সংবাদদাতা, বহরমপুর: মহা শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে বহরমপুরের প্রাচীন শিবমন্দিরগুলিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ল। বুধবার সকাল ৯টার পর থেকেই ভক্তরা ফুল, ফল, বেলপাতা দিয়ে পুজোর পর দুধ, গঙ্গাজল মিশ্রিত জল মহাদেবের মাথায় ঢেলে প্রার্থনা করেন। বহু ভক্ত বুধবার সারা রাত জেগে চার প্রহরে ঢল ঢালবেন। তিথি অনুসারে আজ, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫৪ মিনিট পর্যন্ত ভক্তরা পুজোপাঠ ও জল ঢালার সুযোগ পাবেন বলে মন্দির কমিটি জানিয়েছে। মহা শিবরাত্রি উপলক্ষে বহু মন্দির প্রাঙ্গণে মেলাও বসেছে। প্রাচীন মন্দির ছাড়াও শহরের বহু মন্দিরে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
Advertisement
প্রসঙ্গত শ্রাবণ মাসে প্রতি সোমবার ভক্তরা বহরমপুরে ভাগীরথী নদী থেকে জল ভরে হেঁটে নিজের নিজের এলাকায় শিবের মাথায় জল ঢালেন। এই রেওয়াজ দীর্ঘদনের। শিবরাত্রি উপলক্ষেও হাজার হাজার পুরুষ, মহিলা, কিশোর, কিশোরীকে ভাগীরথী থেকে সাজানো বাঁকে করে জল নিয়ে যেতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে কারও বাড়ি নবগ্রাম, কেউ আবার কান্দির বাসিন্দা। এদিন বীরভৃম জেলা থেকেও বহু পুণ্যার্থী ভাগীরথীতে জল ভরতে এসেছিলেন। বহরমপুর শহরের বাসিন্দারা বাজনা সহযোগে শোভাযাত্রা করে ভাগীরথী থেকে জল ভরে বিভিন্ন শিব মন্দিরে ঢালেন। তবে শহরের সিংহভাগ মানুষ কাশিমবাজার ব্যাসপুর, পাতালেশ্বর, বানেশ্বর মন্দিরে যান।
ব্যাসপুর মন্দিরে পুজো দিতে আসা রিয়া ঘোষ বলেন, সকলের মঙ্গল সুস্থতা কামনার পাশাপাশি দেশে সন্ত্রাস, নারীদের উপর হামলা কম হোক এটাই চেয়েছি। তিথি সরকার বলেন, সকালে পুজো দিলাম। নিরন্ন উপবাস থেকে রাতে চার প্রহরে চারবার দুধ, গঙ্গাজল দিয়ে মহাদেবের কাছে প্রার্থনা করব। কাশিমবাজার ব্যাসপুর মন্দির কমিটির সভাপতি সঞ্জীব রায় বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কুপনের মাধ্যমে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। কান্তনগর লিচুবাগান পাড়ার নীলবাবা মন্দির কমিটির সদস্য যতীন দাস বলেন, মহা শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে আগামী ১ মার্চ নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করেছি আমরা।
প্রাচীন মন্দিরের পাশাপাশি শহরেও বিভিন্ন পাড়ায় মণ্ডপে শিবদুর্গার মূর্তি এনে মহা শিবরাত্রি উদযাপন করা হচ্ছে। বহু ক্লাবের পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদেরও আয়োজন করা হয়েছে। সারা রাত ধরে পুজো পাঠ চলবে।
শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে বুধবার কান্দি মহকুমার বিভিন্ন মন্দিরে সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় ছিল। কান্দি শহরের রূপপুর এলাকায় প্রাচীন রুদ্রদেব মন্দিরে এদিন সকালে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে রাতে ভিড় বেশি হয় বলে জানিয়েছেন মন্দিরের সেবাইত দেবীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সালারের শিশুয়াশ্বর মন্দিরেও এদিন সকাল থেকে ভক্তরা পুজো দেন ও জল ঢালেন। একইভাবে ভরতপুর বুড়ো শিবমন্দির, খড়গ্রামের জয়পুর শিবমন্দির, কান্দি শহরের দক্ষিণাকালী মন্দির, বাঘডাঙা পঞ্চমুখী শিবমন্দিরেও ভক্তদের ভিড় ছিল।
ব্যাসপুর মন্দিরে পুজো দিতে আসা রিয়া ঘোষ বলেন, সকলের মঙ্গল সুস্থতা কামনার পাশাপাশি দেশে সন্ত্রাস, নারীদের উপর হামলা কম হোক এটাই চেয়েছি। তিথি সরকার বলেন, সকালে পুজো দিলাম। নিরন্ন উপবাস থেকে রাতে চার প্রহরে চারবার দুধ, গঙ্গাজল দিয়ে মহাদেবের কাছে প্রার্থনা করব। কাশিমবাজার ব্যাসপুর মন্দির কমিটির সভাপতি সঞ্জীব রায় বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলবে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কুপনের মাধ্যমে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। কান্তনগর লিচুবাগান পাড়ার নীলবাবা মন্দির কমিটির সদস্য যতীন দাস বলেন, মহা শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে আগামী ১ মার্চ নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করেছি আমরা।
প্রাচীন মন্দিরের পাশাপাশি শহরেও বিভিন্ন পাড়ায় মণ্ডপে শিবদুর্গার মূর্তি এনে মহা শিবরাত্রি উদযাপন করা হচ্ছে। বহু ক্লাবের পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য খিচুড়ি প্রসাদেরও আয়োজন করা হয়েছে। সারা রাত ধরে পুজো পাঠ চলবে।
শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে বুধবার কান্দি মহকুমার বিভিন্ন মন্দিরে সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় ছিল। কান্দি শহরের রূপপুর এলাকায় প্রাচীন রুদ্রদেব মন্দিরে এদিন সকালে মহিলাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে রাতে ভিড় বেশি হয় বলে জানিয়েছেন মন্দিরের সেবাইত দেবীপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সালারের শিশুয়াশ্বর মন্দিরেও এদিন সকাল থেকে ভক্তরা পুজো দেন ও জল ঢালেন। একইভাবে ভরতপুর বুড়ো শিবমন্দির, খড়গ্রামের জয়পুর শিবমন্দির, কান্দি শহরের দক্ষিণাকালী মন্দির, বাঘডাঙা পঞ্চমুখী শিবমন্দিরেও ভক্তদের ভিড় ছিল।



