সংবাদদাতা, বহরমপুর: বারবার দাবিমতো পণের টাকা মেটাতে না পারায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল। মৃতের স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেওরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন মৃতের পরিবার। ঘটনার পর মৃতদেহ ফেলে বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে অভিযুক্তরা পলিয়ে যায়। মৃতের পরিবার খবর নিতে গেলে তাদের গ্রামবাসীরা ঘিরে ধরে মারধর করে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। রবিবার দুপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া গ্রামে। পরিবার ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মামণি খাতুন(১৯)। মুর্শিদাবাদ থানার পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। অভিযুক্তরা সকলেই এলাকাছাড়া। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে।
Advertisement
বছর দুয়েক আগে বহরমপুর থানার হাজিপাড়ার বাসিন্দা মামণি খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয় গুধিয়ার উসমান গণির। দম্পতির কোনও সন্তান নেই। মৃতের পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকে ক্রমাগত পণের দাবি মিটিয়ে আসা হচ্ছিল। মাস দুয়েক আগে গাড়ি কেনার জন্য দু’লক্ষ টাকা যৌতুক হিসাবেই দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ফের টাকার দাবি তোলায় দিতে না পারায় শারীরিক নির্যাতন শুরু করা হয় বলে অভিযোগ।
মৃতের দাদা মিলন শেখ বলেন, শুক্রবার বোন লুকিয়ে আমাকে কাঁদতে কাঁদতে ফোন করে জানায় তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলে। আমি বোনকে আনতে গেলে ওরা তাঁকে আমার সঙ্গে পাঠাতে রাজি হয়নি। আমি একাই ফিরে আসি। রবিবার সকাল ৯টা নাগাদ মামণি খাতুন তার মাকে ফের ফোন করে অত্যাচারের কথা জানান। তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুনয় বিনয় করে। মেয়ের আকুতি শুনে মৃতের মা, দাদা ও পরিবারের কয়েকজন গুধিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাস্তাতেই উসমান গণি মিলনকে ফোন করে জানায় তোমার বোন মারা গিয়েছে। মিলন শেখ বলেন, দুপুরে আমরা পৌঁছে দেখি বোনের দেহ পড়ে রয়েছে। বাড়িতে তালা ঝোলানো। এরপর গ্রামবাসীরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ছবি তুলতে গেলে আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ থানার পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরিবারের দাবি, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। গলার দুপাশে কালসিটে দাগ ছিল। শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। সোমবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত করা হয়। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে রয়েছে এলাকা। মৃতের মামা ফিরোজ শেখ বলেন, ওরা যখন যা দাবি করেছে তাই মিটিয়েছি। এবার টাকা দিতে না পারায় ভাগ্নিকে খুন করা হল। আমরা অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির জন্য যতদূর যেতে হয় যাব।
মৃতের দাদা মিলন শেখ বলেন, শুক্রবার বোন লুকিয়ে আমাকে কাঁদতে কাঁদতে ফোন করে জানায় তাঁকে মারধর করা হচ্ছে। তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যেতে বলে। আমি বোনকে আনতে গেলে ওরা তাঁকে আমার সঙ্গে পাঠাতে রাজি হয়নি। আমি একাই ফিরে আসি। রবিবার সকাল ৯টা নাগাদ মামণি খাতুন তার মাকে ফের ফোন করে অত্যাচারের কথা জানান। তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুনয় বিনয় করে। মেয়ের আকুতি শুনে মৃতের মা, দাদা ও পরিবারের কয়েকজন গুধিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাস্তাতেই উসমান গণি মিলনকে ফোন করে জানায় তোমার বোন মারা গিয়েছে। মিলন শেখ বলেন, দুপুরে আমরা পৌঁছে দেখি বোনের দেহ পড়ে রয়েছে। বাড়িতে তালা ঝোলানো। এরপর গ্রামবাসীরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ছবি তুলতে গেলে আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ থানার পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরিবারের দাবি, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। গলার দুপাশে কালসিটে দাগ ছিল। শ্বাসরোধ করেই খুন করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। সোমবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত করা হয়। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে রয়েছে এলাকা। মৃতের মামা ফিরোজ শেখ বলেন, ওরা যখন যা দাবি করেছে তাই মিটিয়েছি। এবার টাকা দিতে না পারায় ভাগ্নিকে খুন করা হল। আমরা অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির জন্য যতদূর যেতে হয় যাব।



