নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ সিল্ক ও গরদের বিশ্বব্যাপী ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্য আরও বাড়ানোর ঐকান্তিক চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। মুর্শিদাবাদ খাদি মেলার উদ্বোধনে এসে এমনটাই দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। তিনি বলেন, শুধু জিনিস তৈরি করলে হবে না। বিক্রি করতে হবে। বিক্রির জায়গা আমরা বাড়াচ্ছি। গ্রামের শিল্পীদের তৈরি জিনিস অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে আরও নানা উপায়ে বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। শিল্পীদের বিক্রির খেদ পূরণ করতে পারব।
Advertisement
বহরমপুর ব্যারাক স্কয়ার ময়দানে রবিবার বিকেলে জেলা খাদি মেলার উদ্বোধন হয়। মেলা চলবে ৬ জনুয়ারি পর্যন্ত। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংসদ আবু তাহের খান, জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, খাদি বোর্ডের চেয়ারম্যান কল্লোল খাঁ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদে জেলায় জেলায় খাদির কাজ এগিয়ে চলছে। এখানকার শিল্পীরা এগিয়ে চলুন। রাজ্য সরকার সব সময় আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য আমরা কাজ করছি। এই মেলায় এবার ১৭৫টি স্টল বসেছে। শিল্পী তাঁদের তৈরি জিনিস নিয়ে সরাসরি বিক্রির জন্য আসছেন। বাচ্চারাও মেলায় এসে উপভোগ করতে পারবে। খাবার স্টল, খেলার সামগ্রী আছে। খাদি ছাড়াও অন্যান্য অনেক জিনিস আছে। ১৬দিন ধরে এই মেলা চলবে।
কল্লোলবাবু বলেন, মুর্শিদাবাদের খাদি শিল্পীদের আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। যাতে মুর্শিদাবাদের সামগ্রীর মান আরও উন্নত হয়। মানুষ আরও সুনাম করতে পারে। জেলাশাসক বলেন, এই জেলার খাদি মেলা প্রতিবছরই অন্য রকম আঙ্গিক পায়। এই ময়দান খুবই ঐতিহ্যবাহী। এখানে নির্দিষ্ট কিছু মেলা করতে দেওয়া হয়। তার মধ্যে খাদি মেলা অন্যতম। এই জেলায় আমরা অনেক কিছু করতে পেরেছি। ব্যারাক স্কয়ারের চারিদিকে ভেঙে পড়া সৈন্য ছাউনিগুলি সংস্কার করে বর্তমানে খাদি এম্পোরিয়াম, ভিলেজ ইন্ডাস্ট্রি ও খাদি সংক্রান্ত ক্ষুদ্র শিল্পীদের কাজের এবং উৎপাদিত দ্রব্য বিক্রি করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি এই মেলাও সফল হবে। এবারও বহু শিল্পী নিজেদের উৎপাদিত সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন।
তাহের সাহেব বলেন, মুর্শিদাবাদের মসলিন ও খাদির কদর সারা দেশে বাড়ছে। আমরা চাইছিলাম মুর্শিদাবাদের এবং বাংলার খাদি শিল্পকে তুলে ধরার জন্য দিল্লিতে মেলা করতে। তাহলে গোটা ভারতবর্ষব্যাপী এখানকার শিল্পের গুরুত্ব এবং প্রসার বাড়বে।
মন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদে জেলায় জেলায় খাদির কাজ এগিয়ে চলছে। এখানকার শিল্পীরা এগিয়ে চলুন। রাজ্য সরকার সব সময় আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য আমরা কাজ করছি। এই মেলায় এবার ১৭৫টি স্টল বসেছে। শিল্পী তাঁদের তৈরি জিনিস নিয়ে সরাসরি বিক্রির জন্য আসছেন। বাচ্চারাও মেলায় এসে উপভোগ করতে পারবে। খাবার স্টল, খেলার সামগ্রী আছে। খাদি ছাড়াও অন্যান্য অনেক জিনিস আছে। ১৬দিন ধরে এই মেলা চলবে।
কল্লোলবাবু বলেন, মুর্শিদাবাদের খাদি শিল্পীদের আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। যাতে মুর্শিদাবাদের সামগ্রীর মান আরও উন্নত হয়। মানুষ আরও সুনাম করতে পারে। জেলাশাসক বলেন, এই জেলার খাদি মেলা প্রতিবছরই অন্য রকম আঙ্গিক পায়। এই ময়দান খুবই ঐতিহ্যবাহী। এখানে নির্দিষ্ট কিছু মেলা করতে দেওয়া হয়। তার মধ্যে খাদি মেলা অন্যতম। এই জেলায় আমরা অনেক কিছু করতে পেরেছি। ব্যারাক স্কয়ারের চারিদিকে ভেঙে পড়া সৈন্য ছাউনিগুলি সংস্কার করে বর্তমানে খাদি এম্পোরিয়াম, ভিলেজ ইন্ডাস্ট্রি ও খাদি সংক্রান্ত ক্ষুদ্র শিল্পীদের কাজের এবং উৎপাদিত দ্রব্য বিক্রি করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি এই মেলাও সফল হবে। এবারও বহু শিল্পী নিজেদের উৎপাদিত সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন।
তাহের সাহেব বলেন, মুর্শিদাবাদের মসলিন ও খাদির কদর সারা দেশে বাড়ছে। আমরা চাইছিলাম মুর্শিদাবাদের এবং বাংলার খাদি শিল্পকে তুলে ধরার জন্য দিল্লিতে মেলা করতে। তাহলে গোটা ভারতবর্ষব্যাপী এখানকার শিল্পের গুরুত্ব এবং প্রসার বাড়বে।



