নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: মাসে ৮ শতাংশ সুদের টোপ। সেই প্রলোভনে পা দিয়ে অর্থলগ্নি সংস্থার খপ্পরে পড়ে কয়েক কোটি টাকা খোয়ালেন কাঁথি-৩ ব্লকের শিক্ষক-শিক্ষিকা, এলআইসি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষজন। ওই ঘটনায় দু’জন প্রাথমিক স্কুলশিক্ষকের নাম জড়িয়েছে। ইতিমধ্যে ৯জানুয়ারি কাঁথি থানায় এনিয়ে এফআইআর দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। অভিযুক্ত শিক্ষকদের একজন কাঁথি-৩ ব্লকের নিজের স্কুল থেকে বদলি নিয়ে ভূপতিনগরে চলে গিয়েছেন। অভিযুক্ত আরও একজন বদলির জন্য আবেদন করার পরই বিষয়টি প্রতারিতদের নজরে আসে। জেলা প্রশাসন, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ অফিসে তাঁদের আপত্তি পৌঁছনোর পর বদলি আটকে গিয়েছে।
Advertisement
কাঁথি-৩ ব্লকের জুখিভেড়ি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মীরান্ডা মাহাত মাইতি সাড়ে ৭লক্ষ টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন। তাঁর স্বামী পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি আরও প্রায় ১৩লক্ষ টাকা রেখে সর্বস্বান্ত। মীরান্ডাদেবীর স্কুলের এক সহ শিক্ষক মাসে ৮শতাংশ সুদের প্রলোভন দিয়ে একটি সংস্থায় টাকা রাখার জন্য উৎসাহ দেন। ২০২৩সালে ব্যাঙ্ক থেকে লোন করে ওই প্রধান শিক্ষিকা সাড়ে সাত লক্ষ টাকা রাখেন। প্রথম তিন-চার মাস মাস আট শতাংশ সুদ পেলেও ওইবছর নভেম্বর মাস থেকে সব শেষ। আসল টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না। শুধু মীরান্ডাদেবী নন, তাঁর মতো অসংখ্যা শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবক ওই শিক্ষকের কথায় ভরসা করে টাকা রেখে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। ওই শিক্ষক এখন ভূপতিনগরে একটি স্কুলে বদলি হয়ে চলে গিয়েছেন।
কাঁথি-৩ ব্লকে কুসুমপুর পঞ্চায়েতের অধীন বহিত্রকুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা পবিত্র পন্ডা পেশায় এলআইসি কর্মী। ওই গ্রামেরই প্রাথমিক শিক্ষক দীপক পাত্র পবিত্রবাবু সহ আরও অনেককে মাসে আট শতাংশ সুদের টোপ দিয়ে একটি আর্থিক সংস্থায় টাকা রাখতে উৎসাহ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা শেয়ার মার্কেটে টাকা ইনভেস্ট করে। সেখান থেকেই লোভনীয় সুদের অফার দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রলোভনে পবিত্রবাবু ১৫লক্ষ টাকা রেখেছিলেন। তারপর সব শেষ। ওই গ্রামের ওষুধ দোকানদার সুজিত পন্ডা ছ’লক্ষ টাকা রেখে প্রতারিত। একইভাবে প্রতারিত হয়েছেন বিশ্বজিৎ মণ্ডল, অতনু পণ্ডা প্রমুখ। মারিশদা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অফিসের ক্লার্ক দেবাশিস প্রধানও ওই চক্রের শিকার। তিনি সাড়ে ছ’লক্ষ টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন। ৯জানুয়ারি পবিত্রবাবু কাঁথি থানায় বহিত্রকুণ্ডা প্রাথমিক স্কুলের সহ শিক্ষক দীপক পাত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছেন।
