নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: গত বছরের থেকে ২০ শতাংশ বেড়েছে জেলা পরিষদের আর্থিক বরাদ্দ। বুধবার সাংসদ, বিধায়ক, কর্মাধ্যক্ষ ও জেলা পরিষদের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে বার্ষিক সভায় ৭৪৭ কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করলেন। দশটি স্থায়ী সমিতির খাতে এই অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। আগামী অর্থবছরে কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছ থেকে জেলার উন্নয়নের কাজে এই অর্থ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী বর্তমান জেলা পরিষদ বোর্ড। এদিন জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে হাজির ছিলেন সাংসদ আবু তাহের খান, জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, বিধায়ক অপূর্ব সরকার, রবিউল আলম চৌধুরী, জাফিকুল ইসলাম, আশিস মার্জিত প্রমুখ। জেলা পরিষদের রাস্তার কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বেশ কিছু সদস্য। সেইসঙ্গে সোলার বাতিস্তম্ভ ও জলের ট্যাঙ্কগুলি অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় বেশকিছু এলাকার মানুষের সমস্যা হয়। জেলা পরিষদের তহবিল থেকে কাজ হওয়ার পর কোনও মেনটেনেন্স হয় না বলে অভিযোগ তোলেন কেউ কেউ। তবে এদিন সার্বিকভাবে বৈঠক সদর্থক হয়েছে বলেই জানিয়েছেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা।
Advertisement
তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে সকলে একত্রিত হয়ে এই বৈঠক করা হয়েছে। সদস্য এবং কর্মাধ্যক্ষরা এদিন বলার সুযোগ পেয়েছেন। গতবারের তুলনায় এবার ২০ শতাংশ বরাদ্দ বেড়েছে। মানুষের সুবিধার্থে সমস্ত জায়গায় ভালোভাবে কাজ করা হবে। রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ যে ভালোভাবে হচ্ছে, সেটা আমি বলব না। জনপ্রতিনিধিদের বলব, নিজের এলাকার কাজ যে সমস্ত ঠিকাদার সংস্থা করছে তাদের থেকে কাজ বুঝে নিতে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজের পরে তা তদারকি করা হয় না। সেগুলি যাতে এবার থেকে করা হয় আমরা তার নজর দেব।
কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, সমস্ত এলাকায় উন্নয়ন হোক সেটাই চাইব। সামঞ্জস্য বজায় রেখে উন্নয়ন করা জরুরি। জেলা পরিষদের কাজের মানের সঙ্গে কোথাও কোনও কম্প্রোমাইজ করা যাবে না। আমাদের জেলা কৃষিনির্ভর। এই বার্ষিক সাধারণ বৈঠকে কৃষি ও সেচের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সোলার সেচ পদ্ধতিতে কীভাবে উন্নতি করা যায় তা আলোচনা হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির কোনও এলাকায় রমজান মাসে যাতে জলের সমস্যা না হয়, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। সোলার লাইট ও জলের পাম্প খারাপ হয়ে পড়ে আছে। পুরনো খারাপ রাস্তা মেরামত করার জন্য উদ্যোগ নিতে বলেছি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এদিনের বৈঠকে যা আলোচনা হয়েছে, সবকিছুর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। অন্যান্য স্থায়ী সমিতির তুলনায় গত অর্থবর্ষে আমার বিভাগে ভালো কাজ করতে পেরেছি। আগামী বছরও আরও কাজ করব।
জানা গিয়েছে, অর্থ, সমস্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা স্থায়ী সমিতিতে ১৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পূর্ত কার্য ও পরিবহণ স্থায়ী সমিতিতে ৩৬৪ কোটি টাকা, কৃষি সেচ ও সমবায় স্থায়ী সমিতিতে ২০ কোটি টাকা, শিক্ষা সংস্কৃতি তথ্য ও ক্রীড়া স্থায়ী সমিতিতে ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ক্ষুদ্রশিল্প, বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি স্থায়ী সমিতিতে ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতিতে ১১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। মৎস্য প্রাণিসম্পদ বিকাশ স্থায়ী সমিতিতে সাড়ে ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।। শিশু ও নারী উন্নয়ন জনকল্যাণ ও ত্রাণ স্থায়ী সমিতিতে ২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। খাদ্য ও সরবরাহ স্থায়ী সমিতিতে ২৭ লক্ষ, বন ও ভূমি সংস্কার স্থায়ী সমিতিতে দু’ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে জেলা পরিষদ। সব মিলিয়ে মোট ৭৪৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে আগামী বছরের জন্য।
কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, সমস্ত এলাকায় উন্নয়ন হোক সেটাই চাইব। সামঞ্জস্য বজায় রেখে উন্নয়ন করা জরুরি। জেলা পরিষদের কাজের মানের সঙ্গে কোথাও কোনও কম্প্রোমাইজ করা যাবে না। আমাদের জেলা কৃষিনির্ভর। এই বার্ষিক সাধারণ বৈঠকে কৃষি ও সেচের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সোলার সেচ পদ্ধতিতে কীভাবে উন্নতি করা যায় তা আলোচনা হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতির কোনও এলাকায় রমজান মাসে যাতে জলের সমস্যা না হয়, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। সোলার লাইট ও জলের পাম্প খারাপ হয়ে পড়ে আছে। পুরনো খারাপ রাস্তা মেরামত করার জন্য উদ্যোগ নিতে বলেছি।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এদিনের বৈঠকে যা আলোচনা হয়েছে, সবকিছুর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। অন্যান্য স্থায়ী সমিতির তুলনায় গত অর্থবর্ষে আমার বিভাগে ভালো কাজ করতে পেরেছি। আগামী বছরও আরও কাজ করব।
জানা গিয়েছে, অর্থ, সমস্ত উন্নয়ন পরিকল্পনা স্থায়ী সমিতিতে ১৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পূর্ত কার্য ও পরিবহণ স্থায়ী সমিতিতে ৩৬৪ কোটি টাকা, কৃষি সেচ ও সমবায় স্থায়ী সমিতিতে ২০ কোটি টাকা, শিক্ষা সংস্কৃতি তথ্য ও ক্রীড়া স্থায়ী সমিতিতে ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ক্ষুদ্রশিল্প, বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি স্থায়ী সমিতিতে ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতিতে ১১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। মৎস্য প্রাণিসম্পদ বিকাশ স্থায়ী সমিতিতে সাড়ে ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।। শিশু ও নারী উন্নয়ন জনকল্যাণ ও ত্রাণ স্থায়ী সমিতিতে ২৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। খাদ্য ও সরবরাহ স্থায়ী সমিতিতে ২৭ লক্ষ, বন ও ভূমি সংস্কার স্থায়ী সমিতিতে দু’ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে জেলা পরিষদ। সব মিলিয়ে মোট ৭৪৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে আগামী বছরের জন্য।



