নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, ইটাহার: উত্তর দিনাজপুরে তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত মজবুত করতে পথ দেখাচ্ছেন বিধায়ক মোশারফ হোসেন। মিছিল থেকে শুরু করে উঠোন বৈঠক, কর্মিসভা থেকে পাড়া ভিত্তিক সভা চলছে লাগাতার। এ নিয়ে দলীয় বৈঠকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। তারপর জেলা নেতৃত্ব সেই পথেই সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। এই ব্যাপারে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, নেত্রীর দেওয়া বার্তা অনুযায়ী সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য কাজ করা হবে। তা নিয়ে আমরা বিস্তারিত পরিকল্পনা নিচ্ছি। বুথের শক্তি বৃদ্ধিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। মোশারফ হোসেনের দেখানো পথকেই আমরা মডেল হিসেবে বেছে নিচ্ছি। এদিকে, বিধায়কের কর্মকান্ডে উচ্ছ্বসিত তৃণমূল কর্মীরা। ইটাহার ব্লক তৃণমূলের সভাপতি কার্তিক দাস, ব্লকের মহিলা তৃণমূল সভানেত্রী পূজা দাসরাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। বিধায়ক তথা তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতি মোশারফ বলেন, আমি ইটাহার বিধানসভার ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বুথস্তরে ১২দিনে ২২০ এর বেশি কর্মিসভা করেছি। যে কর্মসূচির পোশাকি নাম ‘মুখোমুখি জনপ্রতিনিধি’। যার মূল উদ্দেশ্য, বুথের তৃণমূলস্তরের কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন করা। জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সংগঠনের কর্মীদের দূরত্ব ঘোচানো। যেখানে মাদার, যুব, মহিলা সংগঠনের বুথস্তরের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। মাটিতে বসে সকলের সুবিধা-অসুবিধা শুনেছি। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো নথিভুক্ত করেছি। কিছু নির্দেশিকাও কর্মীদের দিয়েছি। বলেছি, কোনও গোষ্ঠী তৈরি করা যাবে না। আমাদের লক্ষ্য, ভবিষ্যতের নেতা তৈরি করা। মানুষের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর জনমুখী প্রকল্প তুলে ধরা। সঙ্গে বামেদের অপশাসন ও বিজেপির অপপ্রচার গুজবে কড়া অবস্থান রোখার জন্য স্পষ্ট বার্তা দিয়েছি। পাশাপাশি মানুষের সঙ্গে স্থানীয় নেতৃত্বকে সদ্ভাব রাখা। মানুষকে ভালোবেসে দলে আনা, সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বলা হয়েছে।



