সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অবশেষে শনিবার গভীর রাতে মুরারই স্টেশন সংলগ্ন লেভেল ক্রসিং গেট বন্ধ করে চালু করা হল আণ্ডারপাস। লেভেল ক্রসিং গেটে রেল লাইনের কাটা অংশ পুঁতে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে রাত থেকেই আণ্ডারপাস দিয়ে ভারী যানবাহন থেকে বাইক যাতায়াত শুরু করেছে। খুশি এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেটে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না। রবিবার খুশিতে রেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে লাড্ডু ও খেঁজুর বিলি করলেন এলাকার বিধায়ক মোশারফ হোসেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, অনুমোদিত ফুট ওভার ব্রিজ আগে নির্মাণ করে গেট বন্ধ করলে ভালো হতো। বর্ধমান সাহেবগঞ্জ লুপ লাইন মুরারইয়ের বুক চিরে চলে গিয়েছে। অধিকাংশ সময় রেলগেট পড়ে থাকত। তার উপরে দীর্ঘক্ষণ রেলগেট বন্ধ থাকায় দু’ধারেই সারি দিয়ে সাইকেল, ভ্যান, মোটরবাইক সহ ভারী যানবাহন দাঁড়িয়ে পড়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হতো। রেলের কাছে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান বিধায়ক থেকে শাসকদলের নেতারা। অবশেষে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে মুরারই স্টেশনের অদূরে আণ্ডারপাস নির্মানের ব্যাপারে সম্মতি দেয় রেল। শর্ত, আণ্ডারপাস চালু করলে চিরতরে লেভেল ক্রসিং গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেইমতো বছর দুয়েক আগে কাজ শুরু হয়। ফেব্রুয়ারির শুরুতেই সেই নির্মাণ কাজ শেষ হয়। আণ্ডারপাস নির্মাণের কাজ শেষ হয়। ১৭.৫ ফুট করে দুটি আণ্ডারপাস করা হয়েছে। আণ্ডারপাসের দু’দিকে ১৬৫ মিটার করে মোট ৩৭০ মিটার ঢালাই রাস্তা উঁচু গার্ডওয়াল দিয়ে করা হয়েছে।
Advertisement
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে লেভেল ক্রসিং গেট বন্ধ করে আণ্ডারপাস চালু করার জন্য আসেন রেল কর্তারা। স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রেল কর্তাদের। স্থানীয়রা দাবি করে, আণ্ডারপাসে জল জমে। ভারী বৃষ্টি হলে পুরো ডুবে যাবে। এদিকে, রেলগেট পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে বিকল্প পথ থাকছে না। তখন ট্রাফিক নিয়ে বড় সমস্যায় পড়তে হবে হাজার হাজার মানুষকে। তাছাড়া আণ্ডারপাস অন্ধকার। রাতে পথ চলতে সমস্যা হবে। অবশেষে ফিরে যেতে হয় রেল কর্তাদের। পরের দিন হাওড়ায় ডিআরএমের সঙ্গে দেখা করে মানুষের দাবি তুলে ধরেন বিধায়ক। সেই মতো গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ডিআরএমের নির্দেশে এদিকে জল জমে অণ্ডারপাস বন্ধ হয়ে গেলে দমবন্ধ অবস্থা হবে মুরারইবাসীর। সেই মতো সোমবার বিকেলে ডিআরএমের নির্দেশে ওই আণ্ডারাপাসে তিনটি ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে ২১ হাজার লিটার জল ছাড়া হয়। দুটি পাম্প সহযোগে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই পুরো জল বের করা সম্ভব তা হাতে নাতে দেখানো হয়। সেই সঙ্গে আণ্ডারপাসে লাইটের ব্যবস্থা করা হয়।
অবশেষে শনিবার গভীর রাতে রেলগেট চিরতরে বন্ধ করে আণ্ডারপাস চালু করে দেয় রেল। হাজির ছিলেন বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিপ্লব শর্মা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বাসিন্দারা। রাত থেকেই আণ্ডারপাসের তলা দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু করে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শীঘ্রই সেই ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। সেই সঙ্গে আণ্ডারপাসের স্থায়ী দুটি হাইস্পিড পাম্প ও নির্মিত রাস্তায় পর্যাপ্ত লাইট লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন ঠিকাদার সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার তাহাজুল ইসলাম।
অবশেষে শনিবার গভীর রাতে রেলগেট চিরতরে বন্ধ করে আণ্ডারপাস চালু করে দেয় রেল। হাজির ছিলেন বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিপ্লব শর্মা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার বাসিন্দারা। রাত থেকেই আণ্ডারপাসের তলা দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু করে। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শীঘ্রই সেই ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। সেই সঙ্গে আণ্ডারপাসের স্থায়ী দুটি হাইস্পিড পাম্প ও নির্মিত রাস্তায় পর্যাপ্ত লাইট লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন ঠিকাদার সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার তাহাজুল ইসলাম।



