সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অবশেষে মুরারইয়ের ভাদীশ্বরে হেমাপদ রায় বিদ্যাভবন লাগোয়া পুকুরপাড়ের ঢিবিতে খননকার্য শুরু করল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ। মঙ্গলবার পুজোপাঠ করে ও নারকেল ফাটিয়ে খননের কাজ শুরু হয়।
Advertisement
বহু বছর আগে ব্রিটিশ আমলে এই ঢিবি লাগোয়া পুকুর থেকে বহু দেবদেবীর প্রাচীন মূর্তি উদ্ধার হয়েছিল। পরে মন্দির তৈরি করে ওই সমস্ত মূর্তির নিত্য পূজার্চনা শুরু হয়। সেসময় এলাকার উৎসুক বাসিন্দারা ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের কাছে এই জায়গায় খননকার্য চালানোর আবেদন জানান। অবশেষে এক যুগ পর সেই খননকার্য শুরু হল।
এদিন সেখানে খননকার্য শুরুর সময় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের অধিকর্তা রাজেন্দ্র যাদব, সহ-অধিকর্তা পি কে নায়েক, বিশিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক সপ্তর্ষি চৌধুরী, নবীন গবেষক সর্বেশ্বর রবিদাস সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। পি কে নায়েক বলেন, আগামী দেড় মাসের বেশি সময় ধরে এই উৎখননের কাজ চলবে। তবে ঢিবির উপর গ্রামের মানুষ বেশ কয়েকটি মন্দির গড়ে তোলায় খননকার্যে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এদিন সেখানে এলাকার আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক অনির্বাণজ্যোতি সিংহ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রায় ১০০বছর আগে ইংরেজ আমলে এই ঢিবির বিষয়ে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষেণের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। খননকার্য সম্পন্ন হলে এলাকার ইতিহাসের অনেক নতুন তথ্য জানা যাবে। তবে এই কাজ অন্তত ৫০বছর আগে হওয়া উচিত ছিল। কারণ এই ঢিবির প্রায় ৫০ শতাংশ কালের নিয়মে হারিয়ে গিয়েছে।
এদিন সেখানে খননকার্য শুরুর সময় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের অধিকর্তা রাজেন্দ্র যাদব, সহ-অধিকর্তা পি কে নায়েক, বিশিষ্ট প্রত্নতাত্ত্বিক সপ্তর্ষি চৌধুরী, নবীন গবেষক সর্বেশ্বর রবিদাস সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। পি কে নায়েক বলেন, আগামী দেড় মাসের বেশি সময় ধরে এই উৎখননের কাজ চলবে। তবে ঢিবির উপর গ্রামের মানুষ বেশ কয়েকটি মন্দির গড়ে তোলায় খননকার্যে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এদিন সেখানে এলাকার আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক অনির্বাণজ্যোতি সিংহ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রায় ১০০বছর আগে ইংরেজ আমলে এই ঢিবির বিষয়ে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষেণের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল। খননকার্য সম্পন্ন হলে এলাকার ইতিহাসের অনেক নতুন তথ্য জানা যাবে। তবে এই কাজ অন্তত ৫০বছর আগে হওয়া উচিত ছিল। কারণ এই ঢিবির প্রায় ৫০ শতাংশ কালের নিয়মে হারিয়ে গিয়েছে।



