সংবাদদাতা, বহরমপুর: কথায় আছে, সবুরে মেওয়া ফলে। কিন্তু ‘সবুর’ না করায় বহু কপি চাষি এখন আফশোসে হাত কামড়াচ্ছেন। ফুল ও বাঁধাকপির দাম এক টাকা, দু’টাকায় নেমে আসায় বহু কপি চাষি কার্যত রাগ ও অভিমানে জমিতে লাঙল বা ট্রাক্টর চালিয়ে ফসল নষ্ট করে দিয়েছিলেন। অনেকে গোরুকে খাইয়েছেন বা প্রতিবেশীদের বিনা পয়সায় কেটে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। মরশুমের শেষ লগ্নে সেই কপির দামই তরতর করে বাড়ছে। আর তাতেই হাপিত্যেশ করছেন ফসল নষ্ট করে দেওয়া চাষিরা। যাঁরা দামবৃদ্ধির অপেক্ষায় ছিলেন, তাঁদের মুখে চওড়া হাসি ফুটেছে। কপি চাষিদের দাবি, অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু ভাবিনি ফাল্গুন মাসেও এভাবে কপির দাম বাড়বে। বেগুনের দামে ফের আগুন লাগায় মোটা লাভের অঙ্ক কষছেন চাষিরা।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ জেলায় ১১ হাজার হেক্টর জমিতে বাঁধাকপি চাষ হয়। গড় ফলন হয় ১ লক্ষ ৯০ হাজার মেট্রিক টন। ১০ হাজার হেক্টর জমিতে গত বছর ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন ফুলকপি ফলেছিল। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবার দুই কপি চাষের জমির পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি অতিরিক্ত হারে ফলন হয়েছে। মাঘ মাসের শেষদিকে বাজারে তিন টাকায় কপি বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানির পরিমাণ এতটাই ছিল যে দু’টাকা, তিন টাকায় বিক্রির পরেও বাজারে বস্তা বস্তা কপি গড়াগড়ি খেয়েছে।
হরিহরপাড়া, সারগাছি, বেলডাঙা এলাকার বহু চাষি তখন বিঘা বিঘা জমিতে ট্রাক্টর চালিয়ে ফসল নষ্ট করে দিয়েছিলেন। বেলডাঙার কপি চাষি নূরুল হোদা মিঞা বলেন, জমিতে দাঁড়িয়ে এক টাকায় কপি কেনার কেউ ছিল না। কপি কেটে বিক্রি করার খরচা উঠছিল না। রাগে কপি নষ্ট করে জমিতে অন্য ফসল লাগিয়েছি। কপির বাজার এমন হবে, কে জানত।
আচমকা কপির দামে হাওয়া বদল হয়েছে। স্বর্ণময়ী বাজারের আনাজ বিক্রেতা দীনেশ মণ্ডল বলেন, শনিবার ১৫-২০ টাকা দামে সাইজ অনুপাতে ফুলকপি বিক্রি করেছি। বাঁধাকপি ১০-১২ টাকায় বিক্রি করেছি।
বহরমপুরে বিভিন্ন পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহ আগে ফুলকপির আড়াই টাকা দাম ছিল। শনিবার পাইকারি বাজারে ফুলকপির দাম ছিল ৮-১০ টাকা। বাঁধাকপি এদিন পাইকারি বাজারে ৬-৭ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হয়েছে। বড়ঞা ব্লকের পারশালিকার কপি চাষি সঞ্জয় ঘোষ বলেন, শেষবেলায় এসে কপি চাষে লাভের মুখ দেখলাম। বেগুনেরও দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে বেগুনের দাম ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৫ টাকায় পৌঁছেছে। খুচরো বাজারে বেগুনের দাম আর একবার হাফ সেঞ্চুরি ছাড়াবে বলেই দাবি ব্যবসায়ীদের।
হরিহরপাড়া, সারগাছি, বেলডাঙা এলাকার বহু চাষি তখন বিঘা বিঘা জমিতে ট্রাক্টর চালিয়ে ফসল নষ্ট করে দিয়েছিলেন। বেলডাঙার কপি চাষি নূরুল হোদা মিঞা বলেন, জমিতে দাঁড়িয়ে এক টাকায় কপি কেনার কেউ ছিল না। কপি কেটে বিক্রি করার খরচা উঠছিল না। রাগে কপি নষ্ট করে জমিতে অন্য ফসল লাগিয়েছি। কপির বাজার এমন হবে, কে জানত।
আচমকা কপির দামে হাওয়া বদল হয়েছে। স্বর্ণময়ী বাজারের আনাজ বিক্রেতা দীনেশ মণ্ডল বলেন, শনিবার ১৫-২০ টাকা দামে সাইজ অনুপাতে ফুলকপি বিক্রি করেছি। বাঁধাকপি ১০-১২ টাকায় বিক্রি করেছি।
বহরমপুরে বিভিন্ন পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহ আগে ফুলকপির আড়াই টাকা দাম ছিল। শনিবার পাইকারি বাজারে ফুলকপির দাম ছিল ৮-১০ টাকা। বাঁধাকপি এদিন পাইকারি বাজারে ৬-৭ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি হয়েছে। বড়ঞা ব্লকের পারশালিকার কপি চাষি সঞ্জয় ঘোষ বলেন, শেষবেলায় এসে কপি চাষে লাভের মুখ দেখলাম। বেগুনেরও দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারে বেগুনের দাম ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৫ টাকায় পৌঁছেছে। খুচরো বাজারে বেগুনের দাম আর একবার হাফ সেঞ্চুরি ছাড়াবে বলেই দাবি ব্যবসায়ীদের।



