সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝুলিয়ে অবস্থানে বসল জমিদাতার পরিবার। সোমবার মাথাভাঙা-১ ব্লকের কেদারহাট গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার ছোট কেশরিবাড়িতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এসে খাবার না নিয়ে ফিরে যেতে হয়েছে শিশু সহ গর্ভবতীদের। ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান এলাকার সুপারভাইজার নমিতা বর্মন। তিনি কথা বলারও পরও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের তালা খুলে দেওয়া হয়নি।
Advertisement
এদিন অবস্থানে বসা সুষমা রায়সিংহ বলেন, আমার বাবা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রটি তৈরির জন্য জমি দিয়েছিল। সেই সময়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। প্রায় ছয় বছর আগে ওই কেন্দ্রের সহায়িকা মারা যান। তারপর থেকে তিনি সহায়িকার কাজ করে আসছেন।
সুষমার দাবি, সম্প্রতি তারা জানতে পারেন, মৃত সহায়িকার মেয়েকে ওই কেন্দ্রে সহায়িকা হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এরপরই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে অবস্থানে বসেন তাকা। ভিড় করেন স্থানীয়রা। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলতে এসে তালা বন্ধ দেখে তিনি সেটি সুপার ভাইজারকে জানান।
এব্যাপারে সুষমা রায়সিংহ বলেন, আমি ছয় বছর ধরে এই কেন্দ্রে রান্নার কাজ করছি বিনা পরিশ্রমিকে। সেটা সিডিপিওকে জানিয়েই। আমাকে প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। এখন হঠাৎ করে একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। ওকে অন্য কোথাও নিয়োগ করুক, তাতে আমার আপত্তি নেই। আমার বাবা জমি দিয়েছে, আমি ছয়বছর ধরে পরিশ্রম করলাম। আমাদের সঙ্গে চরম প্রতারণা হল। সুপার ভাইজার নমিতা বর্মন বলেন, আমি খবর পাওয়ার পর এখানে এসে কেন্দ্রটিকে তালাবন্ধ দেখি। মেয়েটি এখানে রান্নার কাজ করত।
ওদের জমিতেই কেন্দ্রটি তৈরি করা হয়েছে। এখন এনিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মাথাভাঙা-১ এর সিডিপিও জগদীশ রায় বলেন, একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে দিয়েছে জমি দাতার পরিবার। খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। এভাবে কাউকে নিয়োগ করতে পারি না আমরা। যাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে সেটা আইনিভাবে দেওয়া হয়েছে। সবটা খতিয়ে দেখা হবে।
সুষমার দাবি, সম্প্রতি তারা জানতে পারেন, মৃত সহায়িকার মেয়েকে ওই কেন্দ্রে সহায়িকা হিসেবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এরপরই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে অবস্থানে বসেন তাকা। ভিড় করেন স্থানীয়রা। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলতে এসে তালা বন্ধ দেখে তিনি সেটি সুপার ভাইজারকে জানান।
এব্যাপারে সুষমা রায়সিংহ বলেন, আমি ছয় বছর ধরে এই কেন্দ্রে রান্নার কাজ করছি বিনা পরিশ্রমিকে। সেটা সিডিপিওকে জানিয়েই। আমাকে প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। এখন হঠাৎ করে একজনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। ওকে অন্য কোথাও নিয়োগ করুক, তাতে আমার আপত্তি নেই। আমার বাবা জমি দিয়েছে, আমি ছয়বছর ধরে পরিশ্রম করলাম। আমাদের সঙ্গে চরম প্রতারণা হল। সুপার ভাইজার নমিতা বর্মন বলেন, আমি খবর পাওয়ার পর এখানে এসে কেন্দ্রটিকে তালাবন্ধ দেখি। মেয়েটি এখানে রান্নার কাজ করত।
ওদের জমিতেই কেন্দ্রটি তৈরি করা হয়েছে। এখন এনিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মাথাভাঙা-১ এর সিডিপিও জগদীশ রায় বলেন, একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা লাগিয়ে দিয়েছে জমি দাতার পরিবার। খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। এভাবে কাউকে নিয়োগ করতে পারি না আমরা। যাকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে সেটা আইনিভাবে দেওয়া হয়েছে। সবটা খতিয়ে দেখা হবে।



