নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: ‘হাই প্রোফাইল’ যুবকরাই ছিল রঙ্গিলার ‘টার্গেট’। মোটা টাকা উপার্জনকারী ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক থেকে ব্যবসায়ীদের খুঁজে বের করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সদা ব্যস্ত থাকত সে। নিখুঁত পরিকল্পনা করে শুরু হতো সেইসব যুবকদের মাথা খাওয়া। তাদের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার চ্যাটে অশালীন কথাবার্তা ও উত্তেজক ছবি ব্যবহার করে সহজেই ফাঁদে ফেলত। তারপরই শুরু হতো টাকা হাতানোর খেলা। প্রতারিত হয়েছে বুঝতে পেরে কোনও কোনও যুবক থানার দ্বারস্থ হতো ঠিকই। কিন্তু ওই যুবতী পাল্টা মামলা দায়ের করায় খুব একটা সুবিধা করতে পারত না। জানা গিয়েছে, কলকাতার নর্থ পোর্ট থানা, পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ, কল্যাণী, বীরভূমের বোলপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি ও বহরমপুর থানায় ওই যুবতীর নামে মামলা দায়ের হয়। এক এক জায়গায় এক এক নামে ওই যুবতীর বিরুদ্ধে মামলা হয়। কারণ প্রত্যেক যুবক তাকে আলাদা আলাদা নামে জানত।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে কল্যাণী থানায় প্রতারণার মামলা হয় ওই যুবতীর নামে। খণ্ডঘোষ থানায় ২০২৩ সালে মামলা হয়। নাম বদল করে বিয়ে করে এক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকে ফাঁদে ফেলেছিল রঙ্গিলা। কলকাতার নর্থ পোর্ট থানাতেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়। বিয়ে করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আদায় করার জন্য অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। এক উকিলকেও আর্থিক প্রতারণা করেছে সে। নিজের করুণ কাহিনি বলে বীরভূমের এক উকিলকে তার হয়ে মামলা লড়তে অনুরোধ করে। কিন্তু মামলা নেওয়ার পর সেই উকিলকে একটি টাকাও দেয়নি। উপরন্তু প্রায় কুড়ি হাজার টাকা উকিলের এক জুনিয়রের থেকে হাতিয়ে নেয়।
পূর্ব বর্ধমানের এক যুবককে নিজের ভুয়ো ছবি দেখিয়ে বিয়ে করে। তারপর তার কাছ থেকে খোরপোষ দাবি করে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করে। কাটোয়া থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে রঙ্গিলা নিজের অন্য নামে মামলা করে। আবার খণ্ডঘোষ থানায় মামলা দায়ের করে আর এক নামে। আরও একটি কেসে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করে সিউড়ি কোর্টে। কিন্তু আদালতে আর হাজিরা দেয়নি। সেখানেই উকিলের প্রাপ্য দেয়নি সে। ইলামবাজারের একটি ছেলে উত্তর প্রদেশে মোটা বেতনের চাকরি করে। ছেলেটির কাছ থেকে চালাকি করে সমস্ত ডকুমেন্ট সই করে নিয়ে আসে রঙ্গিলা। তারপর রেজিস্ট্রি ফর্ম তুলে সেখানে ছবি সাঁটিয়ে ছেলেটির কাছে পাঠায়। ছেলেটিও সই করে পাঠায়। তারপর সালার থেকে এক রেজিস্ট্রারের কাছে সেই ফর্ম জমা করে আইনি বিয়ে করে ফেলে তারা। তারপর ওই ছেলেটির নামে বোলপুর থানায় মামলা দায়ের করে। ছেলেটি বুঝতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায় যার ছবি ছিল, এ মেয়ে সে নয়। এমনকী নিজের ভাইয়ের সঙ্গে ওই পরিবারের এক মেয়েকে বিয়ে দেবে বলে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় রঙ্গিলা। বার বার নানা কায়দায় বিভিন্ন নামে প্রতারণা করলেও, ওই যুবতীর বিরুদ্ধে খুব একটা কড়া পদক্ষেপ করেনি পুলিস। যে কারণে দিনের পর দিন সে বিয়ে করে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা চালিয়ে গিয়েছে সে। তবে এবার সিঙ্গাপুরের এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বহরমপুরে ডেকে এনে বিয়ে করে রঙ্গিলা পুলিসের জালে পড়ে। পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা ওই যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর বহরমপুরের রাধারঘাট এলাকায় উত্তরপাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে রঙ্গিলা। দিন কুড়ি সংসার করার পর যুবকের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয়। প্রতারিত ওই যুবক বহরমপুর থানার দ্বারস্থ হয়। তারপরই তল্লাশি শুরু করে পুলিস। গত বৃহম্পতিবার রাতে বীরভূমের লাভপুর থেকে রঙ্গিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
পূর্ব বর্ধমানের এক যুবককে নিজের ভুয়ো ছবি দেখিয়ে বিয়ে করে। তারপর তার কাছ থেকে খোরপোষ দাবি করে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করে। কাটোয়া থানায় ওই যুবকের বিরুদ্ধে রঙ্গিলা নিজের অন্য নামে মামলা করে। আবার খণ্ডঘোষ থানায় মামলা দায়ের করে আর এক নামে। আরও একটি কেসে ডিভোর্সের মামলা দায়ের করে সিউড়ি কোর্টে। কিন্তু আদালতে আর হাজিরা দেয়নি। সেখানেই উকিলের প্রাপ্য দেয়নি সে। ইলামবাজারের একটি ছেলে উত্তর প্রদেশে মোটা বেতনের চাকরি করে। ছেলেটির কাছ থেকে চালাকি করে সমস্ত ডকুমেন্ট সই করে নিয়ে আসে রঙ্গিলা। তারপর রেজিস্ট্রি ফর্ম তুলে সেখানে ছবি সাঁটিয়ে ছেলেটির কাছে পাঠায়। ছেলেটিও সই করে পাঠায়। তারপর সালার থেকে এক রেজিস্ট্রারের কাছে সেই ফর্ম জমা করে আইনি বিয়ে করে ফেলে তারা। তারপর ওই ছেলেটির নামে বোলপুর থানায় মামলা দায়ের করে। ছেলেটি বুঝতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায় যার ছবি ছিল, এ মেয়ে সে নয়। এমনকী নিজের ভাইয়ের সঙ্গে ওই পরিবারের এক মেয়েকে বিয়ে দেবে বলে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় রঙ্গিলা। বার বার নানা কায়দায় বিভিন্ন নামে প্রতারণা করলেও, ওই যুবতীর বিরুদ্ধে খুব একটা কড়া পদক্ষেপ করেনি পুলিস। যে কারণে দিনের পর দিন সে বিয়ে করে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা চালিয়ে গিয়েছে সে। তবে এবার সিঙ্গাপুরের এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বহরমপুরে ডেকে এনে বিয়ে করে রঙ্গিলা পুলিসের জালে পড়ে। পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা ওই যুবকের সঙ্গে বিয়ের পর বহরমপুরের রাধারঘাট এলাকায় উত্তরপাড়ায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে রঙ্গিলা। দিন কুড়ি সংসার করার পর যুবকের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয়। প্রতারিত ওই যুবক বহরমপুর থানার দ্বারস্থ হয়। তারপরই তল্লাশি শুরু করে পুলিস। গত বৃহম্পতিবার রাতে বীরভূমের লাভপুর থেকে রঙ্গিলাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।



