নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ আর্থিক বর্ষের প্রস্তাবিত বাজেট পেশের জন্য বুধবার সাধারণ সভা ডাকা হয়। পরিষদের সদস্যদের সম্মতিক্রমে জেলার উন্নয়নের জন্য ৭৪৭ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা বাজেট ধার্য করা হল। আগামী এক বছরে জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন খাতে এই অর্থ খরচ করা হবে বলেই জানিয়েছেন আধিকারিকরা। এদিনের সভায় হাজির ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) মহম্মদ শামসুর রহমান, সহকারী সভাধিপতি আতিবুর রহমান, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শামসুজ্জোহা বিশ্বাস, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শফিউজ্জামান শেখ প্রমুখ।
Advertisement
বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারের বাজেটে সবথেকে বেশি বরাদ্দ হয়েছে পূর্ত ও পরিবহণ খাতে। ৩৬৪ কোটি টাকার কাজ হবে আগামী এক বছরে। জনস্বাস্থ্যে বরাদ্দ হয়েছে ১১৪ কোটি টাকা। সভাধিপতি বলেন, মুর্শিদাবাদের চেহারা বদলে যাচ্ছে। আগামীতে আরও বদলে যাবে। আগামী এক বছরে জেলার উন্নয়নের জন্য ৭৪৭ কোটি টাকার খসরা বাজেট পেশ হয়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে বাজেট পেশের পর দীর্ঘক্ষণ ধরে সভাকক্ষে সাধারণ সভা চলে। সেখানে সকল সদস্যকে বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ যে কাজ করেছে, সেটা সকলেই জানে। বিরোধী সদস্যদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিগত দিনে জেলা পরিষদ গুরুত্ব দিয়েছে তাঁদের কাজে। তাঁরা কাজ থেকে বঞ্চিত হননি। কারণ এই বোর্ড সাধারণ মানুষের কাজ করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে উন্নয়ন করে, সেখানে কোনও রাজনৈতিক রং দেখা হয় না। আমরাও সেই ভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি।
এদিন জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই সভায় মাঝে মধ্যেই কথা কাটাকাটির জেরে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিরোধী সদস্যদের বলার সময় শাসকদলের সদস্যরা আওয়াজ তোলেন। জেলা পরিষদের ৭৮ জন সদস্যের মধ্যে এখন পাঁচজন বিরোধী সদস্য রয়েছে। বিরোধীদেরকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না বলেই অভিযোগ ওঠে। উন্নয়নের কাজে বিরোধীরা বাঁধা না দিলেও, তাদেরকে ব্রাত্য রেখেই সমস্ত কাজ করা হচ্ছে বলে বেশ কয়েকজন বিরোধী সদস্য অভিযোগ তোলেন। তবে এদিন তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শাসকদলের অনেক সদস্য গরহাজির ছিলেন। বিরোধীদের পাশাপাশি শাসকদলের বেশ কয়েকজন সদস্য রাস্তা, জল নিকাশি এবং আলোর কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট। এদিন বাজেট পেশের পর তাঁরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শামসুজ্জোহা বিশ্বাস বলেন, আমাদের অনেক ব্লকে ভালো অডিটোরিয়াম নেই। সেখানে অডিটোরিয়াম করার চেষ্টা করব। সেখানে বহু বেকার ছেলে কাজ পাবেন। অনেক জায়গায় মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আমরা কাজ শুরু করেছি। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে যে কাজগুলি ক্রিটিক্যাল অথচ গুরুত্বপুর্ণ, সেগুলিকে আগামী দিনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জলঙ্গির জেলা পরিষদের বিরোধী সদস্য ইমরান হোসেন বলেন, প্রায় এক বছর পর সাধারণ সভা হল। গতানুগতিক ভাবে বাজেট পেশ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটের কোনও ক্লারিফিকেশন নেই। শাসকদলের সদস্যরা আমাদের বলতে বাধা দিচ্ছেন।
এদিন জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই সভায় মাঝে মধ্যেই কথা কাটাকাটির জেরে উত্তেজনা তৈরি হয়। বিরোধী সদস্যদের বলার সময় শাসকদলের সদস্যরা আওয়াজ তোলেন। জেলা পরিষদের ৭৮ জন সদস্যের মধ্যে এখন পাঁচজন বিরোধী সদস্য রয়েছে। বিরোধীদেরকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না বলেই অভিযোগ ওঠে। উন্নয়নের কাজে বিরোধীরা বাঁধা না দিলেও, তাদেরকে ব্রাত্য রেখেই সমস্ত কাজ করা হচ্ছে বলে বেশ কয়েকজন বিরোধী সদস্য অভিযোগ তোলেন। তবে এদিন তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শাসকদলের অনেক সদস্য গরহাজির ছিলেন। বিরোধীদের পাশাপাশি শাসকদলের বেশ কয়েকজন সদস্য রাস্তা, জল নিকাশি এবং আলোর কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট। এদিন বাজেট পেশের পর তাঁরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ শামসুজ্জোহা বিশ্বাস বলেন, আমাদের অনেক ব্লকে ভালো অডিটোরিয়াম নেই। সেখানে অডিটোরিয়াম করার চেষ্টা করব। সেখানে বহু বেকার ছেলে কাজ পাবেন। অনেক জায়গায় মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আমরা কাজ শুরু করেছি। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে যে কাজগুলি ক্রিটিক্যাল অথচ গুরুত্বপুর্ণ, সেগুলিকে আগামী দিনে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
জলঙ্গির জেলা পরিষদের বিরোধী সদস্য ইমরান হোসেন বলেন, প্রায় এক বছর পর সাধারণ সভা হল। গতানুগতিক ভাবে বাজেট পেশ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালের বাজেটের কোনও ক্লারিফিকেশন নেই। শাসকদলের সদস্যরা আমাদের বলতে বাধা দিচ্ছেন।



