সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: মেয়র গৌতম দেবের মানবিক মুখে নতুন করে বাঁচার ভরসা পেলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা রানু দাস। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে অনেক দূরে। তাঁরা বাবা-মায়ের খোঁজখবর নিতে পারেন না। এদিকে, বয়সের কারণে স্বামী এখন আর দর্জির কাজ করতে পারেন না। উপার্জন বলতে কিছুই নেই। চরম সঙ্কটে অসহায় ভাবে দিন কাটছে শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রানু দাসের।
Advertisement
বহুবার বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেও তা মেলেনি। তাই অবশেষে মেয়র গৌতম দেবের দ্বারস্থ হলেন তিনি। শনিবার শিলিগুড়ি পুরসভার টক টু মেয়র ফোন ইন লাইভ অনুষ্ঠানে রানুদেবী সরাসরি মেয়রকে ফোন করে তাঁর এই চরম সঙ্কটের কথা জানান। কাতর স্বরে বার্ধক্য ভাতার আর্জি জানান। তিনি বলেন, পুরসভায় গিয়ে যোগাযোগ করার মতো শারীরিক সক্ষমতা নেই। সবটা শুনে মেয়র তাঁকে আশ্বস্ত করেন। বলেন, আপনি কাগজপত্র তৈরি রাখুন। আমি আপনার বাড়িতে লোক পাঠাচ্ছি। তারা সব দেখে ব্যবস্থা করবে। আপনি চিন্তা করবেন না। পুরসভা থেকে সবরকম সহযোগিতা আমরা করব। মেয়রের এই মানবিক সাড়ায় আপ্লুত স্বরে ধন্যবাদ জানান রানুদেবী।
প্রতি শনিবার এই অনুষ্ঠানেই নাগরিক সমস্যার পাশাপাশি বহু বাসিন্দা তাঁদের সমস্যার কথা বলে থাকেন মেয়রকে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও তাদের সমস্যার সমাধানের জন্য মেয়রের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন। কোনওরকম দ্বিধা দ্বন্দ্ব নেই। এদিনও দিশান কার্জি নামে শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের এক ছাত্র ফোন করেছিলেন মেয়রকে। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে সে। স্ট্যাটিসটিকস নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চায়। শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলে স্ট্যাটিসটিকস থাকলেও কোনও শিক্ষক নেই। তাই মেয়রকে সে বলে, স্যার একজন শিক্ষকের ব্যবস্থা করে দিন। তাহলে ইলেভেন- টুয়েলভ আমাকে অন্য স্কুলে পড়তে হবে না। আমি বয়েজ স্কুল থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চাই। মেয়র তাকে এবিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
প্রতি শনিবার এই অনুষ্ঠানেই নাগরিক সমস্যার পাশাপাশি বহু বাসিন্দা তাঁদের সমস্যার কথা বলে থাকেন মেয়রকে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরাও তাদের সমস্যার সমাধানের জন্য মেয়রের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন। কোনওরকম দ্বিধা দ্বন্দ্ব নেই। এদিনও দিশান কার্জি নামে শিলিগুড়ি বয়েজ স্কুলের এক ছাত্র ফোন করেছিলেন মেয়রকে। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে সে। স্ট্যাটিসটিকস নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে চায়। শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলে স্ট্যাটিসটিকস থাকলেও কোনও শিক্ষক নেই। তাই মেয়রকে সে বলে, স্যার একজন শিক্ষকের ব্যবস্থা করে দিন। তাহলে ইলেভেন- টুয়েলভ আমাকে অন্য স্কুলে পড়তে হবে না। আমি বয়েজ স্কুল থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে চাই। মেয়র তাকে এবিষয়ে আশ্বস্ত করেন।



