সংবাদদাতা, তপন: জমির মাটি এখনও নরম থাকায় ধান কাটতে পারছেন না কৃষকরা। সর্ষে চাষেও দেরি হতে পারে বলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন জেলার কৃষকরা। ক্ষতিপূরণ পেতে কৃষকদের শস্যবীমা প্রকল্পের আওতায় আসার আবেদন জেলা কৃষি দপ্তরের।
Advertisement
এবছর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ১ লক্ষ ৬৬ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। তার মধ্যে তপন ব্লকে রয়েছে ৩৩ হাজার হেক্টর। ধানচাষিরা জানান, এবছর ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে বৃষ্টির জন্য জমির মাটি এখনও নরম হয়ে রয়েছে। ফলে ধান কাটতে হারভেস্টর নামানো যাচ্ছে না।
অশোকগ্রামের ধানচাষি নজরুল ইসলামের কথায়, আমাদের এলাকার ৮০ শতাংশ জমির মাটি নরম থাকায় ধান কাটার গাড়ি মাঠে নামছে না। বেশি দেরি হলে ধান ঝরতে শুরু করবে এবং রং খারাপ হবে। এবার ক্ষতির আশঙ্কা করছি।
ধান কাটার পর জমিতে সর্ষে ও গম চাষ করে থাকেন বেশিরভাগ কৃষক। এবছর ধান কাটায় দেরির কারণে অনেকে সর্ষে চাষ না করার চিন্তাভাবনা করছেন। হরসুরা অঞ্চলের মাহাবুর সরকার বলেন, জমি শুকোতে এখনও প্রায় মাসখানেক লাগবে। সেক্ষেত্রে সর্ষে চাষ করতে পারব না।
জেলার মুখ্য কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ধানের ক্ষেত্রে এটা দানার প্রভাব বলা যাবে না। যে সমস্ত জমি নয়ানজুলি বা জলাশয়ের ধারে, সেগুলিতে কিছু ধানগাছের মাথা ভারি হওয়ার কারণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। বৃষ্টির ফলে সপ্তাহখানেক ফসল তোলা পিছতে পারে। তবে তেমন প্রভাব পড়ার কথা নয়। আমাদের জেলায় মূলত নভেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে সর্ষের চাষ শুরু হয়। এবছর মাটিতে রস বেশি থাকায় পরবর্তী ফসল বোনার জন্য উপকারী হবে।
এরপরেই কৃষকদের শস্যবিমার আওতায় আসার কথা বলেছেন কৃষি অধিকর্তা।
অশোকগ্রামের ধানচাষি নজরুল ইসলামের কথায়, আমাদের এলাকার ৮০ শতাংশ জমির মাটি নরম থাকায় ধান কাটার গাড়ি মাঠে নামছে না। বেশি দেরি হলে ধান ঝরতে শুরু করবে এবং রং খারাপ হবে। এবার ক্ষতির আশঙ্কা করছি।
ধান কাটার পর জমিতে সর্ষে ও গম চাষ করে থাকেন বেশিরভাগ কৃষক। এবছর ধান কাটায় দেরির কারণে অনেকে সর্ষে চাষ না করার চিন্তাভাবনা করছেন। হরসুরা অঞ্চলের মাহাবুর সরকার বলেন, জমি শুকোতে এখনও প্রায় মাসখানেক লাগবে। সেক্ষেত্রে সর্ষে চাষ করতে পারব না।
জেলার মুখ্য কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, ধানের ক্ষেত্রে এটা দানার প্রভাব বলা যাবে না। যে সমস্ত জমি নয়ানজুলি বা জলাশয়ের ধারে, সেগুলিতে কিছু ধানগাছের মাথা ভারি হওয়ার কারণে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। বৃষ্টির ফলে সপ্তাহখানেক ফসল তোলা পিছতে পারে। তবে তেমন প্রভাব পড়ার কথা নয়। আমাদের জেলায় মূলত নভেম্বরের ১৫ তারিখের পর থেকে সর্ষের চাষ শুরু হয়। এবছর মাটিতে রস বেশি থাকায় পরবর্তী ফসল বোনার জন্য উপকারী হবে।
এরপরেই কৃষকদের শস্যবিমার আওতায় আসার কথা বলেছেন কৃষি অধিকর্তা।