পবিত্রবাবু বলেন, ওই চক্রে রঞ্জন সরকার নামে আরও এক প্রাইমারি শিক্ষক জড়িত। তিনি কাঁথি-৩ ব্লকে জুখিভেড়ি প্রাইমারি স্কুলের সহ শিক্ষক ছিলেন। টাকা প্রতারণার ঘটনার পর চাপ বাড়তেই প্রভাব খাটিয়ে ভূপতিনগরে মানিকজোড় প্রাইমারি স্কুলে বদলি নিয়ে চলে গিয়েছেন। দীপকবাবুও বদলির চেষ্টা করছিলেন। আমাদের আপত্তি চিঠিতে সেটি আটকে রয়েছে। মীরান্ডাদেবী বলেন, আমার মতো অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকার কাছ থেকে প্রচুর টাকা তুলে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা ব্যাঙ্কঋণ তুলে টাকা রেখেছিলাম। এখন ভীষণ সমস্যায় পড়েছি। অভিযুক্ত বহিত্রকুণ্ডু প্রাইমারি স্কুলের সহ শিক্ষক দীপক পাত্র বলেন, ওই সংস্থা এখনও চলছে। সুতরাং প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি ঠিক নয়। আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও ঠিক নয়। আর এক অভিযুক্ত রঞ্জন সরকারকে বারবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। এসএমএসেরও জবাব দেননি।
কাঁথি-৩ ব্লকে কুসুমপুর পঞ্চায়েতের অধীন বহিত্রকুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা পবিত্র পন্ডা পেশায় এলআইসি কর্মী। ওই গ্রামেরই প্রাথমিক শিক্ষক দীপক পাত্র পবিত্রবাবু সহ আরও অনেককে মাসে আট শতাংশ সুদের টোপ দিয়ে একটি আর্থিক সংস্থায় টাকা রাখতে উৎসাহ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা শেয়ার মার্কেটে টাকা ইনভেস্ট করে। সেখান থেকেই লোভনীয় সুদের অফার দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রলোভনে পবিত্রবাবু ১৫লক্ষ টাকা রেখেছিলেন। তারপর সব শেষ। ওই গ্রামের ওষুধ দোকানদার সুজিত পন্ডা ছ’লক্ষ টাকা রেখে প্রতারিত। একইভাবে প্রতারিত হয়েছেন বিশ্বজিৎ মণ্ডল, অতনু পণ্ডা প্রমুখ। মারিশদা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অফিসের ক্লার্ক দেবাশিস প্রধানও ওই চক্রের শিকার। তিনি সাড়ে ছ’লক্ষ টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন। ৯জানুয়ারি পবিত্রবাবু কাঁথি থানায় বহিত্রকুণ্ডা প্রাথমিক স্কুলের সহ শিক্ষক দীপক পাত্রের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছেন।
পবিত্রবাবু বলেন, ওই চক্রে রঞ্জন সরকার নামে আরও এক প্রাইমারি শিক্ষক জড়িত। তিনি কাঁথি-৩ ব্লকে জুখিভেড়ি প্রাইমারি স্কুলের সহ শিক্ষক ছিলেন। টাকা প্রতারণার ঘটনার পর চাপ বাড়তেই প্রভাব খাটিয়ে ভূপতিনগরে মানিকজোড় প্রাইমারি স্কুলে বদলি নিয়ে চলে গিয়েছেন। দীপকবাবুও বদলির চেষ্টা করছিলেন। আমাদের আপত্তি চিঠিতে সেটি আটকে রয়েছে। মীরান্ডাদেবী বলেন, আমার মতো অনেক শিক্ষক-শিক্ষিকার কাছ থেকে প্রচুর টাকা তুলে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা ব্যাঙ্কঋণ তুলে টাকা রেখেছিলাম। এখন ভীষণ সমস্যায় পড়েছি। অভিযুক্ত বহিত্রকুণ্ডু প্রাইমারি স্কুলের সহ শিক্ষক দীপক পাত্র বলেন, ওই সংস্থা এখনও চলছে। সুতরাং প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি ঠিক নয়। আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও ঠিক নয়। আর এক অভিযুক্ত রঞ্জন সরকারকে বারবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি। এসএমএসেরও জবাব দেননি।



