সংবাদদাতা, বর্ধমান : মাটি বোঝাই চারটি ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিস। অনুমতি ছাড়া মাটি কেটে তা পাচারের অভিযোগে ট্রাক্টরের চালকদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম বাপন ঘোষ, প্রসেনজিৎ ঘোষ, মনোজ ঘোষ ও নিরু মণ্ডল। খণ্ডঘোষ থানার নাড়িচা ও মেটেডাঙায় ধৃতদের বাড়ি। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বিলপাড় থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বর্ধমান-বাঁকুড়া রোড ধরে আসার সময় আড়াডাঙা মোড়ের কাছে ট্রাক্টরগুলিকে আটকায় পুলিস। চালকরা মাটির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে পুলিসের দাবি। স্বতঃপ্রণোদিত দু’টি মামলা রুজু করে পুলিস।
Advertisement
অন্যদিকে, রায়না থানার পুলিস মাটি বোঝাই একটি ট্রাক্টর বাজেয়াপ্ত করেছে। ট্রাক্টরটির চালক তৌফিক মোল্লা ওরফে রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। রায়না থানার মাদানগরে তার বাড়ি। পুলিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে মাদানগর-শ্যামসুন্দর রোড ধরে ট্রাক্টরটি শ্যামসুন্দরের দিকে যাচ্ছিল। রসুইখণ্ড গোপালদিঘির কাছে ট্রাক্টরটিকে আটকায় পুলিস। ট্রাক্টরটির নম্বর প্লেট ছিল না। অবৈধভাবে মাটি কেটে তা ট্রাক্টরে বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেনেছে পুলিস। দু’টি ঘটনায় ধৃত পাঁচজনকে বুধবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। তৌফিককে পাঁচদিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিস। আইনজীবী শুভজিৎ দাস, পার্থ হাটি, কমল দত্ত জামিনের সওয়ালে বলেন, সরকারি জমি থেকে মাটি কাটা হয়নি। পুকুরের পাড় মেরামত করার জন্য মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। খণ্ডঘোষের ঘটনায় স্থানীয় পঞ্চায়েতের মাটি কাটার অনুমতিও পেশ করেন ধৃতদের আইনজীবী। তাছাড়া, ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক অভিযোগ দায়ের করেনি, পুলিস স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে। জমির মালিক কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি। সওয়াল শুনে সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরার শর্তে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন সিজেএম।



