নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: মহম্মদবাজারে গৃহবধূর রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। টানা পুলিসি জেরায় মৃতার স্বামী সন্দীপ দাস খুনের কথা স্বীকার করে। পুলিস জানতে পেরেছে, সন্দীপ তাঁর স্ত্রীকে সন্দেহ করত। কীভাবে সে স্ত্রীকে খুন করেছে, তার খানিক বিবরণও দিয়েছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বীকারোক্তির পর বৃহস্পতিবার রাতেই মহম্মদবাজার থানার পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার ধৃতকে আদালতে তোলা হয়। এপিপি বিকাশ পৈতণ্ডী জানিয়েছেন, বিচারক পাঁচদিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেছে।
Advertisement
প্রাথমিকভাবে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দীপ একাই তার স্ত্রীকে খুন করেছে। জেরায় সে জানিয়েছে, প্রথমে তার স্ত্রীকে ভারী বস্তু দিয়ে দিয়ে মাথায় আঘাত করেছিল। তাতে সুচিত্রা পড়ে যান। পড়ে গেলে সর্ষে খেতের কাদামাটিতে তাঁর মুখ চেপে ধরেছিল সন্দীপ। এতেই শ্বাসরোধ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তদন্তকারী পুলিসকর্তা মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন। এদিকে ধৃতের বয়ান অনুসারে, পুলিস মাথায় আঘাত করার ভারী বস্তু উদ্ধারে তত্পর হয়েছে। একই সঙ্গে দুজনের মোবাইল ফোন খোঁজা হচ্ছে। তদন্তকারী পুলিসকর্তাদের অনুমান, ধৃতকে আরও জেরা করা হলে এই ঘটনার আরও বেশকিছু তথ্য সামনে আসবে। আরও জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা বাইক সহ হেলমেট ও অন্যান্য বস্তু থেকে ফরেন্সিক এক্সপার্টরা নমুনা সংগ্রহ করেছেন। দ্রুত সেই রিপোর্ট হাতে চলে আসবে। সেই রিপোর্ট হাতে এলে তদন্ত আরও কিছুটা গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পুলিসি জেরায় ধৃতের বয়ান সামনে আসার পরেই সন্দীপের সাজানো ছিনতাইয়ের তত্ত্ব ভুল প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রে মৃতার পরিবারের অভিযোগই সিলমোহর পেল। কারণ, মৃতার পরিবার শুরু থেকেই জামাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে খুনের অভিযোগ করেছিল। সূত্রের খবর, ধৃতের বিরুদ্ধে বিএনএস ৮৫, ১০৩ ও ৮০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এপিপি বলেন, গত ৮ তারিখ মৃতার বাবা নিত্য বাগদি মহম্মদবাজার থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। গত ৭ তারিখ সন্দীপ জোর করেই সুচিত্রাকে তাঁর বাপের বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে গিয়েছিল। শালুকা গ্রামের কাছে তাঁকে খুন করা হয়। ঘটনার পুণর্নির্মাণ, খুনের সময় ব্যবহার করা বস্তু উদ্ধার সহ পরণের পোশাকের জন্য পুলিস ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। যদিও ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।
পুলিসি জেরায় ধৃতের বয়ান সামনে আসার পরেই সন্দীপের সাজানো ছিনতাইয়ের তত্ত্ব ভুল প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রে মৃতার পরিবারের অভিযোগই সিলমোহর পেল। কারণ, মৃতার পরিবার শুরু থেকেই জামাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে খুনের অভিযোগ করেছিল। সূত্রের খবর, ধৃতের বিরুদ্ধে বিএনএস ৮৫, ১০৩ ও ৮০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এপিপি বলেন, গত ৮ তারিখ মৃতার বাবা নিত্য বাগদি মহম্মদবাজার থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন। গত ৭ তারিখ সন্দীপ জোর করেই সুচিত্রাকে তাঁর বাপের বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে গিয়েছিল। শালুকা গ্রামের কাছে তাঁকে খুন করা হয়। ঘটনার পুণর্নির্মাণ, খুনের সময় ব্যবহার করা বস্তু উদ্ধার সহ পরণের পোশাকের জন্য পুলিস ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছিল। যদিও ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।



