রাজদীপ গোস্বামী, মেদিনীপুর: মিসড কল দিলে সদস্যপদ পাওয়া যায়। কিন্তু সংগঠন বৃদ্ধি হয় না। উপনির্বাচনে হারের পর সোশ্যাল মিডিয়া ও ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এভাবেই সদস্যতা অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। এতেই অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের কথায়, সদস্যতা অভিযানে কিছু সংখ্যক মানুষ সদস্যপদ গ্রহণ করছেন ঠিকই। কিন্তু ভোটবাক্সে তার প্রভাব পড়ছে না। তাই রাজ্যের উপনির্বাচনে একটিও আসনে বিজেপি জিততে পারেনি। শহরাঞ্চলে কিছু মানুষের সমর্থন থাকলেও গ্রামাঞ্চলে বিজেপির অস্তিত্ব সঙ্কটে। এনিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না তৃণমূল নেতৃত্ব। তাদের কথায়, বিজেপি কর্মীরাই সদস্যপদ নিচ্ছেন। সাধারণ মানুষের এতে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। মেদিনীপুরের নবনির্বাচিত বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, আমাদের সদস্য করার জন্য কোনও অভিযান চালাতে হয় না। তাও লক্ষ লক্ষ মানুষ আমাদের সদস্য। ওরা মানুষের কাছে থাকে না।
Advertisement
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সদস্যতা অভিযান কর্মসূচি করছে বিজেপি। প্রথম সারির নেতা-কর্মীরা সদস্যতা অভিযানে অংশ নিচ্ছেন। এমনকী উপনির্বাচন চলাকালীন এই অভিযান চলেছে। বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা বিভিন্ন দোকান, বাজার এলাকায় গিয়েও মোবাইল ফোনে মিসড কল দিয়ে মানুষকে সদস্যপদ দিচ্ছেন। জানা গিয়েছে, জেলায় পাঁচ লক্ষ মানুষকে সদস্যপদ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিন্তু মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রায় ৩৪হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়। এরপরই সদস্যতা অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা। এমনকী নির্বাচনে হারের পর সদস্যতা অভিযান ঝিমিয়ে পড়েছে বলেও চর্চা শুরু হয়েছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে। সদস্যতা অভিযান করে গ্রামীণ এলাকায় সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকা যাবে না বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
এক বিজেপি নেতার কথায়, একদিন গিয়ে কয়েক মিনিটের আলাপে সাধারণ মানুষকে সদস্য করে নেওয়া হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এতে সংগঠন বৃদ্ধি হচ্ছে কোথায়? এদিকে নেতারা এর উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে জয়ের আশায় বুক বাঁধছেন। আসলে বুথস্তরে সংগঠন একেবারে ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় নেতারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। কিন্তু জনসংযোগ বৃদ্ধির জন্য কিছুই করছেন না। যদিও মেদিনীপুরের পরাজিত প্রার্থী শুভজিৎবাবু বলেন, আমাদের সদস্যতা অভিযান চলছে। বহু মানুষ সদস্যপদ সাদরে গ্রহণ করছেন। সকলেই বুঝতে পারছে তৃণমূল মানুষের পাশে নেই। সমস্ত দিকে দুর্নীতি তার অন্যতম কারণ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে।
উপনির্বাচনে সিপিআইয়ের পরাজিত প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, কাজ দেখে আমাদের সদস্যপদ দেওয়া হয়। যেসব পার্টি দেউলিয়া হয়ে যায় তাদের সদস্য বৃদ্ধি করতে এসমস্ত পন্থা নিতে হয়। আমাদের সংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে দিয়ে সদস্যপদ নিতে হয়।
এক বিজেপি নেতার কথায়, একদিন গিয়ে কয়েক মিনিটের আলাপে সাধারণ মানুষকে সদস্য করে নেওয়া হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এতে সংগঠন বৃদ্ধি হচ্ছে কোথায়? এদিকে নেতারা এর উপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে জয়ের আশায় বুক বাঁধছেন। আসলে বুথস্তরে সংগঠন একেবারে ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় নেতারা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। কিন্তু জনসংযোগ বৃদ্ধির জন্য কিছুই করছেন না। যদিও মেদিনীপুরের পরাজিত প্রার্থী শুভজিৎবাবু বলেন, আমাদের সদস্যতা অভিযান চলছে। বহু মানুষ সদস্যপদ সাদরে গ্রহণ করছেন। সকলেই বুঝতে পারছে তৃণমূল মানুষের পাশে নেই। সমস্ত দিকে দুর্নীতি তার অন্যতম কারণ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে।
উপনির্বাচনে সিপিআইয়ের পরাজিত প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, কাজ দেখে আমাদের সদস্যপদ দেওয়া হয়। যেসব পার্টি দেউলিয়া হয়ে যায় তাদের সদস্য বৃদ্ধি করতে এসমস্ত পন্থা নিতে হয়। আমাদের সংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে দিয়ে সদস্যপদ নিতে হয়।



