নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: এক মাসে এক লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি ধান কিনল কিন্তু নদীয়া জেলা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা তিন ভাগের এক ভাগ ধান কেনা হয়ে গিয়েছে। যদিও ধান কেনার এই গতি বিপাকে ফেলেছে রাইস মিলগুলোকে। বর্তমানে নদীয়া জেলার মাত্র ছ’টি রাইস মিল সক্রিয় রয়েছে। বাকি রাইস মিল তাদের প্যাডি হোল্ডিং লিমিট ছুঁয়ে ফেলেছে। যার ফলে তারা আর নতুন করে ধান নিতে পারছে না। বর্তমানে সেই সমস্ত রাইস মিল ধান থেকে চাল তৈরির কাজ করছে। সেইমতো ওই রাইস মিলগুলো যতক্ষণ না চাল তৈরি করে, সরকারকে দিচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তারা ধান কেনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবে না। এর ফলে আগামী জানুয়ারি মাসে ধান কেনার গতি বেশ কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
নদীয়া জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, চাষিদের স্বার্থে প্রতিটি ব্লকেই জোরকদমে ধান কেনা চলছে। লক্ষ্যমাত্রার তিন ভাগের একভাগ ইতিমধ্যেই কেনা হয়ে গিয়েছে। আগামী দিনেও ধান কেনা অব্যাহত থাকবে।
প্রসঙ্গত, নভেম্বর মাসের ২ তারিখ থেকে নদীয়া জেলায় ধান কাটার কাজ শুরু হয়েছিল। চলতি বছরে তিন লক্ষ পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার কথা নদীয়া জেলা খাদ্যদপ্তরের। মোট ৩০টি সিপিসি’তে ধান কেনা চলছে। সেইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমেও ধান কেনা চলছে। ফড়েদের হাত থেকে চাষিদের রক্ষা করতেই সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করেছিল রাজ্য। কিন্তু শুরুতেই ধান কেনা বাধা প্রাপ্ত হয়। ধান কেনা গতি পায় নভেম্বর মাস শেষের দিকে। জানা যাচ্ছে, চাষিরা যখন নিজে থেকে ধান বিক্রি করতে আসছেন তখন তার গুণগতমান ভালো থাকছে। কিন্তু ফড়েদের মাধ্যমে সেই ধান এলে তার গুণগতমান মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে। সেই ধানে পাথর, বালি মেশানো থাকছে। যা নিয়ে নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকেও বিভিন্ন ব্লকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।
তখন জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ব্লকভিত্তিক কত ধান উৎপাদন হয় এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে কত ধান কেনা হয় তার জেলাওয়াড়ি একটি ম্যাপ করা হয়। তাতে দেখা যায়, চাপড়া সহ বেশ কিছু ব্লকে ধানের উৎপাদন ও ধানের ক্রয়ের ফারাক বেশি। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ব্লকগুলিতে চাষিরা যে হারে ধান উৎপাদন করছে সেই অনুপাতে ধান ক্রয় হচ্ছে না। এর থেকে অনুমান করা যায় যে সেই সমস্ত ব্লকে ফড়েদের দাপট বেশি। সেখানে বিগত বছরগুলোর মতো এবছরও যদি দেখা যায় উৎপাদন ও ক্রয়ের ফারাক বেশি হচ্ছে, তাহলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
