Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মরণফাঁদ নাইসোরার সেতু, সব জেনেও সংস্কারে উদ্যোগী নয় প্রশাসন

মরণফাঁদ নাইসোরার সেতু, সব জেনেও সংস্কারে উদ্যোগী নয় প্রশাসন
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সাত-আট বছর ধরে ভেঙেচুরে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে রামপুরহাট ১ ব্লকের বৈধরা নাইসোর গ্রামের মাঝে ক্যানেলের উপর ছোট্ট সেতুটি। এই ক’ বছরে সরজমিনে খতিয়ে দেখে রিপোর্টের পর রিপোর্ট জমা পড়েছে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। একাধিক জেলার মিটিংয়ে সেতুটির দুর্দশার কথা তুলে ধরেছেন বিডিও। কিন্তু আজও সেই সেতুর সংস্কার হল না। 
Advertisement
রামপুরহাট ১ ব্লকের নাইসোর গ্রাম, মাধবপুর, কানাইপুর, নারায়ণপুর  সহ ৩০টিরও বেশি গ্রামের বাসিন্দারা রামপুরহাট শহরে যাতায়াত করেন এই সেতুটি দিয়ে। যা সেচদপ্তরের অধীনে। সেতুর দু’ ধারের রেলিং প্রায় এক যুগ আগেই ভেঙে গিয়েছে। বছর সাতেক আগে সেতুর উপর যাতায়াতের বড় অংশ ভেঙে গিয়েছে। সেতু পেরতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ। অনেক সময়ে গোরুর গাড়ির চাকা সেতুর ভাঙা অংশে পড়ে বিপদ ঘটছে। গোরু নীচে পড়ে মারা যাচ্ছে। কৃষকরা ফসল বাড়িতে নিয়ে আসতে বা বাজারে নিয়ে যেতে সমস্যায় পড়ছেন। রাতের দিকে সমস্যা বাড়ে। বাইক, সাইকেল নিয়ে সেতুর ভাঙা অংশ দিয়ে ক্যানেলের জলে পড়ে জখম হচ্ছে মানুষ। ঘুরপথ রয়েছে। কিন্তু সেই পথ দিয়ে নিত্য যাতায়াতে সময় এবং টাকা দুটোই খরচ বেশি হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সেতুর এই অবস্থা হয়ে থাকলেও তা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। শুধু তাই নয়, বিপজ্জনক সেতু লেখা কোনও বোর্ডও লাগানো হয়নি। অথচ পঞ্চায়েত থেকে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা সকলেই সমস্যার কথা জানেন। ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’ কর্মসূচিতে অভিযোগ জানিয়েও ফল মেলেনি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বিডিও অঙ্কুর মিত্র বলেন, সেতুটি সেচদপ্তরের অধীনে। এর আগে জেলার মিটিংয়েও রিপোর্ট করেছিলাম। তারপর কতটা অগ্রগতি হয়েছে তা বলতে পারব না। এদিকে রামপুরহাট মহকুমার সেচ আধিকারিক বরুণ দাস বলেন, আগে ব্রিজ সেকশনের লোকেরা সেতুটি দেখে গিয়েছেন। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, বিষয়টি নিয়ে সেচদপ্তরের সঙ্গে কথা বলব।
সম্পর্কিত সংবাদ