সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: ঝালে মিষ্টিতে জমে উঠতে চলেছে বাঙালির অন্যতম উৎসব ভাইফোঁটা। রবিবারই সেই উৎসব। নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে এই রীতি পালন হলেও এই উৎসবের একটা বড় অংশ দখল করে রয়েছে খাওয়া দাওয়া। বাঙালি এই উৎসবে হরেক রকমের মিষ্টি কেনে। তবে বর্তমানে সেই ছবিটা কিছুটা বদলেছে। স্পেশাল মিষ্টির পাশাপাশি রেস্তরাঁগুলিতে স্পেশাল খাবারের খোঁজখবর করছেন দিদি বোনেরা। ভাইফোঁটার দিন হরেক রকম পদ দিয়ে ভাই, দাদাদের খাবার পরিবেশন করেন দিদি ও বোনেরা। বাড়িতে এই উৎসব ধুমধাম করে পালন করা হলেও এখন বেশকিছু রেস্তরাঁয় চলছে ভাইফোঁটা পর্ব। রেস্তরাঁগুলিতেই রাখা হচ্ছে ভাইফোঁটার আয়োজন। যেখানে ফোঁটা দেওয়ার পাশাপাশি খাবারের আয়োজনও থাকছে।
Advertisement
রায়গঞ্জ শহরের বকুলতলা মোড় সংলগ্ন একটি রেস্তরাঁ ভাইফোঁটা উপলক্ষ্যে বিশেষ থালির ব্যবস্থা রেখেছে। যেখানে সাদা ভাত থেকে পোলাও, পাঁচ পদের ভাজা, শাক, ডাল, মাছ, মাংস এবং শেষ পাতে মিষ্টির ব্যবস্থা থাকছে। রেস্তরাঁর মালিক বর্ণালী নাগ দে বলেন, আমাদের রেস্তরাঁ প্রস্তুত রয়েছে ভাইফোঁটার জন্য। ৭০০ টাকায় ভাইফোঁটা স্পেশাল থালি মিলবে। গত চার বছর ধরে এই দিনটির জন্য স্পেশাল থালি বানানো হয়। মানুষের ব্যাপক সাড়াও পাই। এছাড়া আগে শেষ পাতে পাঁচ পদের মিষ্টি দেওয়া হতো। কিন্তু এখন বেশির ভাগ মানুষ মিষ্টি খেতে চান না। তাই এখন মিষ্টির পদ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, এদিন রায়গঞ্জের এফসিআই মোড় সংলগ্ন মিষ্টির দোকানে দেখা গেল হরেকরকম মিষ্টি তৈরির কাজ করছেন কারিগররা। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মোহিনী এবং ঘি বাটি।
এছাড়া আকাশ প্রদীপ, গোল্ডেন বাটি এবং রসগোল্লার মধ্যে কেশররাজ ভোগ, ম্যাঙ্গো রসগোল্লা, স্ট্রবেরি রসগোল্লা, সাদা রাজভোগও ভাইফোঁটার জন্য অনেকে কিনছেন।
মিষ্টির দোকানের মালিক উত্তম সাহা বলেন, ভাইফোঁটার জন্য মিষ্টি বানানো শুরু হয়ে গিয়েছে। তিন চার দিন ধরেই চরম ব্যস্ততা রয়েছে।
রায়গঞ্জ শহরের বাসিন্দা তানিয়া সাহা বলেন, মিষ্টি ছাড়া বাঙালির উৎসব অসম্পূর্ণ। তবে আগের তুলনায় মানুষ মিষ্টি এখন একটু কম পছন্দ করে। তাই একটু পরিমাণে কম করে নানা রকমের মিষ্টি কিনব। আর রেস্তরাঁতেও বিভিন্ন খাবার পাওয়া যাচ্ছে। তাই যে কেউ চাইলেই ভাইফোঁটার খাবারের পর্বটা রেস্তরাঁতেই সেরে ফেলতে পারেন। নিজস্ব চিত্র
এছাড়া আকাশ প্রদীপ, গোল্ডেন বাটি এবং রসগোল্লার মধ্যে কেশররাজ ভোগ, ম্যাঙ্গো রসগোল্লা, স্ট্রবেরি রসগোল্লা, সাদা রাজভোগও ভাইফোঁটার জন্য অনেকে কিনছেন।
মিষ্টির দোকানের মালিক উত্তম সাহা বলেন, ভাইফোঁটার জন্য মিষ্টি বানানো শুরু হয়ে গিয়েছে। তিন চার দিন ধরেই চরম ব্যস্ততা রয়েছে।
রায়গঞ্জ শহরের বাসিন্দা তানিয়া সাহা বলেন, মিষ্টি ছাড়া বাঙালির উৎসব অসম্পূর্ণ। তবে আগের তুলনায় মানুষ মিষ্টি এখন একটু কম পছন্দ করে। তাই একটু পরিমাণে কম করে নানা রকমের মিষ্টি কিনব। আর রেস্তরাঁতেও বিভিন্ন খাবার পাওয়া যাচ্ছে। তাই যে কেউ চাইলেই ভাইফোঁটার খাবারের পর্বটা রেস্তরাঁতেই সেরে ফেলতে পারেন। নিজস্ব চিত্র



