সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়ির এক মিষ্টির দোকান থেকে মিষ্টির প্যাকেট খোলার পরেই চক্ষু চড়ক গাছ ক্রেতার। অভিযোগ, মিষ্টিতে ফাঙ্গাস। সেই মিষ্টির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ায় রীতিমতো আলোড়ন পড়েছে। ময়নাগুড়িবাসীর দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন খাবারের দোকানে অভিযান চালানো হোক। যদিও পুরসভা জানিয়েছে, তারা ফুড সেফ্টি বিভাগের সঙ্গে কথা বলে নজরদারি শুরু করবে।
Advertisement
ময়নাগুড়ি শহরের অলিগলিতেও প্রচুর ছোটখাট ফাস্টফুডের দোকান তৈরি হয়েছে। যত্রতত্র আছে ভাতের হোটেল, মিষ্টির দোকান, রেস্তরাঁ। খাবারের দোকানগুলিতে কি ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহার করা হয়, বাসি খাবার রয়েছে কি না, তা দেখতে পুরসভার পক্ষ থেকে কোনওরকম উদ্যোগ নেই। সন্ধ্যা হতেই ফুটপাতের ধারের ফাস্টফুডের দোকানগুলি খোলা হয়। সব বয়সের লোকজনই খাবার খায়। মিষ্টির দোকান থেকে নেওয়া মিষ্টিতে ফাঙ্গাসের ছবি ভাইরাল হতেই সচেতন নাগরিকদের মধ্যে পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ময়নাগুড়ি নাগরিক চেতনার সম্পাদক অপু রাউত বলেন, সন্ধ্যার পর উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা ফাস্টফুডের দোকানে ভিড় করে। অনেক স্কুল পড়ুয়াও টিউশনি পড়ে বাড়ি ফেরার সময় মোমো, এগরোল, চাউমিন খায়। রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া খাবারের মান যাচাই করতে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত। মিষ্টির মধ্যে ফাঙ্গাসের ছবি দেখেছি। না দেখে কেউ খেয়ে নিলে ডায়ারিয়া হতে পারত। এ ক্ষেত্রে দোকানদারকেও সতর্ক থাকতে হবে। যারা নিম্নমানের খাবার বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। শহিদগড় হাইস্কুলের শিক্ষক দীপক চক্রবর্তী বলেন, খাবারের দোকান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া উচিত। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ রাস্তার ধারের খাবারের দোকানে খাবার খান। খাবারের গুনমান ঠিকঠাক রাখার দায়িত্ব দোকান মালিকের। প্রশাসনেরও উচিত নিয়মিত নজরদারির।
ময়নাগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান অনন্তদেব অধিকারী বলেন, খাবারের গুনমান পরীক্ষা করার মতো পরিকাঠামো আমাদের নেই। তারজন্য আলাদা দপ্তর রয়েছে। আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে ময়দানে নামব। এদিকে, অভিযুক্ত ওই মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন,বেশ কিছুদিন ধরে তিনি অসুস্থ। তাই দোকানে যাচ্ছেন না। তাছাড়া সন্দেশ দীর্ঘক্ষণ প্যাকেটবন্ধ করে রাখলে ফাঙ্গাস পড়তেই পারে। কী হয়েছে তা খোঁজ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।ময়নাগুড়ি নাগরিক চেতনার সম্পাদক অপু রাউত বলেন, সন্ধ্যার পর উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা ফাস্টফুডের দোকানে ভিড় করে। অনেক স্কুল পড়ুয়াও টিউশনি পড়ে বাড়ি ফেরার সময় মোমো, এগরোল, চাউমিন খায়। রাস্তার ধারে বিক্রি হওয়া খাবারের মান যাচাই করতে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত। মিষ্টির মধ্যে ফাঙ্গাসের ছবি দেখেছি। না দেখে কেউ খেয়ে নিলে ডায়ারিয়া হতে পারত। এ ক্ষেত্রে দোকানদারকেও সতর্ক থাকতে হবে। যারা নিম্নমানের খাবার বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। শহিদগড় হাইস্কুলের শিক্ষক দীপক চক্রবর্তী বলেন, খাবারের দোকান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হওয়া উচিত। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ রাস্তার ধারের খাবারের দোকানে খাবার খান। খাবারের গুনমান ঠিকঠাক রাখার দায়িত্ব দোকান মালিকের। প্রশাসনেরও উচিত নিয়মিত নজরদারির।



