যাচ শুরুর আগেই মাঠে পৌঁছন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁকে ডায়াসে বসতেও দেওয়া হয়।
কিন্তু তারপর ম্যাচ শুরু করতে দেরি হতে থাকে। একসময় হুমায়ুন সাহেব সেখান থেকে উঠে চলে যান। এরপর মাঠে উত্তেজনা ছড়ায়। চেয়ার-টেবিল উল্টে দেওয়া হয়। পরে ফাইনাল ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।
এবিষয়ে হুমায়ুন সাহেব বলেন, ম্যাচ শুরুর আগে সামনাসামনি কিছু হয়নি। তবে হয়তো আড়ালে কিছু একটা হয়েছিল। হয়তো আমার ওখানে আসা কারও পছন্দ হয়নি। সেকারণেই আমি উঠে গিয়ে একজনের ছাদে গিয়ে বসলাম। চোখের সামনেই দেখলাম, চেয়ার-টেবিল উল্টে দেওয়া হচ্ছে। অনেকে মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছেন। পরে কান্দি থানার পুলিস পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নজরুল স্মৃতি সঙ্ঘের সদস্য তথা উপদেষ্টা জাহাঙ্গির কবির বলেন, ফাইনাল খেলায় অনেককেই আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। অনেকেই এসেওছিলেন। তবে কীভাবে কী হয়ে গেল, বুঝতে পারলাম না।
কিন্তু তারপর ম্যাচ শুরু করতে দেরি হতে থাকে। একসময় হুমায়ুন সাহেব সেখান থেকে উঠে চলে যান। এরপর মাঠে উত্তেজনা ছড়ায়। চেয়ার-টেবিল উল্টে দেওয়া হয়। পরে ফাইনাল ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়।
এবিষয়ে হুমায়ুন সাহেব বলেন, ম্যাচ শুরুর আগে সামনাসামনি কিছু হয়নি। তবে হয়তো আড়ালে কিছু একটা হয়েছিল। হয়তো আমার ওখানে আসা কারও পছন্দ হয়নি। সেকারণেই আমি উঠে গিয়ে একজনের ছাদে গিয়ে বসলাম। চোখের সামনেই দেখলাম, চেয়ার-টেবিল উল্টে দেওয়া হচ্ছে। অনেকে মাঠ ছেড়ে পালাচ্ছেন। পরে কান্দি থানার পুলিস পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নজরুল স্মৃতি সঙ্ঘের সদস্য তথা উপদেষ্টা জাহাঙ্গির কবির বলেন, ফাইনাল খেলায় অনেককেই আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। অনেকেই এসেওছিলেন। তবে কীভাবে কী হয়ে গেল, বুঝতে পারলাম না।



