সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মাংস খেতে ডেকে ১১ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। পুরাতন মালদহের একটি গ্রামের এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক এবং তার দাদার বিরুদ্ধে গত ১৩ নভেম্বর মালদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নাবালিকার পরিবার।
Advertisement
তাদের দাবি, গ্রামের কিছু যুবককে দিয়ে ভয় দেখিয়ে অভিযুক্তরা অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। তাদের কথা না শুনলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কিত পরিবার শনিবার ফের মালদহ থানার দ্বারস্থ হয়েছিল।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ নভেম্বর এক প্রতিবেশী রাত ন’টার পর মাংস খাওয়ার জন্য নাবালিকাকে ডাকে। ওই সময় প্রতিবেশীর বাড়িতে মুর্শিদাবাদের আরও এক যুবক ছিল। খাওয়াদাওয়ার পর নাবালিকা বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। অভিযোগ, তখন নাবালিকার মুখ চেপে ধর্ষণ করে মুর্শিদাবাদের ওই যুবক। কাউকে ঘটনার কথা বললে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়। নাবালিকার মা বলেন, ওই ঘটনার পর মেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। অস্বাভাবিক আচরণ দেখে বার বার জিজ্ঞেস করায়, গত ১২ নভেম্বর বিকেলে আমাদের ঘটনার কথা বলে। থানায় অভিযোগ করার পর কেস তুলে নেওয়ার জন্য অভিযুক্তদের পাঠানো কিছু যুবক গত ১৪ নভেম্বর গভীর রাতে এসে ভয় দেখিয়েছে আমাদের।
মূল অভিযুক্তর দাবি, নাবালিকার বাবা এবং মা মুর্শিদাবাদে এসে তাঁদের মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়েছেন। সব প্রমাণ আছে। আমি রাখতে গিয়েছিলাম ওর বাড়িতে। ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা। মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১১ নভেম্বর এক প্রতিবেশী রাত ন’টার পর মাংস খাওয়ার জন্য নাবালিকাকে ডাকে। ওই সময় প্রতিবেশীর বাড়িতে মুর্শিদাবাদের আরও এক যুবক ছিল। খাওয়াদাওয়ার পর নাবালিকা বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। অভিযোগ, তখন নাবালিকার মুখ চেপে ধর্ষণ করে মুর্শিদাবাদের ওই যুবক। কাউকে ঘটনার কথা বললে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়। নাবালিকার মা বলেন, ওই ঘটনার পর মেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। অস্বাভাবিক আচরণ দেখে বার বার জিজ্ঞেস করায়, গত ১২ নভেম্বর বিকেলে আমাদের ঘটনার কথা বলে। থানায় অভিযোগ করার পর কেস তুলে নেওয়ার জন্য অভিযুক্তদের পাঠানো কিছু যুবক গত ১৪ নভেম্বর গভীর রাতে এসে ভয় দেখিয়েছে আমাদের।
মূল অভিযুক্তর দাবি, নাবালিকার বাবা এবং মা মুর্শিদাবাদে এসে তাঁদের মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে দিয়েছেন। সব প্রমাণ আছে। আমি রাখতে গিয়েছিলাম ওর বাড়িতে। ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা। মালদহ থানার পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



