সংবাদদাতা, কান্দি: দোকান ছেড়ে কোথাও যাঁদের একটি দিনের জন্যও কাটানো সম্ভব নয়, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হওয়ায় জীবনে তাঁরা পাচ্ছেন আংশিক খুশির ইশারা। শর্ট ছুটির ইমেজে কেউ বেড়াতে গিয়েছেন দীঘায়। কেউবা প্রতিবেশী জেলার কুটুম্বের বাড়িতে উঠছেন দীর্ঘদিন পর। কারণ একটাই, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ। তাতে অনলাইন পেমেন্ট অ্যাপগুলি কাজও করছে না। আর সেই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে কান্দি মহকুমার ব্যবসায়ীদের একাংশ পরিবার সহ ছুটি কাটাচ্ছেন।
Advertisement
ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের এমন একটি দিনও নেই যে, তাঁরা ব্যবসা বন্ধ করে ছুটি নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাবেন। একটি দিনের দোকান বন্ধ মানেই তাঁদের কাছে লোকসানের দিন। তাই যতই সমস্যা হোক না কেন, বছরের প্রতিটি দিনই দোকান খুলে রাখার চেষ্টা করতে হয়। এদিকে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে অনলাইন পরিষেবা একেবারে বসে গিয়েছে। ফোনপে, গুগলপের মতো অন্যান্য অনলাইন পেমেন্ট অ্যাপগুলি কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। তাই দোকান চালানোর ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হয়েছে। খুচরো দোকানগুলিতে নগদে লেনদেন করা গেলেও বড় ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে একমাত্র অনলাইন পেমেন্টই ভরসা। তাই এলাকার বড় ব্যবসায়ীদের কাছে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হওয়া মানেই লেনদেন বন্ধ।
খড়গ্রাম থানার নগরগ্রামের পাইকারি মুদি ব্যবসায়ী আমিন মোমিন বলেন, অনলাইন পেমেন্ট বন্ধ থাকলে দোকান খুলে কোনও লাভ নেই। বিক্রি থাকলেও ক্রেতারা বাকিতে সামগ্রী নিয়ে যাবেন। তাতে পবরর্তীতে সমস্যা বাড়বে। বকেয়া টাকা আদায় করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে হবে। এলাকার অনেক ব্যবসায়ীর প্রায় একই বক্তব্য। ব্যবসায়ীদের একাংশ এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কয়েকটা দিনের জন্য কার্যত ছুটি কাটাচ্ছেন। সালারের পাইকারি কাপড় ব্যবসায়ী কিরণ শেখ বলেন, ইন্টারনেট বন্ধের কারণে আমি পরিবার সহ দীঘায় বেড়াতে এসেছি। সঙ্গে সালারের আরও দুই ব্যবসায়ীও এসেছেন। করোনা পরবর্তীতে এখন সুযোগ ফের একবার পাওয়া গেল। কান্দি ব্যবসায়ী সমিতির সহকারি সম্পাদক শিবনাথ চন্দ্র বলেন, বিষয়টি মিথ্যা নয়। বাকিতে বেচাকেনা করার চেয়ে দোকান বন্ধ করে কয়েকটা দিনের জন্য কোথাও ঘুরে আসা অনেক ভাল। বড়ঞা থানার ঢেকা গ্রামের ব্যবসায়ী পাইকারি স্টেশনারি রতন শেখ বলেন, ইন্টারনেট যেদিন থেকে বন্ধ হয়েছে। সেদিন থেকে দোকানে সব বাকিতে বিক্রি করতে হচ্ছিল। তাই পরের দিন প্রতিবেশি জেলার মল্লারপুরে বেড়াতে চলে এসেছি পরিবার সহ। প্রায় দুই বছর পর মামাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে এলাম। পরিষেবা স্বাভাবিক হলে গ্রামে ফিরে দোকান খুলব।
খড়গ্রাম থানার নগরগ্রামের পাইকারি মুদি ব্যবসায়ী আমিন মোমিন বলেন, অনলাইন পেমেন্ট বন্ধ থাকলে দোকান খুলে কোনও লাভ নেই। বিক্রি থাকলেও ক্রেতারা বাকিতে সামগ্রী নিয়ে যাবেন। তাতে পবরর্তীতে সমস্যা বাড়বে। বকেয়া টাকা আদায় করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে হবে। এলাকার অনেক ব্যবসায়ীর প্রায় একই বক্তব্য। ব্যবসায়ীদের একাংশ এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কয়েকটা দিনের জন্য কার্যত ছুটি কাটাচ্ছেন। সালারের পাইকারি কাপড় ব্যবসায়ী কিরণ শেখ বলেন, ইন্টারনেট বন্ধের কারণে আমি পরিবার সহ দীঘায় বেড়াতে এসেছি। সঙ্গে সালারের আরও দুই ব্যবসায়ীও এসেছেন। করোনা পরবর্তীতে এখন সুযোগ ফের একবার পাওয়া গেল। কান্দি ব্যবসায়ী সমিতির সহকারি সম্পাদক শিবনাথ চন্দ্র বলেন, বিষয়টি মিথ্যা নয়। বাকিতে বেচাকেনা করার চেয়ে দোকান বন্ধ করে কয়েকটা দিনের জন্য কোথাও ঘুরে আসা অনেক ভাল। বড়ঞা থানার ঢেকা গ্রামের ব্যবসায়ী পাইকারি স্টেশনারি রতন শেখ বলেন, ইন্টারনেট যেদিন থেকে বন্ধ হয়েছে। সেদিন থেকে দোকানে সব বাকিতে বিক্রি করতে হচ্ছিল। তাই পরের দিন প্রতিবেশি জেলার মল্লারপুরে বেড়াতে চলে এসেছি পরিবার সহ। প্রায় দুই বছর পর মামাশ্বশুরের বাড়িতে বেড়াতে এলাম। পরিষেবা স্বাভাবিক হলে গ্রামে ফিরে দোকান খুলব।



