নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বাংলাদেশে পালাবদলের পরই মুর্শিদাবাদকে টার্গেট করেছে আনসারুল্লা বাংলা টিম তথা এবিটি প্রধান জসিমউদ্দিন রহমানি। সেই জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে একদা ‘জেএমবি’র ঘাঁটি বলে পরিচিত সীমান্তবর্তী এই জেলাকে। ৪০টির বেশি স্লিপার সেল সক্রিয় রয়েছে সীমান্ত এই জেলার বিভিন্ন গ্রামে। এসটিএফ ও পুলিসের ধরপাকড় শুরু হতেই স্লিপার সেলের সদস্যরা এখন গা ঢাকা দিতেই ব্যস্ত। জঙ্গিদের সুরক্ষিত থাকার জায়গা এখন ইউনুসের বাংলাদেশ। ওপারে যাওয়ার জন্য তাই অনেকেই উঠে পড়ে লেগেছে। তারা এপারের সূতি, জলঙ্গি ও লালগোলা দিয়ে ওপারে পালানোর চেষ্টা করছে। যাতে কেউ খোলা সীমান্ত দিয়ে ওপারে পালাতে না পারে, তার জন্য সীমান্তের বিএসএফকে সতর্ক করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে শাখা-প্রশাখা বিস্তার করে ফেলেছে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন এবিটি। সংগঠনের স্লিপার সেলের সদস্যদের জেলা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইমতো এখন যেন তেন প্রকারে তারা রাজ্য ছাড়তে চাইছে। অনেকেই এখন দক্ষিণ ভারতে কাজে যাওয়ার নাম করে কেরল, তামিলনাড়ু ও চেন্নাই পালাচ্ছে। সেখানে গিয়ে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে তারা। তাই পরিযায়ী শ্রমিকের উপরেও নজরদারি বাড়াচ্ছে পুলিস।
Advertisement
অসম এসটিএফের জালে ওঠা এবিটি জঙ্গিদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন মুর্শিদাবাদের স্লিপার সেল সক্রিয় থাকার বিষয়টি। বাংলাদেশি জঙ্গিদের টার্গেট এখন এই রাজ্যের মুর্শিদাবাদ। জেলার একাধিক জায়গায় সক্রিয় রয়েছে ৪০টিরও বেশি স্লিপার সেল। পুরোদমে কাজ করছে জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক। কীভাবে মগজধোলায় করে স্লিপার সেলে জঙ্গি নিয়োগ হবে, সেই ব্যাপারে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ আসত। এমনকী এই স্লিপার সেলের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে অসম থেকে মুর্শিদাবাদে এসেছে বাংলাদেশের একাধিক জঙ্গিনেতা। এমনকী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরির প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল এই সমস্ত স্লিপার সেলে। সমস্ত তথ্য প্রমাণ গায়েব করে এখন গা ঢাকা দিচ্ছে জঙ্গিরা। কেউ রাজমিস্ত্রির ঠিকা শ্রমিক, আবার কেউ অন্যের দোকানে কাজ করতে যাচ্ছে বলে সরে পড়ার চেষ্টা করছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে খাগড়াগড় কাণ্ডের এক অন্যতম চক্রীকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিসের এসটিএফ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দাদের নজরে আসে সূতি, জলঙ্গি ও ধুলিয়ান মডেল। সেই একই মডেলে এবিটি এই জেলায় সন্তর্পণে জাল বিস্তার শুরু করে। সেই সূত্রেই এসটিএফ একের পর এক জঙ্গি গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সেই জিজ্ঞাসাবাদে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তারপরই মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিটি ব্লকে ছড়িয়ে পড়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন গোয়েন্দারা। জেলার বেশকিছু জায়গায় স্লিপার সেলের খোঁজ গোয়েন্দারা পেয়েছেন। এলাকার কারা কারা এই সব গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত, সে ব্যাপারে খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে খাগড়াগড় কাণ্ডের এক অন্যতম চক্রীকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিসের এসটিএফ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দাদের নজরে আসে সূতি, জলঙ্গি ও ধুলিয়ান মডেল। সেই একই মডেলে এবিটি এই জেলায় সন্তর্পণে জাল বিস্তার শুরু করে। সেই সূত্রেই এসটিএফ একের পর এক জঙ্গি গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। সেই জিজ্ঞাসাবাদে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তারপরই মুর্শিদাবাদ জেলার প্রতিটি ব্লকে ছড়িয়ে পড়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন গোয়েন্দারা। জেলার বেশকিছু জায়গায় স্লিপার সেলের খোঁজ গোয়েন্দারা পেয়েছেন। এলাকার কারা কারা এই সব গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত, সে ব্যাপারে খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।



