সংবাদদাতা, রামপুরহাট: যাত্রী সেজে উঠে চালককে বেহুঁশ করে টোটো নিয়ে চম্পট দিল দুষ্কৃতী। একদিন পর মুর্শিদাবাদের উমরপুর থেকে চালককে উদ্ধার করা হলেও মেলেনি টোটো। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে টোটো চালকদের মধ্যে। বছর ৫৫-র রফি শেখের বাড়ি মুরারই থানার ধনঞ্জয়পুরে। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালে টোটো নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। দুপরে খাবার থেকে বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের লোকজন ভেবেছিলেন হয়তো টোটো নিয়ে দূরে ভাড়ায় যাওয়ায় আসতে দেরি হচ্ছে। কিন্তু অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও না আসায় তাঁর ফোনে কল করেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু ফোনে পাননি। অবশেষে তাঁরা টোটোস্ট্যান্ডে খুঁজতে বের হন। অন্যান্য টোটো চালকদের কাছ থেকে জানতে পারেন, এক যাত্রীকে চাপিয়ে মুর্শিদাবাদের উমরপুরে ভাড়ায় গিয়েছেন তিনি। রাত হয়ে গেলেও প্রৌঢ় চালক বাড়ি না ফেরায় মুরারই থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন পরিবারের লোকজন। পুলিস তদন্তে নেমে মুর্শিদাবাদ পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে। অবশেষে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁরা খবর পান, মুরারইয়ের এক প্রৌঢ়কে বেহুঁশ অবস্থায় উদ্ধার করেছেন এলাকার লোকজন। সুস্থ হয়ে তাঁদের কাছেই রয়েছে প্রৌঢ়। পুলিস খোঁজখবর করে জানতে পারে, ওই প্রৌঢ়ই রফি শেখ। সেইমতো রাতেই তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিস। রফি সাহেব বলেন, উমরপুর ঢোকার মুখে ওই যাত্রী একটি চায়ের দোকানে দাঁড়াতে বলে। দু’জনেই চা খাই। পরে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাই। এরপর কী হয়েছে জানি না। পুলিস জানিয়েছে, ওই চালককে চায়ের সঙ্গে মাদকজাতীয় কিছু মিশিয়ে খাইয়ে বেহুঁশ করে টোটা নিয়ে চম্পট দিয়েছে যাত্রী সেজে ওঠা দুষ্কৃতী। টোটোটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিস।



