সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টোটোর দৌরাত্ম্য আগেও ছিল। কিন্তু বর্তমানে গোটা মেডিক্যাল চত্বর কার্যত টোটো চালকদের দখলে। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসের মধ্যেই টোটো স্ট্যান্ড বানিয়ে ফেলা হয়েছে। যাত্রীর অপেক্ষায় দু’ পাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে টোটো। যার জেরে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাঁদের আত্মীয় পরিজনদের। টোটো স্ট্যান্ডের কারণে রোগী নিয়ে আসা অ্যাম্বুলেন্স চালকদের হামেশাই বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। দুর্ঘটনাও বাড়ছে। গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের ভিতরে কীভাবে টোটো স্ট্যান্ড চলছে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার কাম ভাইস প্রিন্সিপ্যাল অনাদি রায়চৌধুরী বলেন, মাঝে মাঝে আমি গাড়ি থেকে নেমে টোটো চালকদের সরিয়ে দিই। ফের দৌরাত্ম্য বাড়ে। পুলিসকে বিষয়টি জানাব।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সোম থেকে শনিবার আউটডোর খোলা থাকে। রোজ পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসার জন্য আসেন। হাসপাতাল ঢোকার মূল গেটের ডানদিকে রয়েছে ওপিডির টিকিট কাউন্টার। তার উল্টো দিকে ওপিডি। সেখানেই আসা যাওয়ার দু’টি রাস্তার মাঝে রয়েছে টোটো স্ট্যান্ড। দু’ পাশে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকছে টোটো। হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ঢুকেই টোটো চালকরা খাতায় গাড়ির নম্বর লিখিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ছেন। সেই অনুযায়ী পরপর যাত্রী ওঠাচ্ছেন।
টোটো চালক দিলীপ মণ্ডল বলেন, ৫৫-৬০টি টোটো মেডিক্যাল থেকে যাত্রী ওঠানামা করায়। যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা না হয় তারজন্য এই নিয়ম করা হয়েছে। এরজন্য কি পুলিস বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও অনুমতি নিয়েছেন? টোটো চালক সুজিত হালদার বলেন, হাসপাতালের ভিতরে নির্দিষ্ট কোনও টোটো স্ট্যান্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে করে দেওয়া হয়নি। অলিখিতভাবেই এই টোটো স্ট্যান্ড চলছে। আমাদের টোটো চালিয়েই সংসার চালাতে হয়। কোথায় যাব? বিশ্বজিৎ দাস বলেন, গেটে সিকিউরিটি রয়েছে। তারা বাধা দেয় না। কর্তৃপক্ষ যেদিন সরে যেতে বলে সেদিন সরে যাই।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ওই এলাকায় লোক গিজগিজ করে। শতাধিক অ্যাম্বুলেন্স ঢোকে, বের হয়। চিকিৎসক সহ আধিকারিকদের গাড়ি আসা যাওয়া করে। ফলে টোটোর দাপটে রোজ চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনা বাড়ছে।
বেলডাঙা থেকে অর্থোপেডিক চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন ষাটোর্ধ্ব নূর ইসলাম। নাতির হাত ধরে টিকিট কেটে ওপিডি বিভাগে যাচ্ছিলেন। নূর ইসলাম বলেন, মানুষ আর টোটোর চাপে পা ফেলার উপায় নেয়। অন্যমনস্ক হলেই বিপদ। কর্তৃপক্ষ নজর না দিলে দুর্ভোগ কাটবে না।
টোটো চালক দিলীপ মণ্ডল বলেন, ৫৫-৬০টি টোটো মেডিক্যাল থেকে যাত্রী ওঠানামা করায়। যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা না হয় তারজন্য এই নিয়ম করা হয়েছে। এরজন্য কি পুলিস বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও অনুমতি নিয়েছেন? টোটো চালক সুজিত হালদার বলেন, হাসপাতালের ভিতরে নির্দিষ্ট কোনও টোটো স্ট্যান্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে করে দেওয়া হয়নি। অলিখিতভাবেই এই টোটো স্ট্যান্ড চলছে। আমাদের টোটো চালিয়েই সংসার চালাতে হয়। কোথায় যাব? বিশ্বজিৎ দাস বলেন, গেটে সিকিউরিটি রয়েছে। তারা বাধা দেয় না। কর্তৃপক্ষ যেদিন সরে যেতে বলে সেদিন সরে যাই।
সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ওই এলাকায় লোক গিজগিজ করে। শতাধিক অ্যাম্বুলেন্স ঢোকে, বের হয়। চিকিৎসক সহ আধিকারিকদের গাড়ি আসা যাওয়া করে। ফলে টোটোর দাপটে রোজ চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনা বাড়ছে।
বেলডাঙা থেকে অর্থোপেডিক চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন ষাটোর্ধ্ব নূর ইসলাম। নাতির হাত ধরে টিকিট কেটে ওপিডি বিভাগে যাচ্ছিলেন। নূর ইসলাম বলেন, মানুষ আর টোটোর চাপে পা ফেলার উপায় নেয়। অন্যমনস্ক হলেই বিপদ। কর্তৃপক্ষ নজর না দিলে দুর্ভোগ কাটবে না।