নদীয়া জেলায় এমনিতেই রাইস মিলের সংখ্যা কম। এবছর জেলার ১৩টি রাইস মিল ধান কেনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। ধান কেনার পর্ব শুরু হওয়ার আগেই, রাইসমিলগুলোকে প্যাডি হোল্ডিং লিমিট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ডিসেম্বর মাসের শেষে এসে দেখা যাচ্ছে, নদীয়া জেলার ১৩টি রাইস মিলের মধ্যে সাতটি রাইস মিল ইতি মধ্যেই তাদের হোল্ডিং লিমিট ছুঁয়ে ফেলেছে। রাইস মিলের দাবি, তাঁদের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী ধান পেয়ে গিয়েছে তাঁরা। তাই সেই প্রাপ্য ধান থেকে যতক্ষণ না চাল তৈরি হচ্ছে ততক্ষণ নতুন করে আর ধান নিয়ে পারবে না তারা। নদীয়া জেলার রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুমন ঘোষ বলেন, যাতে কাজ দ্রুত এগয় তার উপর আমরা জোর দিচ্ছি। এর ফলে আরও বেশি পরিমাণে ধান আমরা নিতে পারব।
প্রসঙ্গত, নভেম্বর মাসের ২ তারিখ থেকে নদীয়া জেলায় ধান কাটার কাজ শুরু হয়েছিল। চলতি বছরে তিন লক্ষ পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার কথা নদীয়া জেলা খাদ্যদপ্তরের। মোট ৩০টি সিপিসি’তে ধান কেনা চলছে। সেইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমেও ধান কেনা চলছে। ফড়েদের হাত থেকে চাষিদের রক্ষা করতেই সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করেছিল রাজ্য। কিন্তু শুরুতেই ধান কেনা বাধা প্রাপ্ত হয়। ধান কেনা গতি পায় নভেম্বর মাস শেষের দিকে। জানা যাচ্ছে, চাষিরা যখন নিজে থেকে ধান বিক্রি করতে আসছেন তখন তার গুণগতমান ভালো থাকছে। কিন্তু ফড়েদের মাধ্যমে সেই ধান এলে তার গুণগতমান মান খারাপ হয়ে যাচ্ছে। সেই ধানে পাথর, বালি মেশানো থাকছে। যা নিয়ে নদীয়া ডিস্ট্রিক্ট রাইস মিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকেও বিভিন্ন ব্লকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল।
তখন জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ব্লকভিত্তিক কত ধান উৎপাদন হয় এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে কত ধান কেনা হয় তার জেলাওয়াড়ি একটি ম্যাপ করা হয়। তাতে দেখা যায়, চাপড়া সহ বেশ কিছু ব্লকে ধানের উৎপাদন ও ধানের ক্রয়ের ফারাক বেশি। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ব্লকগুলিতে চাষিরা যে হারে ধান উৎপাদন করছে সেই অনুপাতে ধান ক্রয় হচ্ছে না। এর থেকে অনুমান করা যায় যে সেই সমস্ত ব্লকে ফড়েদের দাপট বেশি। সেখানে বিগত বছরগুলোর মতো এবছরও যদি দেখা যায় উৎপাদন ও ক্রয়ের ফারাক বেশি হচ্ছে, তাহলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
নদীয়া জেলায় এমনিতেই রাইস মিলের সংখ্যা কম। এবছর জেলার ১৩টি রাইস মিল ধান কেনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। ধান কেনার পর্ব শুরু হওয়ার আগেই, রাইসমিলগুলোকে প্যাডি হোল্ডিং লিমিট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ডিসেম্বর মাসের শেষে এসে দেখা যাচ্ছে, নদীয়া জেলার ১৩টি রাইস মিলের মধ্যে সাতটি রাইস মিল ইতি মধ্যেই তাদের হোল্ডিং লিমিট ছুঁয়ে ফেলেছে। রাইস মিলের দাবি, তাঁদের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী ধান পেয়ে গিয়েছে তাঁরা। তাই সেই প্রাপ্য ধান থেকে যতক্ষণ না চাল তৈরি হচ্ছে ততক্ষণ নতুন করে আর ধান নিয়ে পারবে না তারা। নদীয়া জেলার রাইস মিল অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুমন ঘোষ বলেন, যাতে কাজ দ্রুত এগয় তার উপর আমরা জোর দিচ্ছি। এর ফলে আরও বেশি পরিমাণে ধান আমরা নিতে পারব।



